সেরাদের সেরা [পর্ব-০৯] :: সেরা ৮টি বাজেট অ্যান্ড্রয়েড ফোন

টিউন বিভাগ অ্যান্ড্রয়েড
প্রকাশিত
জোসস করেছেন

সেরাদের সেরা

হ্যালো টেকটিউনস জনগণ, কেমন আছেন আপনারা সবাই? আশা করি সবাই ভাল আছেন। এখন থেকে নিয়মিত আবার নতুন টিউন নিয়ে আমরা হাজির হলাম আপনাদের কাছে। আর টেকটিউনসের নিত্যনতুন টপিক আর সার্ভিস নিয়ে ভালো না থেকে আর উপায় আছে? আর এই নিত্যনতুন টপিক আর সার্ভিসের ধারা বজায় রাখার নিমিত্তে, আজকে আমি আপনাদের সাথে একদম নতুন একটি টপিক নিয়ে হাজির হলাম। আর আপনারা এই টিউনের মাধ্যমে জানতে পারবেন অনেক নতুন নতুন সব তথ্য।

এই বছর (২০২০) কে আমি মোটামুটি ক্যাটাগরিতেই ফেলবো, ভালো খারাপ মিলেই বছরটির শেষের দিকে চলে এসেছি, আমাদের উচিৎ ভাল টুকুকে পুঁজি করে সামনের দিকে এগিয়ে চলা। আর এদিকে স্মার্টফোন ব্রান্ডগুলো শেষ পর্যন্ত বুঝতে পেরেছে যে ফোনের দাম তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। তবে অবশ্যই ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোনগুলো এখনও ভাল দামে বিক্রি করছে যার মূল্য চার ডিজিট থেকেই শুরু হয়, তবে এখন $500 বা ৪০ হাজার টাকার নিচেই অনেক ভাল ভাল স্মার্ট ফোন রয়েছে। আর আপনি যদি বিদেশ থেকে ফোন ইম্পোর্ট করে আনেন তাহলে এই দামে আরও ভাল মানের স্মার্টফোন পাবেন।

আর অবশ্যই আপনি যদি আপনার বাজেটের মধ্যে ভাল স্মার্টফোনের খোঁজ করেন বা কিছু টাকা সেভ করতে চান বা বাজেটের মধ্যে সেরা কনফিগারের ফোন খুঁজছেন, তাহলে আজকের লিস্ট এর সবগুলো ফোনই আপনার দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্যে যথেষ্ট হবে বলে আমি মনে করি। তবে বাজেটের ব্যাপারে আপনার যদি কোন সমস্যা না থাকে তাহলে আপনি একদম সেরাদের সেরা স্মার্টফোন কিনতে পারেন। আর অবশ্যই কিনে ফেলবার আগে আমাদের এই গাইড লাইন টি দেখেই স্মার্টফোনটি কিনুন।

এগুলো হল সেরা বাজেট অ্যান্ড্রয়েড ফোনঃ

  • ১. অলরাউন্ডারঃ Google Pixel 4a
  • ২. বেস্ট টেকসইঃ Moto G Power
  • ৩. স্যামসাং ফ্যানদের জন্য সেরাঃ Galaxy A51
  • ৪. বেস্ট নতুন ব্রান্ডঃ TCL 10L
  • ৫. স্টাইলাস ব্যবহারকারীদের জন্য সেরাঃ Moto G Stylus
  • ৬. বেস্ট অ্যান্ড্রয়েড ওয়ান ডিভাইস: Nokia 5.3
  • ৭. বেস্ট ফিচার এবং স্পেসঃ OnePlus Nord
  • ৮. বেস্ট কোয়ালিটিঃ Poco X3 NFC

১. অলরাউন্ডারঃ Google Pixel 4a

অবশ্যই, এই লিস্টের মধ্যে Google Pixel 4a স্মার্টফোনে বেশি ফিচার নাই ঠিকই তবে এর বিল্ট কোয়ালিটি এবং লুক অসাধারণ, আর এটি "অলরাউন্ডার" ক্যাটাগরি দখল করে নিয়েছে দুটি কারনেঃ সফটওয়্যার এবং ক্যামেরা। আপনারা জানেন যে Google Pixel 4a ফোনগুলো একদম পিওর গুগল ফোন হিসেবে পরিচিত, সুতরাং এই ফোনে রয়েছে ক্লিন অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন, আপ টু ডেট ভার্সন, এবং গুগল থেকে দীর্ঘকালীন সাপোর্ট তো রয়েছেন। তাছাড়া এতে প্রিমিয়াম ফোনের মত ফোকালের লেন্থে বহুমুখিতা নেই, এতে মেইন ক্যামেরাটি Pixel 5’s এর মত প্রতিটি জিনিসই প্রাণবন্ত লাগবে, যা অন্যান্য ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোনের ফটোর মতই প্রাণবন্ত।

আর এর দাম কম হওয়ার পরেও, Pixel 4a এ ফ্ল্যাগশিপ লেভেলের স্ক্রিন টু বডি অ্যাসপেক্ট রেশিও ব্যবহার করা হয়েছে এবং রয়েছে বিশাল ব্যাটারি ব্যাকআপ, যা সারা দিন ব্যবহারেও ফুরাবেনা। তবে এটে ব্যবহার করা হয়েছে প্ল্যাস্টিকের বডি এবং শুধু কালো রঙ ভ্যারিয়েন্টেই রয়েছে, এবং এই ফোনে ৫জি সাপোর্ট করে না, তবে ফটোগ্রাফ এক্সপেরিয়েন্স এবং সফটওয়্যার এক্সপেরিয়েন্সে এই ফোন অন্যবদ্য আর দাম মাত্র $350 বা ২৯ হাজার টাকার মত, যা এই লিস্টে আরও অনেক স্মার্টফোন রয়েছে যার দাম এর তিনগুনেরও বেশি।

২. বেস্ট টেকসইঃ Moto G Power

যুক্তরাষ্ট্রে Redmi এবং Realme এর মতো চীনা বাজেট ব্র্যান্ডের অনুপস্থিতির জন্য, Motorola তাদের বাজেট অ্যান্ড্রয়েড ফোনগুলো বিনা প্রতিদন্ধিতায় যুক্তরাষ্ট্রে বিক্রি করছে এবং এই বছরেও G Power সেই ধারা অব্যাহত রেখেছে। এর দাম $250 বা প্রায় ২২ হাজার টাকা, এতে রয়েছে 6.4 ইঞ্চি স্ক্রিন ও খুবই পাতলা বেজেল এবং 5000 mAh এর বিশাল ব্যাটারি ক্যাপাসিটি। প্রসেসর হিসেবে এতে ব্যবহার করা হয়েছে Snapdragon 665, রয়েছে 4GB র‍্যাম এবং এই লিস্টের অন্যান্য ফোনের তুলনায় ক্যামেরা পারফরম্যান্স খুবই কম তবে যা রয়েছে তা ব্যবহারযোগ্যই বলা যায়।

আর সফটওয়্যার সম্পর্কে বলতে গেলে, Motorola এর সফটওয়্যার এক্সপেরিয়েন্স একদম Pixel 4a এর মতই বলা যায়, আপনি একটি পিউর অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারের এক্সপেরিয়েন্স পেতে পারেন, তবে এতে Motorola এর অতিরিক্ত কিছু সফটওয়্যার ফিচার বাদ দিলে, অভারঅল বেস্ট টেকসই ফোনই বলা যায়। সামগ্রিকভাবে, Moto G Power এ রয়েছে বিশাল ব্যাটারি ব্যাকআপ এবং সর্বোত্তম সফটওয়্যার এটিকে আরও মূল্যবান করে তুলেছে।

৩. স্যামসাং ফ্যানদের জন্য সেরাঃ Galaxy A51

Samsung এর মতো শীর্ষ ব্রান্ডের মিড লেভেলের ফোন কেনার সুবিধা হল এতে প্রিমিয়াম কোয়ালিটির পার্টস ব্যবহার করা হয়। আর Galaxy A51 দাম $400 বা প্রায় ৩৩ হাজার টাকা, এই ফোনে রয়েছে রয়েছে 6.5 ইঞ্চি Samsung AMOLED প্যানেল, ফলে কালারগুলো আরও চমৎকার ভাবে উপভোগ করতে পারবেন এবং এতে রয়েছে 32-মেগাপিক্সেলের সেলফি ক্যামেরা আর এটি আপনার ফোনের স্ক্রিনের মধ্যেই বসানো হয়েছে, যা আপনার ফোনের লুক কে আরও বাড়িয়ে তোলে।

এতে ব্যবহার করা হয়েছে বিশাল 4, 000 mAh এর ব্যাটারি এবং রেয়ার ক্যামারা হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে 48-মেগাপিক্সেল প্রাইমারি ক্যামেরা এবং 12-মেগাপিক্সেল আল্ট্রাওয়াইড ক্যামেরা। তবে এতে ব্যবহার করা হয়েছে হ্যাপটিক ইঞ্জিন যা তুলনামূলক ভাবে কিছুটা কম পাওয়ারফুল মনে হয়েছে এবং Exynos 9611 চিপ এই লিস্টের অন্যান্য চিপের থেকে অনেক পিছিয়ে আছে।

তবুও, সেই লয়্যাল Samsung ফ্যান যারা One UI পছন্দ করে তবে Galaxy S বা Note সিরিজের ফ্ল্যাগশিপ ফোনগুলো কেনার জন্য $1, 000 খরচ করার সামর্থ্য রাখে না, তারা Galaxy A51 ফোনটি বিনা সংকোচে কিনে ফেলতে পারেন যা ব্যবহার করে আপনি টপ গ্যালাক্সি ফোন ব্যবহারের মত অনুভূতি পাবেন।

৪. বেস্ট নতুন ব্রান্ডঃ TCL 10L

আমরা সবাই TCL টেলিভিশনের নাম শুনেছি নিশ্চই, আর ২০২০ সালে এসে TCL আনুষ্ঠানিকভাবে স্মার্টফোন ইন্ডাস্ট্রিতে পদার্পন শুরু করেই বাজিমাত করেছে, তারা $250 বা প্রায় ২১ হাজার টাকা এর একটি অ্যান্ড্রয়েড ফোন তৈরি করেছে যাতে ব্যবহার করা হয়েছে আকর্ষনীয় 6.5-ইঞ্চি এলসিডি স্ক্রিন।

এই ফোনের পিছনের অংশ প্লাস্টিকের হওয়া সত্ত্বেও, ফোনটির প্রাইস ট্যাফ এবং প্রতিযোগিতা মূলক স্মার্টফোনের মার্কেটে TCL নতুন ব্রান্ড হিসেবে বিবেচনা করলে ফোনটি আসলেই অসাধারণ বলতেই হবে। তাছাড়া আপনি এই ফোনটিকে একটু ফ্লিপ করলেই দেখতে পাবেন এর স্ক্রিনটিতে রঙ জ্বলজ্বল করছে - আর রঙগুলো আরও চমৎকার লাগে যখন সূর্যের আলো এর উপর পড়ে।

এই ফোনের রিয়ারে কোয়াড-ক্যামেরা সিস্টেম, আর প্রাইমারি শ্যুটার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে 48-মেগাপিক্সেল এর ক্যামেরা যা কোয়ালিটি ফটো তুলতে সাহায্য করবে, তাছাড়া অন্য তিনটি লেন্সগুলো হচ্ছে - একটি 8-মেগাপিক্সেলের আল্ট্রাওয়াইড ক্যামের, এবং 2-মেগাপিক্সেল ম্যাক্রো এবং 2-মেগাপিক্সেল ডেপথ সেন্সর রয়েছে। তাছাড়া প্রসেসর হিসেবে এতে ব্যবহার করা হয়েছে Snapdragon 665 এবং ইউজার ইন্টারফেস হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে কাস্টমাইজ light UI অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম।

তাছাড়া TCL 10L এ ব্যবহার করা হয়েছে IR blaster যাতে আপনি সহজেই TCL ব্রান্ডের টেলিভিশন সহ অন্যান্য হোম অ্যাপলায়েন্স গুলোকে সহজে কন্ট্রোল করতে পারেন।

৫. স্টাইলাস ব্যবহারকারীদের জন্য সেরাঃ Moto G Stylus

আপনি যদি স্টাইলাস সহ একটি ফোন ব্যবহার করতে চাচ্ছেন কিন্তু গ্যালাক্সি নোট সিরিজের ফোনগুলো খুবই ব্যয়বহুল, আর তাই Moto G Stylus হচ্ছে এর অন্যতম সেরা বিকল্প। কেননা Moto G Stylus এর দাম হচ্ছে $300 বা প্রায় ২৫ হাজার টাকা, আর এই ফোনে রয়েছে 4GB র‍্যাম, NFC সাপোর্ট করে না তবে প্রসেসর হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে Snapdragon 665, ইউজার ইন্টারফেস হিসেবে clean UI, একটি headphone jack, এবং অবশ্যই আপনার সাধের স্টাইলাসটি তো পাবেনই। স্টাইলাসটি ব্যবহার করে ভাল ভাবেই কাজ করা যায় তবে আপনি যদি এটিকে Note 20 বা Note 10 এর S-Pen এর সাথে তুলনা করেন তাহলে দেখতে পাবেন যে এর সাথে ব্লুটুথ কানেক্টশন বা প্ল্যাম রিজেক্টশন সুবিধা নেই। উদাহরণস্বরূপ, আপনি যদি স্ক্রিন বন্ধ থাকা অবস্থায় ফোনের নিচ থেকে স্টাইলাসটি টেনে বের করেন তাহলে দেখবেন যে স্ক্রিনে একটি ডার্ক নোটপ্যাড চলে আসছে - একদম ঠিক নোট সিরিজের অফ স্ক্রিন মেমোর মত।

এই ফোনে ব্যবহার করা হয়েছে, 4, 000 mAh এর হিউজ ক্যাপাসিটির ব্যাটারি যার মাধ্যে আপনি সারাদিন এই ফোনটি ব্যবহার করতে পারবেন, আর এর স্ক্রিনটি দেখতে অসাধারণ লাগছে এবং এতে রয়েছে এক জোড়া পাওয়ারফুল স্টিরিও স্পিকার। আর ক্যামেরার কথা না বললেই নয়, এক কথায় অসাধারণ।

৬. বেস্ট অ্যান্ড্রয়েড ওয়ান ডিভাইস: Nokia 5.3

আপনারা জানেন যে, স্টক অ্যান্ড্রয়েড কাস্টমাইজ অ্যান্ড্রয়েড থেকে অনেক লাইট ওয়েট হয়, আর যারা তাদের ফোনের সফটওয়্যার যথাসম্ভব লাইট ওয়েট চান তাদের জন্য Nokia 5.3 একটি ভাল অপশন হতে পারে, তাছাড়া স্টক অ্যান্ড্রয়েড এর ভার্সন কমপক্ষে দুই বছর পর্যন্ত গুগল সফটওয়্যার আপডেট এর নিশ্চয়তা তো আছেই।

এছাড়া এই ফোনে রয়েছে বিশাল 4, 000 mAh ক্যাপাসিটির ব্যাটারি ব্যাকআপ, 6.5 ইঞ্চি 720 x 1600 স্ক্রিন (দাম অনুযায়ী কনফিগার একটু বেশিই রয়েছে) এবং প্রাইমারি ক্যামেরা হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে 13-মেগাপিক্সেল ক্যামেরা। এছাড়াও রয়েছে 5-মেগাপিক্সেলের আল্ট্রাওয়াইড ক্যামেরা এবং 3GB র‍্যাম, আর এর দাম হচ্ছে $199 বা প্রায় ১৭ হাজার টাকা।

৭. বেস্ট ফিচার এবং স্পেসঃ OnePlus Nord

OnePlus ফোনের কথা আর কি বলবো, তারা বছরের পর বছর আরও ভাল এবং উন্নত হচ্ছে, সাথে সাথে ফোনগুলোর দামও উচ্চ থেকে উচ্চতর হচ্ছে। আর কোম্পানিটি Nord সিরিজের ফোনটিকে সর্বোচ্চ পারফরম্যান্স দিবে বলে হাইপ তুলছে এবং এতে আনন্দিত যে তারা অনেক অনেক ইউনিট সেল জেনারেট করতে পেরেছে। আর Nord এর দাম হচ্ছে $400 বা প্রায় ৩৪ হাজার টাকার মধ্যে মিড লেভেলের একটি ডিভাইস, তবে এতে রয়েছে 90Hz OLED প্যানেল, বহুমুখী ক্যামেরা সিস্টেম, অপ্টিমাইজড ইউজার ইন্টারফেস এবং প্রসেসর হিসেবে ব্যবাহর করা হয়েছে Snapdragon 765G যা ফুল ৫জি নেটওয়ার্ক সাপোর্ট করে।

মেইন ক্যামেরা হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে 48-মেগাপিক্সেল ক্যামেরা যা খুব ভাল মানের ফটো তুলতে সক্ষম এবং গ্রুপ সেলফি তুলার জন্য রয়েছে 8-মেগাপিক্সেলের আল্ট্রাওয়াইড সেলফি ক্যামেরা। আর বক্স খুলেই পেয়ে যাবেন 30W এর ফাস্ট চার্জিং এডাপ্টার, আর এই লিস্টের অনেক ফোনের থেকে এটা খুবই ফাস্ট চার্জ হবে। তবে OnePlus Nord এখনও উত্তর আমেরিকায় বিক্রি হচ্ছে না। আর Nord N10 এবং Nord N100 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিক্রি হচ্ছে, তবে এগুলোর দামের সাথে Nord এর দাম এক না।

৮. বেস্ট কোয়ালিটিঃ Poco X3 NFC

এখানে অ্যান্ড্রয়েড ফ্যানদের মধ্যে একটি ওপেন সিক্রেট রয়েছেঃ তারা সবাই জানে যে প্রায় সব চীনা স্মার্টফোন ব্রান্ড স্টেটসাইড বিক্রি করে না তাই আমেরিকান ফোনগুলো অন্য ফোনগুলো থেকে কিছুতা ভিন্ন হয়। তবে আপনি যদি তা ইম্পোর্ট করতে ইচ্ছুক হন তাহলে সাম্প্রতিক যত গুলো ফোন রিলিজ হয়েছে কোন ফোনই Xiaomi Poco X3 NFC এর মত ডলার টু ডলার ভ্যালু দিতে পারেনি। এই ফোনর দাম হচ্ছে, $234 বা প্রায় ২০ হাজার টাকা; আর এতে রয়েছে 6.7-ইঞ্চি 120Hz স্ক্রিন; 5, 160 mAh ব্যাটারি যা দুইদিন পর্যন্ত ব্যাকআপ দিতে সক্ষম, আর রয়েছে ব্রান্ড নিউ চিপসেট Snapdragon 732G যা কিনা 64-মেগাপিক্সেলের মেইন ক্যামেরা সাপোর্ট করে।

তবে Google Pixel 4a বা OnePlus Nord এ OLED স্ক্রিন ব্যবহার করা হয়েছে আর এই ফোনে ডিসপ্লে হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে LCD প্যানেল, তবে স্ক্রিনের 120Hz রিফ্রেশ রেট রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে স্টিরিও স্পিকার সিস্টেম এবং হ্যাপটিক ইঞ্জিন, যা আমরা $200 বা প্রায় ১৭ হাজার টাকার রেঞ্জে খুব কমই দেখেছি।

শেষ কথা

উপরের লিস্টের প্রত্যেকটি ফোনেরই নিজস্ব ভাল দিক যেমন রয়েছে তেমন মন্দ দিকও রয়েছে। তবে উপরের বেশিরভাগ ফোনই বাজেট কাস্টমারদের কথা চিন্তা করে তৈরি করা হয়েছে। তাছাড়া Google Pixel 4a, OnePlus Nord, এবং POCO X3 ডিভাইসগুলো রিভিউয়ার আর কাস্টমার উভয়ই খুব পছন্দ করেছেন। সুতরাং আপনি যদি এখনও কোন ফোনটি কিনবেন এই দ্বিধা দন্দে থাকেন তাহলে এই তিনটির মধ্যে যেকোন একটি পছন্দ করতে পারেন এবং আপনাকে নিশ্চয়াতে দিতে পারি আপনি দুর্দান্ত এক্সপেরিয়েন্স পাবেন।

টিউন জোসস করুন, আমার টিউন শেয়ার করুন, টেকটিউনসে আমাকে ফলো করুন, আপনাদের মতামত জানান

আমি এরকম নিত্যনতুন কাজের সফটওয়্যার নিয়ে টেকটিউনসে হাজির হবো নিয়মিত। তবে সে জন্য আপনার যা করতে হবে তা হলো আমার টেকটিউনস প্রোফাইলে আমাকে ফলো করার জন্য 'Follow' বাটনে ক্লিক করুন। আর তা না হলে আমার নতুন নতুন টিউন গুলো আপনার টিউন স্ক্রিনে পৌঁছাবে না।

আমার টিউন গুলো জোসস করুন, তাহলে আমি  টিউন করার আরও অনুপ্রেরণা পাবো এবং ফলে ভবিষ্যতে আরও মান সম্মত টিউন উপহার দিতে পারবো।

আমার টিউন গুলো শেয়ার বাটনে ক্লিক করে সকল সৌশল মিডিয়াতে শেয়ার করুন। নিজে প্রযুক্তি শিখুন ও অন্য প্রযুক্তি সম্বন্ধে জানান টেকটিউনসের মাধ্যমে।

Level 8

আমি রায়হান ফেরদৌস। বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সৌশল নেটওয়ার্ক - টেকটিউনস এ আমি 7 বছর 8 মাস যাবৎ যুক্ত আছি। টেকটিউনস আমি এ পর্যন্ত 154 টি টিউন ও 128 টি টিউমেন্ট করেছি। টেকটিউনসে আমার 51 ফলোয়ার আছে এবং আমি টেকটিউনসে 1 টিউনারকে ফলো করি।


টিউনস


আরও টিউনস


টিউনারের আরও টিউনস


টিউমেন্টস