ADs by Techtunes ADs
ADs by Techtunes ADs

আমি বাংলা ভাষা বলছি…..আসুন,আমার বিবর্তন ও সংগ্রামের ইতিহাসের এক ঝলক দেখুন…

আমি বাংলা ভাষা বলছি.....আসুন,আমার বিবর্তন ও সংগ্রামের ইতিহাসের এক ঝলক দেখুন...

ADs by Techtunes ADs

আমি (বাংলা ভাষা)..আজ এই টিউনটি ২১ফেব্রুয়ারির ভাষা শহিদের উৎসর্গ করলাম..

আমার জন্ম ভারতীয় আর্য ভাষা থেকে....
আর্য ভাষা তিন ভাগে বিভক্ত
ক/ প্রাচীন ভারতীয় আর্য (১৫০০খ্রীঃ পূঃ - ৬০০ খ্রীঃ পূঃ)
খ/ মধ্য ভারতীয় আর্য (৬০০ খ্রীঃ পূঃ - ৯০০খ্রীঃ)
গ/ নব্য ভারতীয় আর্য (৯০০খ্রীঃ - আজ পর্যন্ত)

এই নব্য ভারতীয় আর্য ভাষা থেকেই আমার (বাংলা ভাষার) জন্ম....

আমার লিপির উদ্ভব কাহিনি...

অশোকের ব্রাহ্মিলিপি দেখুন
নিচে বাংলা অনুবাদ আছে

গুপ্ত শাসনকালে অশোকের ব্রাহ্মিলিপি ভারতের পূর্বাঞ্চলে যে রূপ ধারন করেছিলো তাকে কুটিল লিপি বলে...

ষষ্ঠ শতকের কুটিল লিপি দেখুন
নিচে বাংলা অনুবাদ আছে

এই কুটিল লিপি থেকেই আমার (বাংলা লিপির )উদ্ভব
দ্বাদশ শতকের বাংলা লিপি দেখুন
নিচে বাংলা অনুবাদ আছে

ADs by Techtunes ADs

</a

দ্বাদশ শতকেই আমি (বাংলা বর্ণমালা) নিজস্ব রূপ গ্রহণ করেছিলাম ...

এবার দেখুন কোন দশকে আমি (বাংলা ভাষা)কেমন ভাবে উচ্চারিত হতাম....

১০ম-১২শ শতকের আমি(বাংলা ভাষা)
উদাঃ- কাআ তরুবর পঞ্চবি ডাল।
চঞ্চল চীএ পইঠা কাল।।.....নমুনাটি 'চর্যাপদ' থেকে

১৫শ শতকের আমি (বাংলা ভাষা)
উদাঃ- কে না বাঁশি বাএ বড়ায়ি কালিনী নঈ কুলে।
কে না বাঁশি বাই বড়ায়ি এ গোঠ গোকুলে।।.....নমুনাটি 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' থেকে

১৮শ শতকের আমি (বাংলা ভাষা)
উদাঃ- প্রণমিয়া পাটুনী কহিছে জোড় হাতে।
আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে।।.....নমুনাটি 'অন্নদামঙ্গল' থেকে


২০শ শতকের আমি (বাংলা ভাষা)

উদাঃ- রক্ত ঝরাতে পারি না তো একা,
তাই লিখে যাই এ রক্ত-লেখা।.....নমুনাটি 'আমার কৈফিয়ত' থেকে

আমার দুটি রূপ আছে..
১/ সাধু ভাষা
২/ কথ্য ভাষা বা উপভাষা

এই উপভাষা দিয়েই একটি বিশেষ অঞ্চলের মানুষকে পৃথক করা যায়।

আপনি দেখে নিন ....আপনার উপভাষা অঞ্চল কোনটা....

ADs by Techtunes ADs

এই উপভাষার ৫টি ভাগ....

ক/ রাঢী-- যে অঞ্চলে উচ্চারিত হয় (বর্ধমান,হাওড়া,হুগলী,বীর‍ভূম,বাঁকুড়া পূর্ব,কলকাতা,নদীয়া,২৪পরগনা,মুশিদাবাদ)

খ/ ঝাড়খণ্ডী--যে অঞ্চলে উচ্চারিত হয়(মেদিনীপুর,পুরুলিয়া,বাঁকুড়া পশ্চিম,সিংভূম)

গ/ বরেন্দ্রী--যে অঞ্চলে উচ্চারিত হয় (মালদহ,দিনাজপুর,রাজশাহী,পাবনা,বগুড়া)

ঘ/ বঙ্গালী--যে অঞ্চলে উচ্চারিত হয়(ঢাকা,ময়মনসিংহ,বরিশাল,ফরিদপুর,যশোহর,খুলনা,নোয়াখালি,কুমিল্ল)

ঙ/ কামরূপী--যে অঞ্চলে উচ্চারিত হয়(জলপাইগুড়ি,কোচবিহার,দাজিলিং,শ্রীহট্ট,কাছাড়,রংপুর,এিপুরা)

এবার আমরা এই সব ভাষার উদাহরণ দেখবো......

ক/ রাঢী--হতভাগা ছেলে তোকে কখন থেকে বলছি--গাইটা দুইয়ে দিয়ে বাজারে যা। তা ছেলের কথা শোনো,
বলে কিনা,শীত করছে। ঘাড়টা ধরে নিয়ে আসবো। মারবো গালে চড়।

খ/ ঝাড়খণ্ডী--অ দিদি,চিনাই দে ন বটে লকটি । অ বিষ্টুপুরের হলদ মাখ্যে গা করেছে আল। অ বহিন,
নামহ কুলহিতে মাদল বাজে।পান চিবাঁই চিবাঁই উটা ঘুর‍্যেঁ মরছে ভাল।

গ/ বরেন্দ্রী--হতভাগা ছুয়া,হামি এ্যাকনা গরুডা দুহায় লিয়ে হাটত যা। উকি শুনহে? উ কহছে,বডা জার লাগছে।
গর্দানটা ধর‍্যা ওয়াক লিয়ে আয়। গালত চর ঠাটামু।

ADs by Techtunes ADs

ঘ/ বঙ্গালী--ছাইক্‌কপাইলা পোলারে। কি আর কমু? কোন্ হাত হাকালে কইচি -- গরুডারে পানাইয়া বাজারে যা। এমুন পোলা। তা নি কথা হোনে?
কয় হীতে ধরেচে।দ্যাক,ঘাড্‌ডা ধইরা লৈয়া আমু, মারুম গালে থাপর।

ঙ/ কামরূপী--তুই কোটে যাইস?মুই কইল্‌কাতা যাবার ধরিচং। কইল্‌কাতা এক আজর শহর।


এবার আমি (বাংলা ভাষা)কি ভাবে উচ্চারিত হই.....

আমি(বাংলা ভাষা)মানুষের বাকযন্ত্রের মাধ্যমে উচ্চারিত হই....
কিন্তু মানব শরীরে বাগযন্ত্র বলে কোন আলাদা অঙ্গ নেই....

বাগযন্ত্রের ছবি দেখুন....হাতে আঁকা..

ফুসফুস প্রথম বায়ুটেনে নেয়...ও বায়ু বের করে দেয়...আর সেই বায়ু মুখগহ্বর দিয়ে বেরুবার সময় ঠোঁট,জিভ,দাঁত,তালু প্রভিতিতে বাঁধাপ্রাপ্ত হয়ে ধ্বনি বা বাক বা কথার সৃষ্টি করে।

ধ্বনি প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়...
১/স্বরধ্বনি
২/ব্যঞ্জনধ্বনি

১/স্বরধ্বনি
ফুসফুস থেকে বায়ু মুখগহ্বর দিয়ে বের হবার সময় কোন রূপ বাঁধাপ্রাপ্ত হয় না তখন তাকে স্বরধ্বনি বলে
যেমন...নিজে উচ্চারণ করে দেখুন..অ আ ই ঈ....ইত্যাদি .বায়ু কতো সোজা সুন্দর বের হয়ে যাচ্ছে।

২/ব্যঞ্জনধ্বনি
ফুসফুস থেকে বায়ু মুখগহ্বর দিয়ে বের হবার সময় কোন রূপ বাঁধাপ্রাপ্ত হয় তখন তাকে ব্যঞ্জনধ্বনি বলে
মোট ৩৬টি ব্যঞ্জনধ্বনি আছে।
যেমন- ক খ গ....

........এই পথেই আমি বির্বতিত হয়েছি....

ADs by Techtunes ADs

*******এবার আমার সংগ্রামের পথ........

তখন অখণ্ড ভারত প্রথম দুটি ভাগে বিভক্ত ভারত ও পাকিস্তান..মূলত ধর্মের দিক থেকে
পাকিস্তান দুটি অংশ...পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তান
পূর্ব পাকিস্তানই অধুনা বাংলাদেশ....
পশ্চিম পাকিস্তান গায়ের জোরে উর্দু ভাষাকে অধুন বাংলাদেশের রাষ্ট্রিয় ভাষা করতে চাইলো...
সেই থেকে সংগ্রামের পথ চলা শুরু-------

বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে ১৯৫২-র ২১শে ফেব্রুয়ারি .......
সমস্ত বাংলা দেশ জুড়ে মাতৃভাষার পক্ষে সরব হচ্ছে বাংলাদেশবাসী.....
ঢাকা মেডিকেল কলেজের সম্মুখের রাস্তায় ১৪৪ ধারা জারি হয়েছে

1

সবাই জড়ো হলেন বিক্ষোভের জন্য

2

১৪৪ ধারা ভেঙ্গে বিক্ষোভ প্রদর্শনরত হতে লাগলো.......

3

অবশেষে ছাত্র-জনতার উপর পুলিশ এলোপাথারি গুলি চালালো........
মাটিতে লুটিয়ে পড়লো অগনিত জনতা....যখম হলো বহু.....

মাতৃভাষার দাবি তে শহিদ হলেন...

ADs by Techtunes ADs

4

রফিক,আব্দুস সালাম,বরকত, জব্বার,আবদুল আওল,ওহি উল্লাহ, এবং আরও অনেকে

5

ইনি...রাফিকুদ্দিন আহমেদ
বাংলা ভাষা আন্দলনের প্রথম শহিদ হিসাবে ধরা হয়। ১৯২৬ সালের ৩০ অক্টোবর জন্মগ্রহন করেন।
পিতা- আব্দুল লতিফ মিয়া, মাতা- রাফিজা খাতুন।
মৃত্যু ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি...ঘটনাস্থলে

6

ইনি...সফিউর রহমন
জন্ম-১৯১৮
মৃত্যু-২১ ফেব্রুয়ারি,১৯৫২সালে ঘটনাস্থলে

7

ইনি...আব্দুস সালাম

জন্ম- ১৯২৫
গুলিতে আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন....
মৃত্যু- ১৯৫২ সালের ৭ই এপ্রিল

8

ইনি...আব্দুল জাব্বার
জন্ম-১৯১৯ সালের ১১ অক্টোবর। পিতা-হাসান আলি ও মাতা-সাফাতুন নেসা।
মৃত্যু-১৯৫২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি,ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে...

ADs by Techtunes ADs

9

ইনি...আবুল বরকত
জন্ম ১৯২৭সালে ১৬ জানুয়ারি।
মৃত্যু ২১ ফেব্রুয়ারি,১৯৫২ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে...রাত ৮টায়
পরের ছবিটি ক্রন্দন রত বরকতের পিতা মাতা....

10

বরকতের শেষ উক্তি..."গুলি লেগেছে,বড় ঠাণ্ডা লাগছে....."

পরের দিন নিস্তব্ধ ঢাকা ইউনিভাসিটি....
11
আমতলা,আর্টস বিল্ডিং,ঢাকা ইউনিভাসিটি

২১ ও ২২শে ফেব্রুয়ারি১৯৫২ সালে ঢাকার রাজপথে অগণিত জনতার স্বতঃস্ফুর্ত সমাবেশের চি্ত্র দেখুন
17

12

প্রথম ভাষা শহিদ মিনার ২৪শে ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ সালে সম্পূর্ণ হয়,
এটি তৈরী হবার ৭২ঘন্টার মধ্যেই পাকিস্তানি পুলিস ভেঙে মাটিতে মিশিয়ে দেয়....

আমি(বাংলা ভাষা)তোমাদের (ভাষা শহিদদের)সেলাম জানাই....
দূর্গম গিরি তোমরাই জয় করে দেখিয়েছো...সাবাশ...মাতৃভাষার হোক জয়...

অবশেষে ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ....
একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়
ইউনেস্কোর প্যারিস অধিবেশনে......
13
অবশেষে মাতৃভাষা শহিদরা সমগ্র পৃথিবী জুড়ে মানব হৃদয়ে স্থান করে নিলো.......আমার (বাংলা ভাষার)আত্মা পেলো শান্তি...

ADs by Techtunes ADs

শত শহিদের রক্ত রাঙানো আমার (বাংলা ভাষার)এই জীবন.......

এতো সংগ্রামের পথ ধরে আমি আজ মুক্ত.....
সত্যিই কি মুক্ত...?
কিছু মুষ্টিমেয় উৎচিংড়ের দল.....
আমার (বাংলা ভাষা)নামে সফ্টওয়ার বানিয়ে বাজারে চড়াদামে বিক্রি করছিস..
আর আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো আমাকে নিয়ে ব্যবসা করছিস....
তোরা আমাকে (বাংলা ভাষা)পৃথিবীর প্রাচীন তম বৃত্তির সামনে দাঁড় করিয়েছিস.....

ছিঃ ছিঃ ......তোদের লজ্জা করেনা....
ধিক তোদের.........ধিক..
আমার প্রশ্ন .তোরা কি বাঙালী? তোরা কি বাংলা ভাষায় কথা বলিস...? বাংলাতে কি তোদের জন্ম...?
মনে হয় না....
ওরে তোরা সব ___ ___....

আয় তোরা দেখে যা.....
আমি (বাংলা ভাষা)উন্মুক্ত হই অভ্রের হাত ধরে....
14

তাই মেহেদী হাসান খান,আমার(বাংলা ভাষার)তরফ থেকে তোমাকে জানাই বিনম্র ভালোবাসা ...
হ্যাঁ.. আমি(বাংলা ভাষা)আপনাকে তুমি করেই বললাম...আর আপন মানুষকে তো তুমি করেই বলতে হয়....
আর একটা অনুরোধ আছে...পরের বছর ২১ফেব্রুয়ারি মধ্যে আমি অভ্র spell checker কে পৃথিবীর বৃহত্তম বাংলা বানান অভিধান হিসাবে দেখতে চাই...

যদি কেউ অভ্র ৫.১.০ ডাউনলোড করতে চান.....তাহলে এখান থেকে ডাউনলোড করুন

"আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙালো একুশে ফব্রুয়ারী
আমি কি ভুলিতে পারি...
ছেলে হারা শত মায়ের অশ্রু-গড়া এ ফেব্রুয়ারী
আমি কি ভুলিতে পারি...
আমার সোনার দেশের রক্তে রাঙানো ফেব্রুয়ারী
আমি কি ভুলিতে পারি।।"

15
**************************************************************


ADs by Techtunes ADs

ADs by Techtunes ADs
Level 0

আমি কলকাতা। বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সৌশল নেটওয়ার্ক - টেকটিউনস এ আমি 8 বছর 4 মাস যাবৎ যুক্ত আছি। টেকটিউনস আমি এ পর্যন্ত 24 টি টিউন ও 535 টি টিউমেন্ট করেছি। টেকটিউনসে আমার 2 ফলোয়ার আছে এবং আমি টেকটিউনসে 0 টিউনারকে ফলো করি।

মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহিয়ান্‌ । নাই দেশ-কাল-পাত্রের ভেদ, অভেদ ধর্মজাতি, সব দেশে সব কালে ঘরে-ঘরে তিনি মানুষের জ্ঞাতি।- ---ফেসবুকে আমি http://www.facebook.com/pages/Kolkata-India/100002338894158 আমার ব্লক http://kolkata12345.blogspot.com/


টিউনস


আরও টিউনস


টিউনারের আরও টিউনস


টিউমেন্টস

ভাই অনেক ধ্যবাদ অনেক সময় ব্যায় করে ,তথ্য বহুল এই টিউন করেছেন আমাদের জন্য ।

    আমি ভারতীয় হলেও আমার মাতৃভাষা বাংলা….
    তাই…..
    আমি বাংলার গান গাই,
    আমি আমার আমিকে চিরদিন এই বাংলায় খুজে পাই

আমি (বাংলা ভাষা)উন্মুক্ত হই অভ্রের হাত ধরে….

    আমি বাংলার কথা কই,
    আমি বাংলায় হাসি, বাংলায় ভাসি, বাংলায় জেগে রই

Level 0

vai apni asole e apner tures onek fatafati…..

Level 0

এক কথায় অসাধারন 😀

এক কথায় অসাধারন

Level 0

এ ধরণের লেখাগুলো যারাই পোস্ট করা না কেন আপনাকে ও তাদেরকে ধন্যবাদ দিতে নিজের কাছেই ভয় লাগে(কম না হয়ে যায়)।তাইতো অশ্রুসহ আবেগ ভরা ভালোবাসা রইল সকলের প্রতি।

দারুন লিখেছেন কলকাতা, আপনি দিন দিন আরো ভালো লেখা নিয়ে আসছেন আমাদের মাঝে, তাই ভালো লাগলো। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

    আমি বাংলাকে ভালোবাসি,
    আমি তারই হাত ধরে সারা পৃথিবীর মানুষের কাছে আসি

Level 0

প্রিয়তে রাখলাম!

আমি একবার দেখি বার বার দেখি দেখি বাংলার মুখ ।
জাগো জাগো বাংলা দেশ ।

    আমি যা কিছু মহান বরণ করেছি বিনম্র শ্রদ্ধায়
    মেশে তের নদী সাত সাগরের জল গঙ্গায় পদ্মায়

আমি একবার দেখি, বারবার দেখি, দেখি বাংলার মুখ…

    আমি বাংলায় দেখি স্বপ্ন,
    আমি বাংলায় বাধি সুর,
    আমি এই বাংলার মায়াভরা পথে হেটেছি এতটা দূর

মন্তব্য করার সময়টুকু ও পাচ্ছি না ব্যস্ততার জন্য, কিন্তু এই টিউটিতে মন্তব্য না করলে যে হয়না ।

কারণ –
“বাংলা আমার দেশ, বাংলা আমার ভাষা,
এই ভাষাতে কথা বলে জুড়ায় মনের আশা ।”

    “আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে, করি বাংলায় হাহাকার,
    আমি সব দেখে শুনে ক্ষেপে গিয়ে করি বাংলায় চিত্কার”

বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত; অ-নে-ক অ-নে-ক ধন্যবাদ।

    “বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি, তাই আমি পৃথিবীর রূপ
    খুঁজিতে যাই না আর “

আপনাকে ধন্যবাদ…………
জটিল টিউন…………….আপনার লিংক সহ টিউনের কিছু অংশ কপি করার অনুমতি চাচ্ছি………

    শুনে ভালো লাগলো…..এখনো অনেক ভালো মানুষ আছেন…যারা কপি করার জন্যও অনুমতি চান..
    প্রাণ খুলে কপি করুন……তবে techtunes এর নিয়ম কানুন আমি সব জানিনা……আমার দিক থেকে কোন বাধা নেই……
    কোথায় কিভাবে রাখবেন আমাকে জানালে ভালো লাগতো…….
    আমার ইমেল [email protected]
    অপেক্ষায় রইলাম……

    “বাংলা আমার দৃপ্ত শ্লোগান, ক্ষিপ্ত তীরধনুক,
    আমি একবার দেখি বারবার দেখি, দেখি বাংলার মুখ”

আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে
করি বাংলায় হাহাকার
আমি সব দেখেশুনে ক্ষেপে গিয়ে
করি বাংলায় চিৎকার …

    “একদিন অমরায় গিয়ে
    ছিন্ন খঞ্জনার মতো যখন সে নেচেছিল ইন্দ্রের সভায়
    বাংলার নদ-নদী-ভাঁটফুল ঘুঙুরের মতো তার কেঁদেছিল পায়। “

Level 0

অনেক সাজানো, গোছানো টিউন করেছেন তাই আপনাকে ধন্যবাদ দিবনা, আপনার সাথে তাল মিলিয়ে…….

“বাংলা আমার তৃষ্ণার জল”
“তৃপ্ত শেষ চুমুক”
“আমি একবার দেখি বারবার দেখি”
“দেখি বাংলার মুখ”

    “বাংলা আমার জীবনানন্দ, বাংলা প্রাণের সুর,
    আমি একবার দেখি, বারবার দেখি,
    দেখি বাংলার মুখ…”

আফসোস, যারা এত কিছু করল, আমাদের বুকে গুলি চালালো, সেই পাকিস্তানিরা আজো পর্যন্ত উর্দুকে তাদের রাষ্ট্রভাষা করল না। অবশেষে গত সপ্তাহে সিদ্ধান্ত নিল উর্দু সহ আটটি ভাষাকে তারা তাদের রাষ্ট্রভাষা করবে।

    “বহু দেশে দেখিয়াছি বহু নদ-দলে,
    কিন্তু এ স্নেহের তৃষ্ণা মিটে কার জলে?
    দুগ্ধ-স্রোতরূপী তুমি জন্মভূমি-স্তনে!”

অসংখ্য ধন্যবাদ ……….. আপনি না জানালে হয়ত কখনই জানা হত না 🙂

    “ভালবাসি কোকিলের কুহু কুহু রব,
    দেবদারুকুঞ্জে যাহা গুঞ্জে ধীরে ধীরে।”

Level 0

অনেক তথ্যবহুল টিউন…….. প্রিয়তে রাখলাম
আপনাকে অসংখ্য……. ধন্যবাদ

    “হে বঙ্গ, ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন”

অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে। টিনটিন ভাইয়ের সাথে আমি ও একমত পোষণ করি।

    “তুমি পড় মোর মনে।
    সতত তোমার কথা ভাবি এ বিরলে”

“বহু দেশে দেখিয়াছি বহু নদ-দলে,
কিন্তু এ স্নেহের তৃষ্ণা মিটে কার জলে?
দুগ্ধ-স্রোতরূপী তুমি জন্মভূমি-স্তনে!”

thanks

    আসা করেছিলাম বাংলায় লিখে ধন্যবাদ দেবেন…………………..যাই হোক আপনাকে ২১ ফেব্রুয়ারির রক্ত ঝরা অভিন্দন জানাই

ধন্যবাদ আপনাকে “জয় বাংলা”, “জয় মায়ের ভাষা”, “জয় বাংলাদেশ”।

    ‘কিসের তরে অশ্রু ঝরে,কিসের লাগি দীর্ঘশ্বাস?
    হাস্যমুখে অদৃষ্টেরে করব মোরা পরিহাস।’

Level 0

এ রকম ব্যতিক্রম টিউন আমি একটিও দেখি নি

    বাংলা ভাষা দীর্ঘ জীবি হোক…………..

Level 0

কলকাতা ভাই, আপনার স্টেটাস-টা জোস্…. প্রতিউত্তর আরো জোস্……. আর টিউনটাতো অসাধারণ…অসাধারণ। কিন্তু সমস্যা হল প্রথমটার বাংলা অনুবাদও বুঝতে পারছি না।….:(

    এটি মূলত উচ্চারণ হিসাবে বঙ্গানুবাদ করা আছে……….এটি উচ্চারণ অনেকটা সংস্কৃতের মতো……
    এই প্রস্তর ব্রাহ্মি লিপিটি …. অশোকের বৌদ্ধ ধর্মের প্রচার….
    এই লিপির পাঁচটি লাইন আছে……
    তাই প্রথম দুটির বাংলায় মানে দিলাম…..ছবিতে য়ে দুটি লাইন আছে……..ব্রেকেটে য়ে শব্দ আছে তা বোঝার জন্য দিলাম..লিপিতে উল্লখ নেই………………

    দেবতার প্রিয় রাজা প্রিয়দর্শনি (অশোক),২০বছর পর এখানে এসেছেন সাক্যমুনির (ভগবান বুদ্ধ) পুজো করতে…………………………

এটি মূলত উচ্চারণ হিসাবে বঙ্গানুবাদ করা আছে……….এটি উচ্চারণ অনেকটা সংস্কৃতের মতো……
এই প্রস্তর ব্রাহ্মি লিপিটি …. অশোকের বৌদ্ধ ধর্মের প্রচার….
এই লিপির পাঁচটি লাইন আছে……
তাই প্রথম দুটির বাংলায় মানে দিলাম…..ছবিতে য়ে দুটি লাইন আছে……..ব্রেকেটে য়ে শব্দ আছে তা বোঝার জন্য দিলাম..লিপিতে উল্লখ নেই………………

দেবতার প্রিয় রাজা প্রিয়দর্শনি (অশোক),২০বছর পর এখানে এসেছেন সাক্যমুনির (ভগবান বুদ্ধ) পুজো করতে….

অ সা ধা র ন……

“আমার দুটি রূপ আছে..
১/ সাধু ভাষা
২/ কথ্য ভাষা বা উপভাষা”

-হবে “আমার দুটি রূপ আছে..
১/ সাধু ভাষা
২/ চলিত

চলিত ভাষার একটি অংশ উপভাষা”

যাই হোক টিউন দারুন হয়েছে।
আরেকটা কথা। “আমি…বলছি” স্টাইলটা ভাল। তবে আপনারকি মনে হয়না একটু অভারইউজ হয়ে যাচ্ছে?

    আপনি ভুল…………………………..
    সাধুভাষা=আদর্শভাষা
    কথ্যভাষা=উপভাষা=চলিত ভাষা
    আমি ইচ্ছাকরেই সাধুর বিপরীত চলিত এই শব্দ ব্যবহার করি নি…………..এই টা পঞ্চম থেকে দশম শ্রেণি বাংলা ব্যকরণ বইয়ে থাকে…..
    “চলিত ভাষার একটি অংশ উপভাষা”…এটাও ভুল ….তাই কথ্যভাষা=উপভাষা=চলিত ভাষা….কারণ বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন চলিত ভাষা ব্যবহার হয়…..যাকে উপভাষা বলে।

    আর …. “আমি…বলছি” স্টাইলটা অমার নিজস্ব…এবং মৌলিক.. যা অন্যান্য টিউনার থেকে আমাকে পৃথক করে

    মন্তব্য করার জন্য আপনাকে…. আমার তরফ থেকে ….ফুসফুস ভরা ভালোবাসা জানাই

    আহ! তাহলে আমিও আমার যায়গা থেকে ভুল না ;-)। কারন দশম শ্রেনীর পর এখন আমি একাদশে। আর আমাদের কলেজে দ্বাদশে ব্যাকরণ পড়ানো হয়। তাই এ পর্যন্ত আমার পড়া ব্যাকরণ ৫ম-১০ম শ্রেণী পর্যন্ত :-D।

    আর (আমি…বলছি) স্টাইলটার কথা বলেছিলাম কারন হুমায়ুন আহমেদ তার উপন্যাস লিখার স্টাইলকে বারবার ইউজ করে বিরক্তিকর করে ফেলেছেন সেরকম আপনারটাও হতে পারে। আমি ছাড়তে বলিনি বলেছে মাঝে মাঝে এর বাইরে আসার। অবশ্য সেটা আপনার ব্যাপার। মনে কষ্ট নিবেন না।

    ভালবাসাটা ফুসফুস থেকে না দিয়ে হৃৎপিন্ডথেকে দিলে হয়না। কারন ফুসফুস থেকে আসলেতো তাতে CO2 থাকবে 😛 ।

      ভালবাসাটা ফুসফুস থেকে না দিয়ে হৃৎপিন্ডথেকে দিলে হয়না। কারন ফুসফুস থেকে আসলেতো তাতে CO2 থাকবে 😛 ।

      এটা হবেঃ
      ভালবাসাটা ফুসফুস থেকে না দিয়ে হৃৎপিন্ডথেকে দিলে হয়না? কারন ফুসফুস থেকে আসলেতো তাতে CO2 থাকবে 😛 ।

      দয়া করে চেঞ্জ করে দিবেন। আর এই মন্তব্যটা রিমুভ করে দিবেন।

    ফুসফুসে যে বায়ু থাকে তাতে O2 ,CO2 ,এবং অন্যান্য বায়ু থাকে………………………………………….
    এবং বেশি পরিমান বায়ু থাকে
    তাই আবারো আপনাকে দুটি ফুসফুস ভরা ভালোবাসা জানাই

আমি রিয়াদ বলছি যে কলকাতা তার টিউন অসাধারন এবারও তাই প্রমান হলো ।

    “বহু দেশে দেখিয়াছি বহু নদ-দলে,
    কিন্তু এ স্নেহের তৃষ্ণা মিটে কার জলে?”

    বা বা বা বা বাহ্ বাহ্ ।

Level 0

এক কথায় চমতকার।
কিন্তু ১৯ শতকের বাংলাভাষা কই?

    শুধু ১৯ শতকের নয় আরোও অনেক শতকের উদাহরণ দিই নি…
    করণ …তা কিছু শতকের উনাহরণ নেই….ঐতিহাসিক ভাবে তার উদাহরণ পাওয়া যায় না….
    ১৯ শতকের উদাহরণ দিই নি কারণ তা ২০শতকের মতন….পরপর উদাহরণ দিলে বাংলা ভাষার বিবর্তন বোঝা যাবেনা..
    আপানকে অসংখ্য ধন্যবাদ মন্তব্য করার জন্য….

কলকাতা says:
২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১১ at 10:32 অপরাহ্ন

পশ্চিমবঙ্গ সরকার..............................................................

আপনার আসল পরিচয় জেনে ভালো লাগছে…
আর বাংলা ভাষা সম্পর্কে আপনার এই Tune-টি Techtunes-এর জন্য একটি সম্পদ…
এতো ভালোভাবে ২১শে ফেব্রুয়ারির পটভূমি উপস্থাপন কৌশল, Tune-টিকে নির্বাচিত করার পক্ষেই সমর্থন দেয়…

    প্রথমে আমি আপনার কাছে মাফ চেয়ে নিচ্ছি…..
    আপনার মন্তব্যে… আমার পরিচয়টা আমি ডিলিট কে দিয়েছে…..
    আমি আপনাদের মাঝে একটা পরিচয়েই থাকতে চাই তা হলো ‘techtunes টিউনার’….
    আশা করি আমার মনের ভাবনাটা বুঝে আমাকে মাফ করে দেবেন…….
    মাথা গরম হয়ে যাওয়ায় আমি ভুল করে পরিচয় দিয়ে ফেলেছি…..
    আসা করি আপনি আমার সাথে থাকবে….ভুল বুঝবেন না….
    আন্তরিক ভালোবাসা নেবেন…..ধন্যবাদ

Level 0

খাঁটি বাংলা শব্দ গুলো তাহলে ভারতীয় কোন আর্য ভাষা থেকে এসেছে?
আপনি উপভাষার যে শ্রেণিবিভাগ করেছেন তাতে আমাদের চাঁটগা আঞ্চলের লোকেরা কোন উপভাষায় কথা বলেন?
আপনি লিখেছেন, —–
“তখন অখণ্ড ভারত প্রথম দুটি ভাগে বিভক্ত ভারত ও পাকিস্তান..মূলত ধর্মের দিক থেকে
পাকিস্তান দুটি অংশ…পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তান”
বাক্য টি দিয়ে প্রকৃত পক্ষে কী বোঝাতে চেয়েছেন?

    ১/’খাঁটি বাংলা শব্দ গুলো তাহলে ভারতীয় কোন আর্য ভাষা থেকে এসেছে?’
    আপনার প্রশ্নের মধ্যই আপনার উওর আছে….
    আপনি ‘খাঁটি’ শব্দটি উল্লেখ করেছে…তাই বলি প্রতিটি ভাষার কিছু নিজস্ব স্বাধীন বৈশিষ্ট আছে …
    খাঁটি শব্দ গুলি বংলা ভাষার নিজস্ব শব্দ….এগুলি কোথা থেকে আসে নি…
    কিন্তু জন্মদাতাকে অস্বীকার করি কি করে….

    ২/আমি পশ্চিমবঙ্গে থাকি… চাঁটগা অঞ্চলের ভৌগলিক অবস্থান আমি জনিনা…
    চাঁটগা অঞ্চলের উওর-দক্ষিণ-পূর্ব-পশ্চিম অঞ্চলের স্থান গুলির নাম জানালে ভালো হয়….
    পাঁচ টি উপভাষার যে উদাহরণ আছে তার মধ্যে পেয়ে যাবেন …

    ৩/এখানে মহম্মদ আলি জিহ্না ও জহরলাল নেহেরুর কথা বলাহয়েছে
    ৪/পূর্ব পাকিস্তান আর পশ্চিম পাকিস্তান এটা ঐতিহাসিক সত্য বাকিটা টউনে বলা আছে

    Level 0

    আপনি বললেন,
    “তাই বলি প্রতিটি ভাষার কিছু নিজস্ব স্বাধীন বৈশিষ্ট আছে …
    খাঁটি শব্দ গুলি বংলা ভাষার নিজস্ব শব্দ….এগুলি কোথা থেকে আসে নি…
    কিন্তু জন্মদাতাকে অস্বীকার করি কি করে….”
    সুতরাং স্বীকার করছেন যে বাংলা ভাষার কিছু নিজস্ব শব্দ ছিল এবং আছে। কিন্তু আপনার টিউনের শুরুটা লক্ষ্য করুন——
    “আমার জন্ম ভারতীয় আর্য ভাষা থেকে….”

    একটু পরস্পর বিরোধী হয়ে গেল না কি?

    আপনি বোধ হয় ……………………..
    ভাষা কাকে বলে জানেন না?
    শব্দ কাকে বলে জানেন না?
    (বাংলা ব্যকরণ বই পডে সেই জ্ঞান টা আগে নিন)…………তারপর সেই বিষয়ে মন্তব্য করবেন
    আমার টিউনটা বাংলা ভাষা নিয়ে…………….বাংলা শব্দ নিয়ে নয়………………………………..

আমি বাংলা ভাষার জন্য গর্ববোধ করি,
আমি বাংলাদেশের জন্য গর্ববোধ করি,
কিন্তু দুঃখ পাই যখন দেখি আমাদের দেশের সর্বোচ্চ আদালতে এখনো ইংরেজী চর্চা চলছে,এবং
ঘৃনাও করি তাদের যারা নিজেরা সর্বস্তরে বাংলার জন্য চেচামেচি করে সভা-সেমিনারে আর নিজেরাই ইংরেজী অন্য ভাষার চর্চা করে নিজ ঘরে অথবা নিজ অফিসে।
*অনেক অনেক ধন্যবাদ কলকাতা ভাইকে এই রকম একটি তথ্য বহুল টিউন উপস্থাপন করার জন্য।*

    “মোদের গরব, মোদের আশা, আ-মরি বাংলা ভাষা”

এরকম টিউন অাগে পাইনি
অসাধারণ ………………………………….খুব ভাল লাগল ।

ভাল লেগেছে।
আপনাকে ধন্যবাদ জানাই।

    আপনাকে আমার অভিন্দন জানাই

Level 0

“মোদের গরব
মোদের আশা
আমরি বাংলাভাষা”
অনেক ভালো লাগছে টিউনটা ।

    “বাংলা ভাষা উচ্চারিত হলে নিকানো উঠানে ঝরে
    রোদ, বারান্দায় লাগে জ্যোৎস্নার চন্দন”

ছিঃ ছিঃ ……তোদের লজ্জা করেনা….
ধিক তোদের………ধিক..
আমার প্রশ্ন .তোরা কি বাঙালী? তোরা কি বাংলা ভাষায় কথা বলিস…? বাংলাতে কি তোদের জন্ম…?
মনে হয় না….
ওরে তোরা সব ___ ___….

পুরা বাংলা বাশ 😛
জেব্ব্রা মিয়া কই ?

    “বাংলাভাষা উচ্চারিত হলে অন্ধ বাউলের একতারা বাজে
    উদার গৈ্রিক মাঠে, খোলা পথে, উত্তাল নদীর
    বাঁকে বাঁকে, নদীও নর্তকী হয়। যখন সকালে
    নতুন শিক্ষার্থী লেখে তার বাল্যশিক্ষার অক্ষর,
    কাননে কুসুমকলি ফোটে, পুকুরে কলস ভাসে।”

ভাই ! কবিতা বুঝিনা 🙁

আকাশ, বাতাস, রোদ, বৃষ্টি, ভাষা, সাহিত্য, গবেষণা-এদের কোন দেয়াল নেই। এরা বিশ্বের সম্পদ, সবাই এর ভাগীদার। মায়ের ভাষার মর্যাদা বুঝে তারাই- যারা দেশের বাইরে ভিন্ন সংস্কৃতির মাঝে বসবাস করে। সেজন্যেই তো মোবাইল কোম্পানীগুলো এত ব্যবসা করছে। শুধু মায়ের ভাষায় কথা বলার জন্য প্রবাসীরা অপ্রয়োজনে(!) কত টাকা খরচ করছে, তার হিসেবটা জানি না, কিন্তু অনুভব করতে পারি — “বিনা মায়ের ভাষা, মেটে কি মনের পিপাসা”। আমাদের নতুন প্রজন্মকে ভাষার এই মহান ঐতিহ্যকে আমাদেরই জানাতে হবে, এই আমাদের সকলের প্রধান দায়িত্ব। বিদেশি ভাষা অবশ্যই শিখতে হবে, তবে তা কখনই প্রাথমিক ভাষা যেন না হয়। ধন্যবাদ কলকাতা, আপনাকে অন্তর দিয়ে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

    “বাংলাভাষা উচ্চারিত হলে চোখে ভেসে ওঠে কত
    চেনা ছবি; মা আমার দোলনা দুলিয়ে কাটছেন
    ঘুমপাড়ানিয়া ছাড়া কোনসে সুদূরে; সত্তা তার
    আশাবরী। নানি বিষাদসিন্ধু স্পন্দে দুলে
    দুলে রমজানি সাঁঝে ভাজেন ডালের বড়া, আর
    একুশের প্রথম প্রভাতফেরি- অলৌকিক ভোর।”

    বাংলাভাষা উচ্চারিত হলে চোখে ভেসে ওঠে কত
    চেনা ছবি; মা আমার দোলনা দুলিয়ে কাটছেন
    ঘুমপাড়ানিয়া ছাড়া কোনসে সুদূরে; সত্তা তার
    আশাবরী। নানি বিষাদসিন্ধু স্পন্দে দুলে
    দুলে রমজানি সাঁঝে ভাজেন ডালের বড়া, আর
    একুশের প্রথম প্রভাতফেরি- অলৌকিক ভোর।

ভাই অসাধারন টিউন করেছেন, আপনার জন্য লাল গোলাপ শুভেচ্ছা।

    “কি যাদু বাংলা গানে, গান গেয়ে দাঁড় মাঝি টানে,
    গেয়ে গান নাচে বাউল, গান গেয়ে ধান কাটে চাষা”

ভাই খুব ভালো লাগলো টিউনটি পড়ে নিজেকে ধন্য মনে হচছে । বাংলা ভাষায় কথা বলতে পেরে আমি গরবিত

“এই বাংলার মাটিতে
(মাগো) জন্ম আমায় দিও।
এই আকাশ, নদী, পাহাড়
আমার বড় প্রিয়”

আমি অ—–নে———এ———–ক পরে। যদিও পড়েছিলাম ২১তারিখেই। টেকটিউনসের অন্যতম সেরা টিউন এটি। এটাকে নিচে “সবচেয়ে প্রিয় টিউন” লিষ্টে রেখে দেয়া দরকার। কারন নির্বাচিত তো সবসময় থাকবেনা।

    “কোথায় বলো এতো স্বপন
    হাওয়াতে ভাসে।
    কোথায় বলো এতো বকুল
    বসন্তে হাসে।
    শরৎ আকাশ কোথায় বলো
    এমন রমণীয়”

আপনাকে আমার অন্তরের অন্তস্থল থেকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

    “বার মাসে তের পাবণ
    বলো কোথায় আছে।
    মেঘের খটা দেখে এমন
    ময়ূর কোথায় নাচে।”
    …………………………………..শব্দানুপ্রাস…………….ধন্যবাদ

    Hat’s off = hard work always pays off………………………………………………………………………..welcome.

Level 0

আজ একটি অনবদ্য লেখা পড়লাম। এবং আপনার লেখার জন্যই আমি এখানে রেজিস্টার করলাম।
আপনাকে ধন্যবাদ।
আপনাকে বলে রাখি আজ নেট মাষ্টার নামে একজন আপনার লেখার ছবি চুরি করে নিজের লেখায় দিয়েছে।
আপনার ছবি থেকে আপনার নামও ডিলিট করে দিয়েছে।
ওই নেট মায্টার লেখায় অনেক ভুল আছে। আপনি বাংলা লিপি নিয়ে একটু বিস্তারিত লিখলে ভালো লাগতো।
ধন্যবাদ আপনাকে।
এখানে সেই লেখাটি https://www.techtunes.co/reports/tune-id/106801/

এতটা ভাল টিউন করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করবোনা।
আপনি আসম সালা