ADs by Techtunes ADs
ADs by Techtunes ADs

হার্ডওয়্যার সমগ্র :: হার্ডডিস্কের গল্প [পর্ব-০৪]

“অনেক অনেক বছর আগের কথা। একদেশে মাদারবোর্ড নামের এক জায়গায় বাস করত দুই বন্ধু – প্রসেসর আর র‍্যাম। তারা দুজনই খুব ভালো বন্ধু ছিল কারণ দুজনেই ভালো ক্লক স্পীড সম্পন্ন ছিল। একদিন তারা খুঁজতে খুঁজতে পেয়ে গেল হার্ডডিস্ক নামের এক বন্ধুকে। তারা তাকে তাদের বাসায় নিয়ে আসল এবং মাদারবোর্ড এর সাথে পরিচয় করিয়ে দিল। হার্ডডিস্ক তখন মাদারবোর্ড এর সাটা পোর্টে নিজেকে যুক্ত করে নিল। তখন প্রসেসর আর র‍্যাম দেখল যে বায়োস তাদের নতুন নির্দেশ দিচ্ছে। সবাই মিলে নিজ নিজ কাজ শুরু করতেই হার্ডডিস্ক থেকে কি যেন একটা লোড হওয়া শুরু হল। হার্ডডিস্ক বলল যে ওটা অপারেটিং সিস্টেম। সেটা সম্পূর্ণ লোড হওয়ার পর দেখা গেল সেটার ভেতরে মজার অনেক কিছু আছে – অনেক অ্যাপ্লিকেশান আছে যেগুলা দিয়ে হিসাব করা, লেখালেখি করা, ছবি আঁকানো ইত্যাদি মজার মজার কাজ করা যায়। সবাই হার্ডডিস্ককে পেয়ে অনেক খুশি হল এবং আনন্দে দিন কাটাতে লাগলো।”

প্রিয় পাঠক আপনারা নিশ্চয় বুঝতে পেরেছেন যে উপরের গল্পটা কোন রূপকথা নয়। মাদারবোর্ড, প্রসেসর আর র‍্যাম বা মেমরি – এদের পর গুরুত্বপূর্ণ যে ডিভাইস নিয়ে কম্পিউটার গড়ে ওঠে তার নাম হার্ডডিস্ক। সবাই জানেন যে এই জিনিসটা আপনার সকল তথ্য আর কাজের উপকরণ ধারণ করে রেখে কতটা উপকার করে। আজকে এই হার্ডডিস্ক নিয়েই লিখছি।

ADs by Techtunes ADs

হার্ডডিস্ক, হার্ডড্রাইভ, ডিস্ক ড্রাইভ – কোনটা কি?

তথ্য জমা রাখার জন্য ডিস্ক ব্যবহার করা হয়। এই ডিস্ককে কম্পিউটারের সাথে যা দিয়ে লাগানো হয় সেটাই ডিস্ক ড্রাইভ। তাহলে সিডি/ডিভিডি ড্রাইভ, ফ্লপি ড্রাইভ, জিপ ড্রাইভ – সবই ডিস্ক ড্রাইভ। এমনকি যে ড্রাইভ নিয়ে আজকের টিউন, সেটাও একধরণের ডিস্ক ড্রাইভ। তবে কাজের দিক দিয়ে ডিস্ক ড্রাইভ আলাদা আলাদা ধরণের। সিডি/ডিভিডি ড্রাইভ আলোকীয় পদ্ধতিতে কাজ করে বলে সেটাকে আমরা অপটিক্যাল ড্রাইভ বলি। আর ফ্লপি আর জিপ ড্রাইভ এর যুগ তো শেষ। তাই বিশাল ধারণক্ষমতা সম্পন্ন বাকি ডিস্ককে আমরা হার্ডডিস্ক বা হার্ডড্রাইভ বলি। এই ড্রাইভ শক্ত আবরণে ঢাকা থাকে বলে এমন নাম। মজার ব্যাপার হল হার্ডডিস্ক আর হার্ডড্রাইভ এক না। যেসব ড্রাইভ তথ্য রাখার জন্য ডিস্ক বা চাকতি ব্যবহার করে তাদের হার্ডডিস্ক বলে। আর যারা ফ্ল্যাশ বা অন্য উপায়ে তথ্য রাখে কিন্তু শক্ত আবরণে আবৃত তাদের হার্ড ড্রাইভ বলে। যেমন – SSD বা সলিড স্টেট ড্রাইভ একটি হার্ডড্রাইভ।

হার্ডডিস্কের অ-আ-ক-খ

হার্ডডিস্ক কী নিয়ে গঠিত? কেউ কখনো ভেবে দেখেছেন কি? এই ছোট্ট কিন্তু প্রচুর তথ্য রাখার ক্ষমতার এই ডিভাইস কিন্তু অনেক জটিল উপায়ে কাজ করে। আধুনিক সকল কম্পিউটার ডিজিটাল পদ্ধতিতে কাজ করে জানেন তো? হার্ডডিস্কের মূল কাজ কিন্তু অ্যানালগ পদ্ধতিতে সম্পন্ন হয়। অবাক লাগছে? বলছি শুনুন।

আমরা শক্ত চারকোণা যে হার্ডডিস্ক দেখি সেটা খুললে উপরের মত কিছু জিনিস দেখা যাবে। আপাতদৃষ্টিতে দেখে মনে হবে যে গোল কয়েকটা চাকতি, তার উপর একটা সুচালো কাঠি, আর ছোট্ট একটা সার্কিট বোর্ড। কিন্তু এদের কাজ করার ধরণ খুবই সূক্ষ্ম আর জটিল। আগে চলুন জেনে নেই কোনটার কি নাম।

সবার আগেই চোখে পড়বে চকচকে গোল প্লেটগুলো। অনেকটা সিডি বা ডিভিডি ডিস্কের মতই না? এদের বলা হয় প্লেটার (Platter)। এগুলোতে তথ্য রাখা যায়, মোছাও যায়। মাঝের গোল অংশটার নাম স্পিন্ডল (Spindle)। এটার উপরের প্লেটার বসানো থাকে এবং ঘুরে। এজন্য স্পিন্ডলের নিচে একটা মোটর থাকে যা প্লেটারকে ঘোরায়। প্লেটারের উপরে একটা হাতের মত দেখা যাচ্ছেনা? এইটার নাম অ্যাকচুয়েটর আর্ম (Actuator Arm)। এই আর্ম বা হাত প্লেটারের যেকোনো জায়গায় যেতে পারে এবং সেখানকার তথ্য পড়া ও লেখার কাজ করতে পারে। অ্যাকচুয়েটর আর্ম ডিস্কের কোণায় একটা জায়গাকে কেন্দ্র করে ঘুরে। সেই কেন্দ্রকে বলা হয় অ্যাকচুয়েটর শ্যাফট (Actuator Shaft)। এখানে আর্মকে নাড়ানোর জন্য ইলেকট্রিক ব্যবস্থা থাকে। অ্যাকচুয়েটরের মাথায় ছোট্ট একটা জিনিস বসানো থাকে যাকে বলে ডিস্ক হেড (Disk Head)। এটাই খুব গুরুত্বপূর্ণ অংশ যেটা ডিস্কে তথ্য রাখে ও পড়ে। ডিস্ক যখন বন্ধ থাকে তখন হেডগুলো একসাথে একটা ট্রে বা খাঁজে ঢুকে থাকে। এটাকে পার্কিং জোন (Parking Zone) বলে। অ্যাকচুয়েটর শ্যাফটের পাশেই একটা ছোট্ট সার্কিট বোর্ড দেখা যায়। এটা হল লজিক বোর্ড (Logic Board)। এটা অ্যাকচুয়েটরকে ঘোরায়, স্পিন্ডলের মোটরকে ঘোরায়, হেড থেকে পাওয়া তথ্য মাদারবোর্ডে পাঠায় এবং আগত তথ্য হেডের সাহায্যে ডিস্কে লিখে রাখে।

সকল অংশ খোলা হার্ডডিস্ক

এবার চলুন দেখি কোনটা কি কাজ করে।

  • প্লেটার: এটা হল তথ্য ধারণের প্রাণকেন্দ্র। প্লেটার আসলে একটা চাকতি। তবে সাধারণ সিডি বা ডিভিডি এর মত নয়। এতে বিভিন্ন পদার্থের কয়েকটি লেয়ার দেওয়া থাকে। এই প্লেটার সাধারণত অ্যালুমিনিয়ামের অ্যালয় দিয়ে বানানো হয়। বর্তমানে কিছু ক্ষেত্রে কাঁচ বা সিলিকন অ্যালয়ও ব্যবহার করা হচ্ছে। প্লেটারের উপর ক্রোমিয়ামের প্রলেপ দেওয়া হয়। ফলে স্তরটিকে চুম্বকায়িত করা যায়। চুম্বকায়িত করার পর তা বাইরের ক্ষেত্র দ্বারা যেন প্রভাবিত না হয় সেজন্য এর উপর কোবাল্টের ম্যাগনেটিক প্রলেপের সাথে কার্বনের কোটিং করা হয় যা প্লেটারকে আরও সুরক্ষিত করে।

ADs by Techtunes ADs
  • স্পিন্ডল: প্লেটারগুলো স্পিন্ডলের উপর বসানো থাকে। স্পিন্ডল নির্দিষ্ট গতিতে ঘোরে। ফলে প্লেটারগুলোও ঘুরতে থাকে। বিভিন্ন হার্ডডিস্কের স্পিন্ডলের ঘোরার হার বিভিন্ন হয়। একে RPM বা রোটেশান পার মিনিট দিয়ে প্রকাশ করা হয়। স্পিন্ডল বা প্লেটার মিনিটে ৭২০০ বার ঘুরলে সেটাকে 7200 rpm এর হার্ডডিস্ক বলা হয়।

স্পিন্ডল

  • অ্যাকচুয়েটর আর্ম: প্লেটার থেকে তথ্য পড়ার জন্য অ্যাকচুয়েটর আর্মের মাথায় হেড লাগানো থাকে। এই আর্ম প্লেটারের বিভিন্ন অবস্থানে যেতে পারে। একে যতটা সম্ভব হালকা করার জন্য এই আর্ম ফাঁপা হয় এবং মাঝে ত্রিভুজের মত ফাকা থাকে। অ্যাকচুয়েটর আর্ম সেকেন্ডে ৫০ বারের বেশী প্লেটারের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে যাওয়া আসা করে।

অ্যাকচুয়েটর আর্ম

  • অ্যাকচুয়েটর শ্যাফট: স্পিন্ডল যেমন প্লেটারকে ঘোরায়, তেমনি অ্যাকচুয়েটর আর্মকে ঘোরানোর জন্য অ্যাকচুয়েটর শ্যাফট থাকে। তবে এতে কোন মোটর থাকেনা। এতে দুইটা বিপরীত ক্ষমতার চৌম্বক কয়েল থাকে যেটা অ্যাকচুয়েটর আর্মকে ডানে বামে নাড়াতে পারে। অ্যাকচুয়েটর শ্যাফটকে লজিক বোর্ড কন্ট্রোল করে।
  • ডিস্ক হেড: এটা খুবই সূক্ষ্ম অংশ। এটা আর্মের মাথায় বসানো থাকে এবং প্লেটারের খুব কাছ দিয়ে যায়। এতে চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি করার ব্যবস্থা থাকে। আবার চৌম্বক ক্ষেত্রের পরিমাণ নিরূপণ করার ব্যবস্থাও থাকে। ডিস্ক হেড প্লেটার থেকে তথ্য লজিক বোর্ডে পাঠায় এবং দরকারমত তথ্য প্লেটারে লিখে রাখে। ডিস্ক স্ট্যান্ডবাই থাকা অবস্থায় হেড পার্কিং জোনে ঢুকে যায়। হার্ডডিস্কে প্লেটারের দ্বিগুণ সংখ্যক হেড থাকে।

হার্ডডিস্ক হেড

  • লজিক বোর্ড: এটাকে ডিস্ক কন্ট্রোলার বলা যেতে পারে। এখানে অ্যাকচুয়েটর শ্যাফট, স্পিন্ডল, হেড ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা থাকে। এটা হেড থেকে তথ্য কম্পিউটারে পাঠায় ও কম্পিউটার থেকে তথ্য প্লেটারে রাইট করার জন্য হেডে পাঠায়।

লজিক বোর্ড

ট্র্যাক, সেক্টর, ক্লাস্টার, ব্লক, হেড, সিলিন্ডার – কোনটা কী?

হার্ডডিস্কের প্লেটার গোলাকার। এর সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে ডিস্ককে অসংখ্য ক্ষুদ্রতম অংশে ভাগ করা হয়। গোলাকার প্লেটারকে বক্রাকারে লাইনে বিভক্ত করলে প্রতি গোলাকার লাইনকে বলে ট্র্যাক(Track)। আর প্রতিটা ট্র্যাককে অনেকগুলো সমান অংশে ভাগ করা হয় যেটার নাম সেক্টর(Sector)। প্রতিটা সেক্টরের তথ্য ধারণের নির্দিষ্ট ক্ষমতা রয়েছে। বর্তমানে প্রতি সেক্টর ৫১২ বাইট তথ্য ধারণ করে।

কয়েকটি সেক্টর মিলে ক্লাস্টার (Cluster) তৈরি করে। ক্লাস্টার হল কোন অপারেটিং সিস্টেম হার্ডডিস্ককে যে ফাইল সিস্টেম হিসেবে ব্যবহার করে তার ক্ষুদ্রতম একক। মাইক্রোসফট উইন্ডোজে ক্লাস্টার শব্দটি বহুলভাবে ব্যবহার করা হয়। ইউনিক্সে এটা ব্লক (Block) নামে পরিচিত।

আবার তথ্য ধারণের ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য একই প্লেটারের দুইদিকে ট্র্যাক আর সেক্টর বানানো হয়। প্রতি পাশের লেয়ারকে বলে হেড (Head)। একাধিক অ্যাকচুয়েটর থাকলে সেগুলা পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকে। অর্থাৎ কোন অ্যাকচুয়েটর স্বাধীনভাবে ঘুরতে পারেনা। ফলে কোন প্লেটারের ট্র্যাক এবং আরেকটি প্লেটারের ট্র্যাক একই সাথে রিড করা সম্ভব হয়না। তাই একই ট্র্যাক বিশিষ্ট সকল প্লেটারকে সিলিন্ডার বলে। অর্থাৎ ১ম প্লেটারের ১০ম ট্র্যাক, ২য় প্লেটারের ১০ম ট্র্যাক – এভাবে সিলিন্ডার ধরা হয়। সিলিন্ডার কিন্তু একটি লজিকাল ধারণা, ফিজিকাল নয়। কোন সেক্টর অ্যাড্রেস করার সময় CHS বা “সিলিন্ডার হেড সেক্টর” এভাবে অ্যাড্রেস করা হয়।

ট্র্যাক সেক্টর আর ক্লাস্টার

তাহলে কোন হার্ডডিস্কের ধারণক্ষমতা হল = [ ট্র্যাক সংখ্যা x সেক্টর সংখ্যা x সেক্টরের সাইজ (৫১২ বাইট) ] x প্লেটারের সংখ্যা x হেড সংখ্যা

এবার জানা দরকার কিভাবে হার্ডডিস্ক কাজ করে। প্রথমেই বলি হেড কিভাবে ডাটা রিড রাইট করে।

ADs by Techtunes ADs

হার্ডডিস্ক হেড যেভাবে কাজ করে

আমরা সবাই জানি যে হার্ডডিস্কে তথ্য লেখার পাশাপাশি ইচ্ছামত মোছাও যায়। হার্ডওয়্যার সিরিজের প্রথম টিউনে বলেছিলাম যে মেমরি দুই ধরণের – ভোলাটাইল মেমরি আর নন-ভোলাটাইল মেমরি। হার্ডডিস্ক হল নন-ভোলাটাইল যা বিদ্যুৎ প্রবাহ না থাকলেও স্থায়ীভাবে তথ্য জমা করে রাখতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক কিভাবে তা সম্ভব হয় –

হার্ডডিস্কের কার্যপদ্ধতিকে অ্যানালগ বলেছিলাম, কারণ এটা ম্যাগনেটিক পদ্ধতিতে তথ্য জমা করে। অন্য ইলেক্ট্রনিক যন্ত্র যেমন র‍্যাম বা বায়োস ডিজিটাল পদ্ধতিতে কাজ করে কারণ তারা সার্কিটের মাধ্যমে ১ আর ০ জমা করতে পারে। হার্ডডিস্ক এদিক দিয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন।

কারো কারো মনে এই প্রশ্ন জাগতে পারে যে শুধু ১ আর ০ নিয়ে বলছি কেন। উত্তর হল – ১ আর ০ বা ‘হ্যা’ আর ‘না’ অথবা ‘True’ আর ‘False’ যেটাই বলিনা কেন ইলেক্ট্রনিক্স যন্ত্রে এই দুইটা হল ক্ষুদ্রতম সিগনাল। একে কাজে লাগিয়ে বড়বড় সিগনাল বা সংকেত বানানো সম্ভব। যাইহোক, হার্ডডিস্ক যা করে তা হল প্লেটারে ১ আর ০ রাখে অথবা পড়ে।

উপরে বলেছি যে ডিস্ক হেডে চৌম্বকক্ষেত্রের মান পড়া ও চৌম্বকক্ষেত্র তৈরি করার ব্যবস্থা থাকে। ফ্যারাডের সূত্র অনুযায়ী কোন চৌম্বকক্ষেত্রে কয়েল আসা যাওয়া করলে কয়েলে ভোল্টেজ তৈরি হয়। আর কয়েলে ভোল্টেজ থাকলে সেখানে চৌম্বকক্ষেত্র তৈরি হয়। চৌম্বকক্ষেত্রের বলরেখার নির্দিষ্ট দিক থাকে যাকে North-to-South বা South-to-North এভাবে ধরা হয়।

চুম্বক বলরেখা

প্লেটারের উপর দিয়ে হেড যাওয়ার সময় প্লেটারের চৌম্বকক্ষেত্রের দিক বা ফ্লাক্স (Flux) মাপে। ধরা যাক N-S পেলে সেটাকে ০ হিসেবে রিড করে, আর তার উলটা S-N পেলে রিড করে ১। এভাবে একের পর এক ০ আর ১ সাজিয়ে ভোল্টেজের প্রবাহ তৈরি করে বিশাল বিশাল তথ্যের পাহাড় গড়ে তোলে।

হেড যেভাবে প্লেটার থেকে ডাটা রিড রাইট করে

যেমন এই ছবিতে হেড প্লেটারের উপর দিয়ে যাওয়ার সময় প্রথমে N-S দিকে চৌম্বকক্ষেত্র পেলে সেটাকে ০ রিড করে। পরে আবারো N-S পেলে ০ রিড করে। পরের বার S-N পেলে সিগনালকে উলটা দিকে বদলে ১ রিড করে। পরপর N-S N-S N-S N-S পেলে কিন্তু ০ ০ ০ ০ ই রিড করবে। অর্থাৎ ফ্লাক্সের দিক বদলালেই সেটা ১, আর অপরিবর্তিত থাকলে সেটা ০। এভাবে ১ আর ০ রিড করতে থাকে এবং সিগনাল লজিক বোর্ডে পাঠায়। লজিক বোর্ড সেটাকে অবিচ্ছিন্ন সিগনাল হিসেবে প্রসেসর বা চিপসেটে সরবরাহ করে। সেকেন্ডে এই পদ্ধতি হাজার হাজার বার চলতে থাকে।

রাইট করার সময় হেডে চৌম্বকক্ষেত্র (Flux) তৈরি হয়। হেড যে সেক্টরের কাছে যায়, চৌম্বকক্ষেত্রের দিক অনুযায়ী প্লেটারের ওই অংশ চুম্বকায়িত হয়। এভাবে প্লেটারের ওই জায়গায় ম্যাগনেট ফিল্ড তৈরি হয়ে থাকে। ফলে হেড রিড করার সময় সেখানে উপরের মতই তথ্য পড়তে পারে।

হার্ডডিস্ক নিয়ে আরো কিছু বিষয় আছে যেগুলো জানা দরকার। এগুলো হল -

ADs by Techtunes ADs

হার্ডডিস্ক হেডের গঠন

ম্যাগনেট ফিল্ড তৈরি ও মাপার জন্য হেড ব্যবহার করা হয়। প্রথম যখন হার্ডডিস্ক তৈরি হয় তখন ফেরাইট কোর বা লোহার তারের কয়েল ব্যবহার করা হত। এই ধরণের হেডের নাম ছিল FH. এর পরে মেটালিক অ্যালয় ব্যবহার করা হত যে হেডে তার নাম MIG. এই হেড আরো বেশি ভালোমত প্লেটার থেকে তথ্য পড়তে পারত। এর পরে থিন ফিল্ম বা TF নামের হেড বানানো হয় যা খুবই ছোট আর হালকা ছিল। ফলে কাজের দক্ষতা বেশি ছিল। TF দেখতে এরকম-

থিন ফিল্ম হেড

বর্তমানে Anisotropic MagnetoResistive বা AMR/MR ধরণের হেড ব্যবহার করা হচ্ছে যার হেড থাকে খুব ছোট কিন্তু প্লেটারের সাথে ক্র্যাশ এড়াতে বিশেষ টেকনোলজির সাহায্য নেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞানীরা CMR বা Colossal MagnetoResistive হেড নিয়ে কাজ করছেন যা হয়ত আরো উন্নত আর সাশ্রয়ী হবে। MagnetoResistive হেড দেখতে এরকম –

এএমআর হেড

ফ্লাইং হাইট

হেড প্লেটারের খুব নিকট দিয়ে যায় এবং ডাটা রিড রাইট করে। একই প্লেটারে অনেক বেশি ডাটা রাখার জন্য সেক্টর আর ট্র্যাকের সংখ্যা বাড়ানো হয়। এতে হেডকে আরো সূক্ষ্ম হতে হয় এবং প্লেটারের আরো কাছে দিয়ে যেতে হয়। কিন্তু বেশি কাছ দিয়ে গেলে হেড আর প্লেটারের সংঘর্ষ ঘটতে পারে। তাই ন্যুনতম যে দূরত্ব বজায় রেখে হেড প্লেটারের উপর দিয়ে যায় সেটাকে বলে ফ্লাইং হাইট (Flying Height)। আধুনিক ডিস্কে এই উচ্চতা ১০ ন্যানোমিটারের কাছাকাছি।

এয়ার বেয়ারিং

আগেই বললাম যে হেড প্লেটারের খুব নিকট দিয়ে যায়। প্লেটারে সেক্টর আর ট্র্যাক আরো ঘনসন্নিবেশিত হওয়ায় হেডকে প্লেটারের অনেক কাছ দিয়ে যেতে হয়। এমন অবস্থায় হেড যেন প্লেটারের সাথে না ধাক্কা খায় সেজন্য চমৎকার একটি পদ্ধতির সাহায্য নেওয়া হয়। একে বলে এয়ার বেয়ারিং। এই পদ্ধতিতে হেডকে এমনভাবে স্লাইডারের পেছনে বসানো হয় যেন স্লাইডার এর প্লেটারের মাঝে বায়ু চলাচল করতে পারে। স্লাইডার প্লেটারের সাথে আনুভূমিকের চেয়ে একটু বাঁকা করে বসানো হয় যেন সামনের বাতাস নিচ দিয়ে যেতে পারে। অর্থাৎ বাতাসই হেডকে প্লেটার থেকে নির্দিষ্ট দূরত্বে রাখে। এটাই হল এয়ার বেয়ারিং। এয়ার বেয়ারিং হিসেবে বাতাস ঘণ্টায় ৮০ মাইল বেগে স্লাইডার আর প্লেটারের মাঝ দিয়ে চলাচল করে। তবে এখন ফ্লুইড বেয়ারিং নিয়ে গবেষণা চলছে যেখানে তরল মাধ্যমে প্লেটার রাখা হবে।

এয়ার বেয়ারিং

হার্ডডিস্ক বায়োস

হার্ডডিস্ক একটি স্বাধীন ডিভাইস হিসেবে কাজ করে এবং এটি নন-ভোলাটাইল মেমরি। কাজেই বিদ্যুৎ না থাকলেও এর কার্যপদ্ধতি অপরিবর্তনশীল রাখার জন্য বায়োস চিপে কিছু তথ্য জমা থাকে। এগুলোতে স্পিন্ডলের গতি, অ্যাকচুয়েটরের কম্পন, ম্যাগনেট ফিল্ডের শক্তি ইত্যাদি বিভিন্ন মৌলিক তথ্য দেওয়া থাকে। এটাই হার্ডডিস্কের বায়োস। সাটা বা পাটা ধরণের ডিস্কে নিজস্ব বায়োস থাকে এবং এদের মাদারবোর্ডের বায়োস বা কোন কন্ট্রোলারের উপর নির্ভর করতে হয়না।

ফাইল সিস্টেম, পার্টিশনিং ও ফরম্যাট

হার্ডডিস্কে তথ্য রাখতে হলে তাকে অবশ্যই নির্দিষ্ট ফাইল সিস্টেমের আওতায় আনতে হয় নাতো অপারেটিং সিস্টেম সেখান থেকে তথ্য পড়তে পারবেনা। ফাইল রাখার পদ্ধতি হল ফাইল সিস্টেম। বিভিন্ন ধরণের ফাইল সিস্টেম রয়েছে যাদের আলাদা আলাদা বৈশিষ্ট্য রয়েছে। যেমন FAT16 সর্বোচ্চ ১৬ বিট আকারে সেক্টর অ্যাড্রেস করতে পারে। আবার NTFS ৬৪ বিট আকারে অ্যাড্রেস করতে পারে বলে এটা ২৬৪=১৬ এক্সবিবাইট পর্যন্ত তথ্য ধারণ করতে সক্ষম।

বিভিন্ন ধরণের ফাইল সিস্টেম রয়েছে। যেমন – NTFS, FAT, FAT16, FAT32, exFAT, ext3, ext4, vFAT, HPFS ইত্যাদি। ফাইল সিস্টেম এর ফাইল রাখার একটি নির্দিষ্ট ক্ষমতা রয়েছে। যেমন NTFS এ সর্বোচ্চ ১৬ এক্সবিবাইট এর ফাইল রাখা যায়। FAT সেখানে ৪ গিগাবাইটের বেশী ফাইল রাখতে পারেনা। একটা অপারেটিং সিস্টেম এক বা একাধিক ফাইল সিস্টেম পড়তে পারে। যেমন উইন্ডোজ নিজেই FAT, FAT32, NTFS, exFAT ইত্যাদি পড়তে পাড়ে। আবার লিনাক্স এগুলোর পাশাপাশি ext3, ext4, HPFS, vFAT ইত্যাদিও পড়তে পারে।

ADs by Techtunes ADs

ফাইল রাখার সীমা ও কাজের সুবিধার জন্য পার্টিশন করা হয়। পার্টিশন প্লেটারের সেক্টরকে নির্দিষ্ট এলাকার আওতায় নিয়ে আসে। পার্টিশন আবার দুই ধরণের – প্রাইমারি আর এক্সটেনডেড। প্রাইমারি পার্টিশন হল সেইসকল পার্টিশন যাতে অপারেটিং সিস্টেম থাকে। একটা ডিস্কে সর্বোচ্চ ৪ টা প্রাইমারী পার্টিশন থাকা সম্ভব। এক্সটেনডেড পার্টিশন হল অনেকগুলো লজিকাল পার্টিশন নিতে পারে এমন একটি পার্টিশন। এটা আসলে সেক্টর আর ট্র্যাকের তথ্য পরিবর্তন না করেই এক পার্টিশন থেকে অপারেটিং সিস্টেম কে অনেকগুলো পার্টিশন দেখাতে পারে। আলাদা আলাদা পার্টিশন এর ফাইল সিস্টেম আলাদা আলাদা হতে পারে।

ফরম্যাট মানে আমরা বুঝি কোন পার্টিশন বা সমস্ত হার্ডডিস্কের তথ্য মুছে ফেলা। ফরম্যাট দুই ধরণের।

  • লো-লেভেল ফরম্যাট
  • হাই-লেভেল ফরম্যাট

লো-লেভেল ফরম্যাট: এই পদ্ধতিতে হার্ডডিস্কের সকল প্লেটারের ট্র্যাক আর সেক্টর মুছে ফেলা হয়। ফলে তথ্য ফিরে পাওয়ার কোন সম্ভাবনা থাকেনা। ফরম্যাট করার পর নতুন করে ট্র্যাক আর সেক্টর বানানো হয়।

হাই-লেভেল ফরম্যাট: হাই লেভেল ফরম্যাট হল কোন নির্দিষ্ট পার্টিশন বা সমস্ত হার্ডডিস্কের সেক্টর আর ট্র্যাকের তথ্য মুছে ফেলা। এতে নতুন করে সেক্টর আর ট্র্যাক বানানো হয়না।

মাস্টার ফাইল টেবিল

অপারেটিং সিস্টেম যখন ডিস্কে কোন ফাইল চেয়ে পাঠায় তখন হার্ডডিস্ক কীভাবে সেই ফাইলটা প্লেটারের এতগুলা সেক্টর আর ট্র্যাক থেকে খুঁজে এনে দেয়? হার্ডডিস্ককে এই তথ্য দেয় এমএফটি(MFT) বা মাস্টার ফাইল টেবিল। আমরা ডিস্ককে যেসকল পার্টিশনে ভাগ করি, তার কিছু অংশ ব্যয় হয় এই এমএফটি’র জন্য। এমএফটি-তে ওই পার্টিশনের সকল সেক্টর আর ট্র্যাকের তথ্য থাকে। ফলে কোথায় কোন ফাইল আছে তা এমএফটি-তে খুঁজলেই পাওয়া যায়। অপারেটিং সিস্টেম হার্ডডিস্ককে ফাইল চেয়ে পাঠালে সেটা এমএফটি-তে খোঁজা হয়। তারপর সেক্টর আর ট্র্যাক জেনে হেডের সাহায্যে সেটা মাদারবোর্ডে পাঠানো হয়। এমএফটি’র কারণেই আমরা ডিস্কের ধারণক্ষমতার সম্পূর্ণটা পাইনা। কয়েক গিগাবাইট কম পাই।

এমবিআর

এমবিআর মানে মাস্টার বুট রেকর্ড। হার্ডডিস্কের কোন পার্টিশনের কোথায় বুট সেক্টর আছে সেটা দেখানোর জন্যে হার্ডডিস্কের একেবারে প্রথম ট্র্যাকের প্রথম সেক্টরে (প্রায় ৫১২ বাইট) কিছু তথ্য থাকে। এটাই এমবিআর।

ফাইল ডিলিট

আমরা যখন কোন ফাইল মুছে ফেলি, তখন কিন্তু সেটা ট্র্যাক আর সেক্টর থেকে মুছে যায়না। শুধু এমএফটি থেকে সেই ফাইলের অবস্থান মুছে ফেলা হয়। স্থায়ীভাবে মুছতে হলে ফাইলকে শ্রেড করতে হয়। এটা একটা সফটওয়্যার যা ফাইল এমএফটি থেকে মোছার পরেও সেই ফাইলের সেক্টরে ০ (শূন্য) রাইট করে।

ফাইল ফ্র্যাগমেন্ট

অপারেটিং সিস্টেম ফাইল কে একাধিক ক্লাস্টারে ভাগ করে রাখে। যেমন ৪ কিলোবাইট আকারের ক্লাস্টার যুক্ত NTFS ফাইল সিস্টেম এ একটা ১২ কিলোবাইট আকারের ফাইল রাখতে ৩ টা ক্লাস্টার দরকার। আবার ২১ কিলোবাইট আকারের ফাইল রাখতে হলে ৬ টা ক্লাস্টার দরকার। এখানে ৫x৪ = ২০ কিলোবাইট, বাকি ১ কিলোবাইট ১ টা ক্লাস্টার জুড়ে থাকে। ক্লাস্টারের এই ফাকা জায়গা অন্য ফাইল রাখার কাজে ব্যবহার করা যায়না। অর্থাৎ ফাইল কে টুকরা টুকরা করে পূর্ণ সংখ্যক ক্লাস্টারে রাখা হয়। নিচে ৪ কিলোবাইটের ৮টি ক্লাস্টারে একটি ৩০ কিলোবাইট আকারের ফাইল কিভাবে রাখা হয়েছে তা দেখানো হয়েছে।

ক্লাস্টারে ফাইল

ক্লাস্টারের কারণেই আমরা যখন কোন ফাইল এর প্রোপারটিজ দেখি, তখন Size আর Size on disk নামের দুইটা তথ্য দেখি। ক্লাস্টারের অবিভাজ্যতার কারণে Size on disk এর মান একটু বেশী হয় এবং তা ক্লাস্টারের পূর্ণ গুণিতক হয়।

ADs by Techtunes ADs

আচ্ছা ধরা যাক পর পর ১০ টা ক্লাস্টার আছে। প্রতিটার ধারণ ক্ষমতা ৪ কিলোবাইট। এখন ৬ কিলোবাইটের একটা ফাইল রাখলে তা ১ আর ২ নাম্বার ক্লাস্টারে থাকবে। এর পর যদি ১৫ কিলোবাইট আর ১১ কিলোবাইটের দুইটা ফাইল রাখি তাহলে তা ৩,৪,৫,৬ এবং পরের টা ৭,৮,৯ নাম্বার ক্লাস্টার জুড়ে থাকবে।

ফ্র্যাগমেন্ট ১

এখন আমরা ১৫ কিলোবাইটের ফাইলকে মুছে ফেললাম। তাহলে ৩,৪,৫,৬ ক্লাস্টার ফাকা হয়ে গেল।

ফ্র্যাগমেন্ট ২

এবার যদি কোন ১৭ কিলোবাইটের ফাইল রাখতে চাই তাহলে তার জন্য ৫ টা ক্লাস্টার দরকার হবে। পরপর ৫ টা ক্লাস্টার কিন্তু নেই। আবার ৭,৮,৯ কে একঘর ঠেলে দেওয়া যাবেনা। তখন হার্ডডিস্ক করবে কি? সে ৩,৪,৫,৬ এ মোট ১৬ কিলোবাইট রেখে বাকি ১ কিলোবাইট ১০ নাম্বার ক্লাস্টারে রাখবে।

ফ্র্যাগমেন্ট ৩

এইযে ফাইল ভাগ হয়ে গেল, এটাই হল ফ্র্যাগমেন্ট।

আমরা যখন ডিফ্র্যাগমেন্ট করি তখন এই ক্লাস্টারগুলা সামনের দিকে সরে আসে এবং টুকরা টুকরা ফাইল জোড়া লেগে যায়। এই কারণে ডিফ্র্যাগ করলে পিসির কাজ দ্রুত হয়।

হার্ডডিস্ক ক্যাশ মেমরি

হার্ডডিস্কের কাজ দ্রুততর করার জন্য ক্যাশ বা বাফারের সাহায্য নেওয়া হয়। ডিস্কের একটা সার্কিট সম্প্রতি কাজ করা সেক্টরের অ্যাড্রেস রেকর্ড করে রাখে। এই ক্যাশ মেমরির কারণে ফাইল চাওয়া মাত্র অপারেটিং সিস্টেম পেয়ে যায়।

ফর্ম ফ্যাক্টর

অন্যান্য কম্পিউটার ডিভাইস এর মত হার্ডডিস্কও নির্দিষ্ট সাইজের হয় যা ফর্ম ফ্যাক্টর নামে পরিচিত। এই ফ্যাক্টর মূলত: প্লেটারের ব্যাস অনুযায়ী মাপা হয়। আগের দিনের হার্ডডিস্কে ৮ ইঞ্চি আকারের প্লেটার ব্যবহৃত হত। এখন এটা এক ইঞ্চির নিচে নেমে এসেছে। প্রধান ফর্ম ফ্যাক্টরগুলো হল –

ADs by Techtunes ADs

৩.৫ ইঞ্চি – ৫.৭৫ ইঞ্চি দৈর্ঘ্য, ৪ ইঞ্চি প্রস্থ আর ১ ইঞ্চি উচ্চতার এই ফ্যাক্টর সকল ডেক্সটপ আর সার্ভারে ব্যবহৃত হয়।

৩.৫ ইঞ্চি ফর্ম ফ্যাক্টর

২.৫ ইঞ্চি - ২.৭৫ ইঞ্চি দৈর্ঘ্য, ৩.৯৪৫ ইঞ্চি প্রস্থ আর ০.৩-০.৬ ইঞ্চি উচ্চতার এই ফ্যাক্টর ল্যাপটপ বা ছোট আকারের কম্পিউটারে ব্যবহার করা হয়।

২.৫ ইঞ্চি ফর্ম ফ্যাক্টর

১.৮ ইঞ্চি – এটা ৪.৩ সেমি দৈর্ঘ্য, ৩.৬ সেমি প্রস্থ আর ০.৫ সেমি উচ্চতার ছোট্ট ডিস্ক যা পিসি কার্ডে ব্যবহার করা হত।

১.৮ ইঞ্চি ফর্ম ফ্যাক্টর

হার্ডডিস্ক ল্যাটেনসি

হার্ডডিস্ক হেড অনবরত প্লেটারের বিভিন্ন জায়গায় তথ্য সংগ্রহে ব্যস্ত থাকে। তাই কোন সেক্টর অ্যাড্রেস করার সাথে সাথেই সেখানে হেড পৌছাতে সময় লাগতে পারে। এই অল্প সময়কে বলা হয় ল্যাটেনসি। প্লেটার যত বেশি ঘুরে, ল্যাটেনসি তত কম হয়। যেমন – ৫৪০০ আরপিএম এর হার্ডডিস্কে ল্যাটেনসি ৫.৫৬ মিলিসেকেন্ড, ৭২০০ আরপিএম এর হার্ডডিস্কে ল্যাটেনসি ৪.১৭ মিলিসেকেন্ড, ১০০০০ আরপিএম এর হার্ডডিস্কে ল্যাটেনসি ৩ মিলিসেকেন্ড, আর ১৫০০০ এর ক্ষেত্রে তা মাত্র ২ মিলিসেকেন্ড।

হার্ডডিস্ক ইন্টারফেস

হার্ডডিস্ক মাদারবোর্ড এর সাথে সংযোগ দেওয়ার জন্য কিছু ইন্টারফেস ব্যবহার করা হয়। আগে SASI, SCSi, ST, ESDI ইত্যাদি বিভিন্ন ইন্টারফেস ছিল। আধুনিক ইন্টারফেস হল PATA আর SATA। দুইটাই ATA বা অ্যাডভান্সড টেকনোলজি অ্যাটাচমেন্ট ধরণের। ATA হল সর্বাপেক্ষা ভালো ও কার্যকর উপায় যার মাধ্যমে কন্ট্রোলার কার্ড বা কোন ডিভাইস ছাড়াই ডিস্ক মাদারবোর্ডে লাগানো যায়। PATA মানে প্যারালাল এটিএ, আর SATA মানে সিরিয়াল এটিএ। পাটা ইন্টারফেস এর নতুন ভার্সনে সর্বোচ্চ ১৩৩ মেগাবিট/সেকেন্ড হারে তথ্য আদান প্রদান করা যায়। পাটা টেকনোলজি  কিছুটা ধীরগতির। তাই সাটা বহুল ব্যবহৃত ইন্টারফেস। এর তিনটি ভার্সন আছে। সাটা ১.০, ২.০ আর ৩.০। এদের সাহায্যে সেকেন্ডে ১.৫ গিগাবিট, ৩.০ গিগাবিট আর ৬.০ গিগাবিট হারে তথ্য পাঠানো যায়। eSATA নামে একটি নতুন ইন্টারফেস আছে যেটা ইউজার ফ্রেনডলি। এটা কেসিং এর বাইরে একটি সাটা পোর্ট লাগানোর সুবিধা দেয়। ফলে বাইরে থেকে সাটার সুবিধা পাওয়া যায়।

সাটা ইন্টারফেস

পোর্টেবল হার্ডডিস্ক এর ক্ষেত্রে ইউএসবি ব্যবহার করা হয়। এতে তথ্য প্রবাহের হার কিছুটা কম থাকে। অনেকক্ষেত্রে eSATA ও ব্যবহার করা হয় যা আরো দ্রুতগামী।

ADs by Techtunes ADs

এক্সটার্নাল সাটা

হার্ডডিস্কের সমস্যা

হার্ডডিস্ক অন্য কম্পিউটার ডিভাইসের চেয়ে অনেক বেশী ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ এতে রক্ষিত তথ্য যেকোন মুহূর্তেই মুছে যেতে পারে। যেকোন সময় কোন ধূলিকণা বা অ্যাকচুয়েটরের সমস্যার কারণে বা প্লেটারের সাথে হেডের সংঘর্ষের ফলে ডিস্ক নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাছাড়া ভুলের কারণে অথবা পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ প্রবাহ না থাকায় প্লেটারে ডাটা রিড রাইটে সমস্যা দেখা দিতে পারে। ফলে সেখানে ব্যাড সেক্টর দেখা দেয়। হার্ডডিস্কে দুই ধরণের সমস্যা হয় – লজিকাল আর ফিজিকাল। লজিকাল সমস্যা হল ব্যাড সেক্টর পড়ে যাওয়া। ডিস্কে অতিরিক্ত ডাটা রাখলে বা ডিস্কের বেশি জায়গা অব্যবহৃত থাকলে সেখানকার সেক্টরে সমস্যা হতে পারে। এটা লজিকাল সমস্যা, অর্থাৎ সফটওয়্যার বা বায়োসের সাহায্যে ঠিক করা যায়। ফিজিকাল সমস্যা হল হেড বেঁকে যাওয়া, প্লেটারের ট্র্যাক নষ্ট হয়ে যাওয়া, অ্যাকচুয়েটরে সমস্যা ইত্যাদি। এই এরর সফটওয়্যার দিয়ে ঠিক করা যায়না। তখন সেটা রিপেয়ার করাতে হয়। এক্ষেত্রে প্লেটার বদলে অথবা লজিক বোর্ড চেঞ্জ করে তথ্য উদ্ধার করা যায়। তাই তথ্যের ব্যাকআপ রাখা ভালো অভ্যাস।

রেইড

রেইড হল একাধিক হার্ডডিস্ক ব্যবহার করে তথ্য হারিয়ে যাওয়া রোধ এবং বেশি পারফরমেন্স পাওয়ার একটি পদ্ধতি। একে বলা হয় Redundant Array of Independent Disks বা প্রয়োজনের অতিরিক্ত একাধিক স্বাধীন হার্ডডিস্কের সমাহার। বিভিন্ন ধরণের রেইডের বিভিন্ন ব্যবহার আছে। যেমন রেইড-১ এ দুইটা বা ততোধিক একই ধারণক্ষমতার ডিস্ক ব্যবহার করা হয়। সিস্টেম সেটাকে একটা ডিস্ক হিসেবে মাউন্ট করে। যেকোন তথ্য একইসাথে দুইটা ডিস্কেই রাইট করা হয়। অর্থাৎ তারা মিরর হিসেবে থাকে। ফলে কোন ডিস্ক ফেইল করলেও বাকিটা কর্মক্ষম থাকে। এতে তথ্য সুরক্ষিত হয়।

রেইড ১

আবার রেইড-৫ হল তিন বা ততোধিক ডিস্ক নিয়ে তৈরি হয়। এতে শেষটা বাদে বাকি ডিস্কে তথ্য থাকে, আর বাকিটায়  প্যারেটি বিট থাকে যা তথ্য ঠিক করে বা রিকোভার করতে সাহায্য করে। বাণিজ্যিকভাবে রেইডের বহুল ব্যবহার হয়। কমদামের মাঝে ব্যাকআপ রাখার জন্য রেইড খুব ভালো পদ্ধতি।

রেইড ৫

পুরনো দিনের হার্ডডিস্ক

প্রথম হার্ডডিস্ক বলা যায় ১৯৫৬ সালে তৈরি আইবিএম এর RAMAC কে, এতে প্লেটারের ব্যাস ছিল ২৪ ইঞ্চি। মাত্র ৫ মেগাবাইট ক্ষমতার এই ডিস্ক সেকেন্ডে ৮,৮০০ বিট হারে তথ্য প্রবাহ করতে পারত।

আইবিএম RAMAC

পরে ১৯৬২, ১৯৬৫ ও ১৯৬৬ সালে আইবিএম এয়ার বেয়ারিং, ফেরাইট কোর হেড ইত্যাদি সুবিধাযুক্ত কয়েকটি মডেল তৈরি করে। যেমন IBM 1301, IBM 2310, IBM 2314. এদের ধারণক্ষমতা ৩০ মেগাবাইটের মত ছিল।

১৯৭৩ সালে নতুন আর্কিটেকচারে 3340 নামের হার্ডডিস্ক বাজারে আসে যা ৬০ মেগাবাইট তথ্য ধারণে সক্ষম ছিল। এর নাম দেওয়া হয় উইনচেস্টার। একেই আধুনিক হার্ডডিস্ক এর মডেল হিসেবে ধরা হয়।

ADs by Techtunes ADs

উইনচেষ্টার হার্ডডিস্ক

১৯৭৯ সালের দিকে প্লেটারের ব্যাস ৮ ইঞ্চির কাছে নেমে আসে যা প্রায় এক যুগ ধরে জনপ্রিয় ছিল। ১৯৮০ সালে Seagate নামের কোম্পানি একে আরো কমিয়ে ৫.২৫ ইঞ্চি বানিয়ে ST-506 নামের মডেল বাজারে ছাড়ে।

সিগেট ৫০৬

এর পর পরই ১৯৮৩ সালে ৩.৫ ইঞ্চি প্লেটার তৈরি হয় যা এখনো ফর্ম ফ্যাক্টর হিসেবে চলছে। তবে R0352 নামের এই ডিস্ক বানায় Rodime নামের কোম্পানি। এর পরে অনেক কোম্পানি ডিস্ক এর আকার হ্রাস ও ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি করার জন্য কাজ করতে থাকে। ১৯৮৬ সালে Conner Peripherals তাদের CP340 নামের মডেলে অনেক বেশি ক্ষমতার ৩৪০ মেগাবাইটের ডিস্ক আনে। তারপর আইবিএম ১৯৯০ সালে 681 নামে বের করে ৮৫৭ মেগাবাইটের ডিস্ক। Integral Peripherals ১৯৯১ সালে প্লেটারের ব্যাস ১.৮ ইঞ্চি এ নামিয়ে আনে। এইচপিও সেটাকে ১৯৯২ সালে ১.৩ ইঞ্চিতে পরিণত করে। তারপর থেকে অনেকগুলো কোম্পানি প্লেটারে ট্র্যাক আর সেক্টর আরো ঘনসন্নিবেশিত করে বেশী ধারণক্ষমতার হার্ডডিস্ক তৈরি করতে থাকে। বর্তমানে (২০১০ সাল পর্যন্ত) ৩ টেরাবাইটের হার্ডডিস্ক তৈরি হয়েছে। এই হল ওয়েস্টার্ন ডিজিটালের ৩ টেরাবাইটের হার্ডডিস্ক –

৩ টেরাবাইট হার্ডডিস্ক

হার্ডডিস্ক নির্মাতা কোম্পানি

হার্ডডিস্ক নির্মাণকারী কোম্পানির সংখ্যা অল্প। সবার আগে যার নাম না নিলেই নয় সে হল ওয়েস্টার্ন ডিজিটাল। আইডিই ড্রাইভ তৈরিতে এদের টেকনোলজি  অনেকদিন স্থায়ী ছিল। এই কোম্পানি ১৯৭০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

ওয়েস্টার্ন ডিজিটাল

তারপর আসে সিগেট। আমেরিকান এই কোম্পানি ১৯৭৮ সালে ক্যালিফোর্নিয়ায় প্রতিষ্ঠিত হয়। হার্ডডিস্কের বিবর্তনে এদের যথেষ্ট অবদান রয়েছে। প্রচলিত ম্যাক্সটর হার্ডডিস্ক গুলো মূলত: সিগেটের তৈরী।

সিগেট

তোশিবা বেশ পুরনো ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রাংশ নির্মাণকারী কোম্পানি। তবে এরা ফুজিৎসু’র সালে মিলে FDE বা এনক্রিপটেড ডিস্ক বানায়। এরা ১৯৩৯ সালের জাপানি কোম্পানি।

ADs by Techtunes ADs

তোশিবা

গ্যালাক্সি ট্যাবের জনক স্যামসাং এর নাম সবাই জানেন। আমাদের প্রায় সকলেই হয়ত এই কোম্পানির হার্ডডিস্ক ব্যবহার করি। ১৯৬৯ সালের পুরনো এই কোম্পানি আসলে কোরিয়ান। তবে এরা এবছর সিগেটের কাছে হার্ডডিস্ক তৈরির স্বত্ত বিক্রি করে দিয়েছে।

স্যামসাং

হিটাচি গ্রুপ হল সবচেয়ে পুরনো, ১৯১০ সালের জাপানি কোম্পানি। এরাও হার্ডডিস্ক তৈরি করে থাকে।

হিটাচি

ভবিষ্যতের হার্ডডিস্ক

ডিস্ক যুক্ত হার্ডডিস্ক এর ব্যবহার দিন দিন কমছে। যদিও হার্ডডিস্ক এর আকার যেভাবে কমছে, ধারণক্ষমতা সেই তুলনায় অনেক বেড়েছে। আইবিএম সর্বপ্রথম মাত্র ১ ইঞ্চির মাইক্রোড্রাইভ তৈরী করে যেটা মাত্র এক বর্গইঞ্চি আকারের, ধারণক্ষমতা কয়েকশো মেগাবাইট। এরকম একটি মাইক্রোড্রাইভ দেখতে এরকম -

আইবিএম মাইক্রো ড্রাইভ

হার্ডডিস্ক চালাতে অনেক বেশী বিদ্যুৎ লাগে যতটা ফ্ল্যাশ মেমরিতে লাগে না। তাই হার্ডডিস্ক এর বদলে ফ্ল্যাশ মেমরি টেকনোলজি দিয়ে বানানো সলিড স্টেট ড্রাইভ বা SSD এর ব্যবহার বাড়ছে। এর সুবিধা হল ল্যাটেনসি নেই বললেই চলে। মোটর, প্লেটারের ঝামেলা নেই, খুব দ্রুত ডাটা ট্রানসফার করতে পারে ইত্যাদি। আর এটা খুব বেশী নির্ভরযোগ্য। নির্দিষ্ট সংখ্যক বার ডাটা রিড রাইট করার পর এটা আর ডাটা রাইট করেনা। একটি সলিড স্টেট ড্রাইভ এর ভেতরটা দেখতে এরকম -

একটি খোলা সলিড স্টেট ড্রাইভ

হার্ডডিস্ক কেনার সময় যা যা দেখে নেওয়া উচিত

হার্ডডিস্ক কেনার সময় ধারণক্ষমতাই মুখ্য। তবে কিছু বিষয় আছে যার দিকে খেয়াল রাখা উচিত।

ADs by Techtunes ADs
  • আপনার যতটুকু দরকার ততটুকুই নিন। বেশী নিলে জায়গা অব্যবহৃত পড়ে থাকবে যা ব্যাড সেক্টরের একটা কারণ। বেশী জায়গা মানেই বেশী খরচ।
  • হার্ডডিস্ক এর আরপিএম কত? ৫৪০০ না ৭২০০? নাকি ১০০০০? বেশি জোরে ঘুরলেই যে বেশি ভালো তা নয়। বিদ্যুৎ খরচ বাচাতে গেলে বা ল্যাপটপ এর জন্য ৫৪০০ এ যথেষ্ট। আবার খুব ভালো পারফরমেন্স বা গেমিং পাগলেরা ৭২০০ নিতে পারেন।
  • হার্ডডিস্কের ইন্টারফেস আপনার কম্পিউটারের সাথে মেলে কিনা দেখে নিন। সাটা ৩.০ পোর্টে সাটা ২.০ হার্ডডিস্ক লাগিয়ে কোন সুফল পাওয়া যাবেনা তা তো বোঝেনই।
  • ফর্ম ফ্যাক্টর আপনার জন্য মানানসই কিনা দেখে নিন। আপনি নিশ্চয়ই ৩.৫ ইঞ্চির ডিস্ক কিনে আপনার পছন্দের কেসিং-এর জায়গা ভরাট করে ফেলবেন না।
  • ডিস্ক এর ল্যাটেনসি কত তা জেনে নিন। ল্যটেনসি বেশি হলে ডাটা ধীরে অ্যাক্সেস করতে হয়। এর মান ১০ মিলিসেকেন্ডের নিচে থাকাই ভালো।
  • হার্ডডিস্ক এর ক্যাশ মেমরি কত? ৩২ মেগাবাইট? নাকি ৬৪ মেগাবাইট? ক্যাশ বেশী মানেই বেশী লাভ। পছন্দ আপনার।
  • যেটা কিনবেন সেটার লাইফ স্প্যান টাইমার কত? অর্থাৎ কত ঘন্টার পূর্বে আপনার হার্ডডিস্ক নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। একে MTBF (Mean Time Between Failure) ও বলা হয়। কিছু হার্ডডিস্কের MTBF মাত্র ৬,০০০,০০০ ঘন্টা। অবাক হলেন? মাত্র ৬,০০০,০০০ ঘন্টা?!?!?! হিসাব করে দেখেন, এটা ১১৪ বছরের বেশী।
  • আপনার সাটা হার্ডডিস্ক যদি AHCI সাপোর্ট করে তাহলে তো খুবই ভালো। এটা আসলে নেটিভ কমান্ড কিউইং (NCQ) সুবিধা দেয়। ধরুন সিলিন্ডারের তিনটা আলাদা আলাদা ট্র্যাকে ডাটা অ্যাক্সেস করতে হবে। তাহলে হেডকে পরপর তিন স্থানে যেতে হবে। NCQ এর মাধ্যমে হার্ডডিস্ক বিশেষ একটা বাফারের সাহায্য নেয় যার ফলে ক্রম অনুযায়ী হেড সেক্টরের ডাটা রিড করে। AHCI পেতে হলে আপনাকে অবশ্য ড্রাইভার ব্যবহার করতে হবে। এছাড়া ডিস্ককে হটসোয়াপেবল করে তোলা যায় এই টেকনোলজির সাহায্যে।
  • যদি পোর্টেবল হার্ডডিস্ক কিনেন তাহলে দ্রুততর ইন্টারফেস এর ডিস্ক নিন। ইউএসবি ৩.০ অথবা ই-সাটা যুক্ত হার্ডডিস্ক অনেক দ্রুত কাজ করে।

হার্ডডিস্ক ভালো রাখার টিপস

  • প্রতি পার্টিশনে অন্তত ২০% ফাকা জায়গা রাখুন। এতে ডিফ্র্যাগ করতে সুবিধা হয়। এমএফটিও ভালো থাকে।
  • নিয়মিত ডিফ্র্যাগ করুন। ডিফ্র্যাগ করার অনেক সফটওয়্যার রয়েছে। তবে ভালো এবং দক্ষ সফটওয়্যার হল স্মার্ট ডিফ্র্যাগমেন্ট। এই সফটওয়্যার দিয়ে দরকারমত বুট টাইম ডিফ্র্যাগ করা যায়, অটো ডিফ্র্যাগ করা যায়। আর ল্যাপটপ এ ব্যাটারী-চালিত অবস্থায় ডিফ্র্যাগ বন্ধ রাখে।
  • সপ্তাহে একবার বুট টাইম ডিফ্র্যাগ করুন। অর্থাৎ পেজফাইল, হিবারফিল ইত্যাদি সহ  সিস্টেম ফাইল ডিফ্র্যাগ করুন।
  • হার্ডডিস্ক এর তাপমাত্রা মনিটর করুন। দরকার হলে ক্রিটিকাল তাপমাত্রা সেট করে দিন যেন বেশি গরম হয়ে গেলে আপনি নোটিফিকেশান পান।
  • হার্ডডিস্ককে ধুলাবালি থেকে ১০০ গজ দূরে রাখুন। মনে রাখবেন ছোট্ট একটা কণা যা আপনার মাথার চুলের দশভাগের একভাগ সেটা আপনার ডিস্ক হেডকে নষ্ট করে দিতে পারে।
  • যারা ইউপিএস ব্যবহার করেন না তারা ব্যবহার করার প্রস্তুতি নিন। আশা করি বুঝেছেন কেন হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে গেলে সকল সেক্টরের তথ্য মুছে যেতে পারে।
  • ব্যাকআপের জন্য ইউএসবি বা সিডি ডিভিডি নিয়ে দৌড়াদৌড়ি না করে রেইড বানিয়ে ফেলুন। মাত্র দুই তিন হাজার টাকার জন্য মূল্যবান ডাটাকে অরক্ষিত রাখবেন না।
  • ছয়মাস বা একবছর পর পর সুযোগ পেলে হার্ডডিস্ক এর সকল ডাটা ব্যাকআপ নিয়ে ডিস্ক লো লেভেল ফরম্যাট করে নিন। এতে ব্যাড সেক্টর সহ কোন সমস্যা থাকলে তা দূর হয়ে যাবে।
  • উইন্ডোজ এর ইনডেক্সিং বন্ধ করে দিন। কেউ কেউ হয়ত খেয়াল করেছেন যে উইন্ডোজ এ পিসি স্ট্যান্ডবাই বা কাজ না করা অবস্থায় রাখলেও হার্ডডিস্ক এর লেড জ্বলে। ইনডেক্সিং এর মাধ্যমে উইন্ডোজ হার্ডডিস্ক এর সকল ফাইল এর লিস্ট তৈরি করে এবং সার্চ করলে দ্রুত ফলাফল দেখায়। কিন্তু ইনডেক্স এর কারণে অযথাই ডিস্ক ঘুরতে থাকে এবং শক্তি বা ব্যাটারি ক্ষয় হয়। ইনডেক্স অফ করতে হলে স্টার্ট মেনুতে Index লিখে এন্টার চাপুন। তারপর অফ করে দিন বা পজ করুন।
  • হার্ডডিস্ক এর এটিএ কেবল ও পাওয়ার কেবল মজবুতভাবে যুক্ত আছে কিনা দেখে নিন। এটা ঢিলা হয়ে গেলে হার্ডডিস্ক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
  • সর্বোপরি আপনার হার্ডডিস্ককে আদর যত্নে রাখুন যেন কোন সমস্যা না হয়।

আজকের টিউন এখানেই শেষ। হয়ত কিছু লেখা বাকি থেকে যেতে পারে, অথবা ভুল থাকতে পারে। পাঠকদের কাছে অনুরোধ রইল সেগুলো ধরিয়ে দেওয়ার জন্য। সবাইকে ধন্যবাদ। 

ADs by Techtunes ADs
Level 0

আমি মো মিনহাজুল হক। বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সৌশল নেটওয়ার্ক - টেকটিউনস এ আমি 8 বছর 7 মাস যাবৎ যুক্ত আছি। টেকটিউনস আমি এ পর্যন্ত 22 টি টিউন ও 2982 টি টিউমেন্ট করেছি। টেকটিউনসে আমার 4 ফলোয়ার আছে এবং আমি টেকটিউনসে 0 টিউনারকে ফলো করি।


টিউনস


আরও টিউনস


টিউনারের আরও টিউনস


টিউমেন্টস

কমেন্টের সাগর বওয়ার আগেই হাজিরা দিয়া যাই 😛

    হাজিরা দিলেন? প্রেজেন্ট স্টুডেন্ট 😀

    ১২০০তম মন্তব্যের জন্য ৭ দিনের হাজিরা বোনাস 😛

    ১৯ টিউন এ ১২১৬ কমেন্ট?আপনাকে সেরা Comment Achievement এর পুরস্কার এ ভুষিত করা হলো।

    মুকুট ভাই আপনি এই লিঙ্কটা একটু দেখেন https://www.techtunes.co/linux/tune-id/62225/

    আমার প্রিয় একজন টিউনার, ৩ টিউন, দেড় হাজারের বেশী কমেন্ট 😛

Level 0

অনেক কিছু জানলাম,ধন্যবাদ ভাইয়া।

বস কি লিখলেন পুরা তো ফাটায়া একাকার কইরা দিলেন… অনেকদিন পর একটি তথ্যবহুল টিউন পেলাম………..ধন্যবাদ না দিয়ে স্বার্থপরের মত বলব এরকম টিউন আরও আরও চাই…

    ভাই আপনি করে বুলছেন কেন? আসলেই অনেকদিন হয়ে গেছে, পরেরটাও হয়ত অনেকদিন লাগবে। জটিল বিষয়গুলা প্রায় শেষ।

Level 0

অনেক যন্ত্র সহকারে লিখলেন…ধন্যবাদ আপনাকে…….

পুরাই পাংখা টিউন!

Level 0

অনেক সুন্দর করে লিখছেন অনেক অনেক ধন্যবাদ।

ভাইরে ফাটাইয়া দিলেন। আপনার এই চেইন টিউনগুলো খুব ভাল হচ্ছে।

    তাই নাকি? তবে কতদিন চেইন ধরে থাকতে পারবো কিনা জানিনা। নিয়মিত না লিখলে হয়ত হোমপেজ থেকে বহিষ্কার খেতে হবে। তবুও দেখি কতদূর যাওয়া যায় 🙂

এক কথায় অসাধারণ।প্রচুর কষ্ট করে লিখছেন এইজন্য অনেক ধন্যবাদ।দুই-তিন লাইনের টিউন না করে এরকম তথ্যসমৃদ্ধ টিউন এর প্রত্যাশা সকল টিউনারের কাছে। 🙂

    হুম। আরো প্রত্যাশা ছিল। যেমন ক্র্যাকড সফটওয়্যার নিয়ে টিউন না করা/কম করা হোক। এই টিউন অনেকদিন ধরে একটু একটু করে লিখছি। ধন্যবাদ

অসাধারন একটা টিউন করেছেন। এজন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন।

ak dine ki likhso , na age theke prustuthi silo.. sir , labe karar porei ato shundor tune

    তা তো বলি, কে তুমি, আগে তো দেখিনি 😛 ল্যাবের সাথে মিল পেলা? নাকি আকাশ পাতাল? 😛

আপনাকে ১০ লক্ষ ধন্যবাদ …………..পড়ের পাট চাই …………………………………আমি আছি আপনার সাথে………………….

    নিচে আরো কমেন্ট আছে, আপাতত আপনাকে ১ পিস ধন্যবাদ ই দিলাম। হাহা

Level New

এতো তথ্যসমৃদ্ধ লিখা একমাত্র শাওন ভাইয়ের কাছেই আশা করা যায় । ধন্যবাদ ভাই, আপনার যে কোন বিষয় (বিষয়টা যতো কঠিনই হোক) আমরা খুব সহজ ভাবে "উপভোগ" করতে পারি ।

    আহ! লেখা সার্থক হইসে তাইলে। ভয়ে ছিলাম যে কতটা বুঝাতে পেরেছি। ভুল পেলে জানিয়েন 🙂

অসাধারন অনেক তথ্যসমৃদ্ব লিখা, আমাকে পড়তে অনেক সময় লেগেছে। নাজানি লিখতে আপনার কত কষ্ট ও সময় লেগেছে। অনেক অনেক ধন্যবাদ অত্যান্ত সহজ ভাবে উপস্থাপন করার জন্য।

    হুম। লিখতে সময় লেগেছে এক সপ্তাহের মত। অল্প অল্প করে লিখেছি। বিষয়গুলো এত বেশী বিস্তৃত, কোনটা ছেড়ে কোনটা লিখবো বুঝতে পারছিলাম না। অনেক পরে লাইট ভার্সন বের করলাম 😛

মাথা ঘুরে গেছে…. 🙂 অনেক ভালো একটা টিউন…….পরে সময় নিয়ে আবার পড়ব…….প্রিয় পোস্টে নিলাম…….

****আমার পুরনো ৮০ জিবি হার্ডডিস্ক টা (সাটা) লাগালে চলে না….প্রথম প্রথম কটকট শব্দ করতো…..দুই এক চড়-চাপড় দিলে চলতো….এখন একেবারই চলেনা…..এটা কোথায়, কিভাবে, কত খরচে সারাতে পারবো যদি পারেন তবে জানাবেন……..কিছু ইমপর্টেন্ট ডাটা রয়ে গেছে এটাতে, তাই রিকভার করা দরকার………..

    কৌশিক ভাই আমার কাছে ৮ জিবি'র হার্ডডিস্ক আছে। যেটা আগে আমি ব্যবহার করতাম।
    আর সেটা এখনো আমার ছোট ভাই টার রুমে চলছে।
    মজার ব্যাপার কি জানেন এখন আমার পেনড্রাইভ টা ই ১৬ জিবি'র।

    হয়ত আপনার চড়-চাপড় খেয়ে অভিমান করেছে।

    আমি দুঃখিত কারণ কোথায় সারানো যেতে পারে তার ধারণা নেই। রাজশাহী হলে বলতাম যে নিউমার্কেটে যান। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ 🙂

সবচেয়ে ভাল লাগল পুরোনো দিনের হার্ডডিস্ক অংশটুকু। আমাদের হাসি আসতে পারে মাত্র 5 mb জায়গা। আর আমরা এখন ৫০০ gb , আবার অনেকের ১ tera ইউস করে। চিন্তা করেন আগামি ৫০ বছর পর কি হবে। সবাই তখন হাসবে বলবে ২০১০ সালের পোলাপানেরা মাত্র ১ টেরা ইউস করে। 🙂 🙂

    ঠিক বলেছেন আপু।তখন কার পোলাপান রা আমাদের ব্যবহৃত হার্ডডিস্ক এর সাইয শুনলে হাসতে হাসতে মরে যাবে যেমন টা আমরা এক সময় হাসতাম যখন এর সাইয ছিলো মাত্র ৩ থেকে ৮ জিবি

    Level 0

    ঠিক ঠিক……

    তখন সবাই ক্লাউড কম্পিউটিং ব্যবহার করবে। হার্ডডিস্ক থাকবেনা, সব থাকবে সার্ভারে, খালি লগিন করে কাজ শুরু। 😀

এই রকম অসাধারন টিউন একমাত্র আপনার দ্বারাই সম্ভব শাওন…
আপনার সেই টিউনটার কথা কি মনে আছে !!!
যেখানে আপনাকে অনেক কিছু শুনতে হয়েছিলো… আমার এখনো মনে পড়ে আমি আর ঘুম চোর ভাই… যাক সে কথা।
আপনি আপনাকে যথাযথ ভাবেই প্রমান করতে পেরেছেন…
ধন্যবাদ আপনাকে ভাই…

    হ্যা, ওই টিউনের কথা ভুলেই গেছিলাম। আসলে তখন রাস্তাটা ধরতে পারিনি। এখনও প্রতিদিন এটা ওটা টিউন দেখে মেজাজ খারাপ হয়, কত সমস্যা। কিন্তু খারাপ লাগেনা আর। বরং আমার মতই কেউ কেউ "ছেড়ে দিলাম" টাইপ বলে। হাসি আমি 😀

    ধন্যবাদ আপনাকেও। আপনি কতবার যে ছবি চেঞ্জ করলেন! আপনার নিজের ছবিটাই ভালো ছিল।

মিনহাজুল, অনেকদিন পর টেকটিউনস একজন কোয়ালিটি টিউনার পেয়েছে। আশাকরি আপনার এই টিউন কোয়ালিটি ধরে রাখবেন। ধন্যবাদ।

    আমি মেহেদি ভাইয়ের সাথে সম্পুর্ন একমত।
    হ্যা শাওন আপনার মধ্যে সেই গুন আছে যা একজন কোয়ালিটি টিউনার মধ্যে থাকা উচিৎ।
    আপনার জন্য আমার পক্ষ্ থেকে শুভ কামনা রইলো।

    ধন্যবাদ দুজনকেই 😳

১০০ তে ১০০ দিলাম

    আরেকটু বেশী দেওয়া যায়না? অগ্রিম? তাহলে পরের টিউন আরো ভালো লিখতাম। হাহা

    ধন্যবাদ

Level 0

কিছু বলার নেই………… awesome!!!

শাওন ভাইয়ের টিউন মানেই ব্যতিক্রম কিছু, অ-সম্ভব রকমের ভাল লাগা বলতে যা বোঝায় আর কি। চালিয়ে যান সমগ্র টেকটিউনস পরিবার আপনার সাথে থাকবে ইনশাল্লাহ্।

সেই পুরানো কথা …………… আপনার সব টিউনই খুব সুন্দর হয়। …………….. চালিয়ে যান।

দিন দিন আমি আপনার ভক্ত হয়ে যাচ্ছি।
আজ থেকে আপনি আমার বস ! 😉

    নারে ভাই। আমি বস না। এত অল্প জেনে বস হওয়া যায়না। আরো শিখি 😀 মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ

শাওন ভাই……আপনি একটা জিনিস।আমি তো আপনার ফ্যান হয়ে গেলাম।এই ফ্যান কিন্তু ঘুরেনা।কারন কারেন্ট লাগলে মরে যাবে।

    7200 rpm. RPM=Run Per Minute? Right??

    Revolutions per minute , অর্থাৎ প্রতি মিনিটে কতবার ঘুরে

    ধন্যবাদ আপনাকে। ফ্যান হয়েছেন, নিয়মিত স্ট্যাসে লাইক দিবেন কিন্তু 😉

    RPM মানে অনেক কিছু হয়। তবে ডিস্ক এর ক্ষেত্রে ঘূর্ণন বোঝাতে রোটেশান বা রেভোলিউশান বলা হয়।

আমি যে কি বলবো তার ভাষা খুজে পাচ্ছি না !! অসম্ভব ভাল হয়েছে !, ১০০% তে ১০০০% নম্বর !
আমি আপনার প্রত্যেকটা টিউন এ কমেন্ট নিয়মিত করি , কিন্তু একবারও ১ম হতে পারি না ! :(( 🙂
আচ্ছা আপনার মাথা এতো ঠাণ্ডা থাকে কিভাবে ? একটু কি জানাবেন ? :d
টিউন করার জন্য তো আপনাকে অনেক তথ্য ঘাটাঘাটি করতে হয়, তাই না ?
আর কয়টা টিউন বাকী ?

ধন্যবাদ ।

    যাক। বলার মত কিছু খুঁজে পেয়েছেন। আমার টিউনেই আমি কমেন্ট দিতে পারিনা, ২ দিন ধরে এই পেজে আসলে কমেন্ট বক্সে "login to reply" দেখাচ্ছে। অথচ অন্য পেজে ঠিকই আছে। কী ঝামেলা!

    মাথা ঠান্ডা থাকে। আমার ঘরে দুইটা দরজা, দুইটা জানালা 😛

    অনেক ঘাটাঘাটি করি, খুজতে খুজতে পেয়ে যাই অনেক মজার তথ্য, সেগুলা বুকমার্ক করে রাখি আর টিউনে লিখে ফেলি।

    কয়টা বাকি বলতে পারছিনা। অপ্টিকাল ড্রাইভ, গ্রাফিক্স কার্ড (যেটা আছে সেটা আপডেট করে লিঙ্কাই দিমু), সাউন্ড কার্ড, ইউএসবি, ফ্ল্যাশ ড্রাইভ, সলিড স্টেট ড্রাইভ, ওয়াইফাই, ব্লুটুথ ইত্যাদি ম্যালা বাকি 😀

    সব তো আর করার দরকার নাই , আপনি বরং বেছে বেছে যেগুলো গুরুত্বপূর্ণ এবং জটিল বিষয় সেগুলো নিয়ে টিউন করেন । ছোট ছোট বিষয় গুলো এক সাথে টিউন করতে পারেন । টিউনটা সাউন্ড কার্ড নিয়ে পরের টিউনটা করেন । Network Adaptar নিয়েও করতে পারেন । মনিটর নিয়ে টিউন করার দরকার কি আছে ?

    ধন্যবাদ । সব সময় অপেক্ষায় থাকি ……………………।

    দুঃখিত , টিউনটা সাউন্ড কার্ড নিয়ে পরের টিউনটা করেন = পরের টিউনটা সাউন্ড কার্ড নিয়ে করেন ।

বস,চরম হইসে,অসাধারন।পুরা ফাটাইয়া দিসেন।অনেক কিছু জানতে পারলাম।সাইফুল ভাই এর মত আমি ও বলতে বাধ্য হচ্ছি দিন দিন আমি আপনার ভক্ত হয়ে যাচ্ছি।
আজ থেকে আপনি আমার বস !!!!! অনেক অনেক ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন।

    "বস ইনডিকাস" মানে কি জানেন? গরু এর বৈজ্ঞানিক নাম। তাই কেউ বস বললে ভয় পাই।

    ধন্যবাদ। আপনিও ভালো থাকবেন।

ক্লাস টিউন বলতে যা বোঝায় তার প্রত্যেকটা গুনই আপনার টিউনে আছে,
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ অসাধারন টিউনটি দিয়ে টেকটিউন্সকে আরো সমৃদ্ধি করার জন্য,
আশা করি সামনেও মান সম্মত টিউন পাব আপনার কাছ থেকে।

আপনার টিউন পড়লেই আমি ভাষা হারিয়ে ফেলি! 😉

আচ্ছা আপনার গ্রাফিক্স কার্ডের আদ্যোপান্ত টিউনটি চেইন টিউনে ঢুকিয়ে দেয়া যায়না?

    ভালো কথা বলেছেন। আমি মডারেটরের সাথে যোগাযোগ করেছি, এটা সম্ভব। তাই ওই টিউনটা আপডেট করমু, তারপর হার্ডওয়্যার সিরিজে লাগাই দিমু 😀

Level New

পুরোটা পড়তে কস্ট হয়েছে তাতে কি, জানার পরিধি তো বেরেছে।
কি বলে যে শুকরিয়া আদায় করবো বুঝতে পারছি নাকো।
ভাল থাকবে ,সুস্থ থাকবে আর এমন অসাধারন টিউন
করবে,বুঝেছো।

ধন্যবাদ শাওন ভাই

টিউন টা স্টিকি আর মি.শাওন কে মোডারেটর বানানোর দাবি জানাচ্ছি ।

    আর শাওন ভাই, পরবর্তী টিউন টা স্পিকার+সাউন্ড কার্ড নিয়ে করলে খুশি হব 😀

    এই যাহ! যেটা আমার নাই সেটা নিয়ে কিভাবে টিউন করি? মানে অভিজ্ঞতা নেই তো! ওকে। করবো অবশ্যই। এর পরের একটায় সাউন্ড কার্ড থাকবে 🙂

Level 0

আমার Network & Hardware এর সম্পরকে ভাল জ্ঞান আছে ,আপনার ব্লগ টি পড়ে Hardware আর ও জ্ঞানি হয়ে গেলাম.

    যাক! একটু শান্তি পেলাম যে অভিজ্ঞ কেউ আমার লেখা ভেরিফাই করে দিল। ভুল পেলে জানাবেন অবশ্যই 🙂

Level 0

আপনার আগের টিউন গুলো পড়ে ..হার্ডডিস্ক সমন্ধে যে রকম টিউন আশা করেছিলাম..
সেই রকম টিউন পেলাম.
আমার পক্ষ্ থেকে শুভ কামনা রইলো।
…………………ধন্যবাদ

Level 0

আমারও ভাল লাগল আপনার তথ্য বহুল টিউন। ধন্যবাদ

আপনি লিখেছেন,

" ব্যাকআপের জন্য ইউএসবি বা সিডি ডিভিডি নিয়ে দৌড়াদৌড়ি না করে রেইড বানিয়ে ফেলুন। মাত্র দুই তিন হাজার টাকার জন্য মূল্যবান ডাটাকে অরক্ষিত রাখবেন না। "

এখানে "রেইড" জিনিষটা কী? একটু বুঝিয়ে বলুন। প্লীজ।

দারুন সিরিজ। ধন্যবাদ।

    ভাই রেইড হল একাধিক হার্ডডিস্ক দরকার মত ব্যবহার করা। আপনি যা জানতে চেয়েছেন তা হল RAID-0. ধরুন ৫০০ গিগার দুইটা হার্ডডিস্ক রেইড আকারে ব্যবহার করছেন। তাহলে আপনি কোন ৮ গিগার মুভি হার্ডডিস্কে রাখলেন। ফাইলটা দুইটা ডিস্কেই কপি হবে। যদি কখনো কোন একটা ফেইল করে বা নষ্ট হয় বা পুড়ে যায়, তাহলে আরেকটায় ফাইল থাকবে।

    গুগল তাদের ওয়ার্ক্সটেশানে অনেক হার্ডডিস্ক ব্যবহার করে যেগুলা রেইড করা থাকে। ফলে কোনটা নষ্ট হলেও ব্যবহারকারীর তথ্য ঠিকই পাওয়া যায় 🙂

    দুঃখিত, এটা আসলে রেইড – ১। রেইড – ০ হল দুইটা ডিস্ক একসাথে অভিন্ন ডিস্ক হিসেবে ব্যবহার করা। অর্থাৎ সিস্টেম ১ টা ডিস্ক পাবে, সেটা ওই ডিস্ক দুইটার ধারণক্ষমতার সমান হবে।

টিউন অসাধারণ হয়েছে… টেকটিউনসে এরকম কোয়ালিটি টিউনের অভাব ছিল বেশ কিছুদিন ধরে… 😀

গত কয়েক দিন আগে আমি টিটি তে এই পোষ্টটি দেখতে পাই।

""কম্পিউটার যারা ব্যবহার করেন তারা অবশ্য অটোরান সমস্যার সাথে কম-বেশি পরিচিত। এ্রর আক্রমণে যে সমস্যা হয় তা অত্যান্ত বিরক্তিকর। কোন ড্রাইভে ডাবল ক্লিক করলে উক্ত ড্রাইভ খোলে না আর অটোরান মেনু আসে। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে মাত্র এক লাইনের কোড ব্যবহার করুন। আর এক নিমিষেই শেষ অটোরান ভাইরাস। নিচের মতো করুন।
• § প্রথমে স্টার্ট মেনু থেকে রানে যান।
• § এবার cmd লিখে এন্টর করুন। তাহলে কমান্ড প্রোম্পট খুলবে।
• § এবার নিচের কোডটি লিখুনঃ
del c:\autorun.*/f/s/q/a
• তারপর এন্টার দিন।
• § তাহলে ফাইল মুছা শুরু হবে, এবার আবার নিচের লাইনটি লিখুনঃ
del d:\autorun.*/f/s/q/a
• তারপর এন্টার দিন।
• § এখানে দেখুন C এবং D লিখলাম। এখানে C ও D হচ্ছে ড্রাইভ লেটার। আরেকটা কথা del শব্দটির পর এটা স্পেস দিয়ে ড্রাইভ লেটার লিখবেন।
সর্বশেষ আপনার সিস্টেমটি রিস্টার্ট করুন। এখন দেখবেন অটোরান সমস্যা নেই।""

আজকে আমি চেষ্টা করছিলাম যে এইভাবে আমার পিসি থেকে সব অটোরান ভাইরাস গুলোকে মুছে দিব। সেই উদ্দেশ্যে আমি কাজও শুরু করি। কিন্তু যখন আমি এই কাজটা সম্পন্ন করলাম তখন আমি দেখলাম যে আমার পিসি তে আর কোন ফাইল নেই। সব কেন যেন অটোমেটিক ডিলিট হয়ে গেছে। আমার পিসিতে খুবই জরুরী ফাইল ছিল, যা ছাড়া বলতে গেলে আমি অচল। আজকাল তো অনেক ফাইল রিকভারী সফটওয়্যার পাওয়া যায়। আমার প্রশ্ন হল, আমি কী আমার ফাইল গুলোকে ফেরত পাবো। যদিওবা পাই কিভাবে? প্লিজ কেঊ আমাকে সাহায্য করেন।ধন্যবাদ।

GREAT

A+A+A+A+A+A+A+……………….tnx bro keep it up

শাওন ভাইয়া আমি যদি "all drive" সিলেক্ট না করে একটা একটা করে ড্রাইভ রিকভার করি তাহলে কি কোন সমস্যা হবে।

শাওন ভাইয়া হার্ডডিস্কে সমস্যা হবার পর আপনার এই টিউনটা ভাল মত পড়লাম। মারাত্তক। অসাধারন। চালিয়ে যান।

শাওন,সবাই এত্তো comment দিয়েছে,দিচ্ছে দেখে আমি অনেক খুশি,কান্না পাচ্ছে খুশিতে।আমি তো all time ই উপকার পাই তোমার কাছে,তাই নতুন করে আর ধন্যবাদ দিলাম না ।post টা জোশ :-bd

বরাবরের মত জটিল হয়েছে। আমি আর কিছু বলছি না। একদম পাটিয়ে দিয়েছেন। অসাধারন……………

ভাইয়া দারুণ টিউন হয়েছে, খুবই ভালো লাগলো। কিন্তু SSD টা নিয়ে আরোও একটু আলোচনা করলে আরও ভালো হত। পুরনো হার্ডডিস্ক গুলো দেখে ভালো লাগলো, মাথায় চিন্তা আসলো কতদূর এগিয়েছি আমরা এবং আরও কতদূর যাব কে জানে? সেই ১৯৯০ থেকে কম্পিউটারের সাথে পরিচয়, পিসির পুরনো পার্টস দেখে (হার্ডডিস্ক অবশ্যই) পুরনো সিস্টেম গুলোর কথা মনে পড়ে গেলো। ফ্লপি দিয়ে পিসি ব্যবহার এরপর হার্ডডিস্ক তাও আবার মেগাবাইটে, তারপর খুব অল্প গিগাবাইটের দিকে এগিয়ে যাওয়া। এখনতো ৫০০ গিগাবাইটের নিচে তো নয়ই বরং যাত্রা হয় টেরাবাইটের পথে। যা হোক, টিউনটি খুব কাজে দেবে যারা নতুন এই পথে আসছে এবং আসবে।
ভাইয়া আমি জনপ্রিয় কয়েকটি ব্র্যান্ডের ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানির সাথে কথা বলেছি তাদের হার্ডওয়ার টেকনিশিয়ানরা আমকে আশ্বস্ত করলো যে তাদের হার্ডডিস্কে নির্দিষ্ট সময় পরপর কোন প্রকার লো-লেভেল ফরম্যাট দিতে হয়না বরং এখনকার কোন হার্ডডিস্কেই এটার প্রয়োজন নেই। তারপর লো-লেভেল ফরম্যাট শুধু ফ্যাক্টরিতেই করা হয় সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার গুলো বাইরে দেয়া হয় না। জিরো ফিলিংকে তারা লো-লেভেল বলেন না। তাদের দেয়া সব সফটওয়ারেই জিরো ফিলিং এর অপশন থাকে।
হার্ডডিস্কে বেশি জায়গা খালি রাখলে এর মধ্যে ব্যাড-সেক্টর পড়ে? তাহলে আমরা যে প্রত্যেক পার্টিশনে ২০%-২৫% জায়গা খালি রাখি সবসময় সেগুলোতে কি ব্যাড-সেক্টর পড়বে? তবে ভাই একটি উপকার আমার হয়েছে, তাহলো ইন্ডেক্সিং বন্ধ করে, আমি প্রায়ই দেখতাম আমার হার্ডডিস্কের বাতিটি খালি জ্বলতে থাকতো কোন কাজ না করলেও; সেটা থেকে মুক্তি পেয়েছি এজন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
রেইড ০ তে ডাটার কোনপ্রকার নিরাপত্তা নেই একটি ফেল হার্ডডিস্ক তো আরেকটি তার সাথে ফেল, ডাটা উদ্ধারের কোন সুযোগ নেই। রেইড ১, রেইড ৫ এবং রেইড ০১ বা ১০ তে ডাটার যথেষ্ট নিরাপত্তা আছে, একটি ফেল হলে নতুন হার্ডডিস্ক লাগিয়ে রেইড মাপ পুনরুদ্ধার করা যায়।
ভাই আপনার কাছে ভবিষ্যতে এই রকম আরও তথ্যবহুল টিউন আশা করছি।
ধন্যবাদ 🙂

    সানি ভাই আগেই ধন্যবাদ জানাই কষ্ট করে পড়ার জন্য।

    SSD একটু আলাদা, ফ্ল্যাশ এর দিকে চলে যায়। তাই সেটা নিয়ে পরের সিরিজের কোন একটায় লিখবো। আপনি ঠিক বলেছেন যে নিয়মিত লো লেভেল ফরম্যাট করার দরকার নেই। এখন তো SMART থেকেই হার্ডডিস্ক এর অবস্থা বোঝা যায়। তবে কিছু ক্ষেত্রে ডিস্ক এ সমস্যা হলে কোম্পানির টুল দিয়ে ইরেজ করলে কাজ হয় যতদুর জানি। আর জিরো ফিল তো অবশ্যই ফরম্যাট না। এটা শুধু সেক্টর এ ০ রাইট করে। এটা ফ্রী স্পেসেও অর্থাৎ ড্রাইভ ডিলিট না করেই করা সম্ভব। বেশি ফালা স্থান থাকলে ব্যাপারটা মরিচা পড়ার মত হয়। মানে সেখানকার চুম্বকায়ন ক্ষমতা কমে যেতে পারে। তাই মাঝে মাঝে ফাকা স্থান জিরো ফিল করা যেতে পারে।

    রেইডের ব্যাপারটাও আরো লিখতে চেয়েছিলাম। সময় পেলাম না। হার্ডওয়্যার রেইড নিয়ে লিখবো ভাবছি। আপনার কথা ঠিক, মিরর রেইডে তথ্য ফিরে পাওয়া সহজ। কিন্তু রেইড – ০ আসলেই ভয়াবহ ব্যাপার। তথ্য হারানোর সম্ভাবনা আরো বেড়ে যায়। আসলে এত বিস্তৃত, কোনটা ছেড়ে কোনটা লিখি বলেন তো!

    আবারো ধন্যবাদ, ইনডেক্সিং নিয়ে সাহায্য করতে পেরে। ভালো থাকবেন।

শুধু তথ্যবহুল বললে কম হবে।অনেক বেশি…………………………………. তথ্যবহুল।এরকম টিউন লেখার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

পিছনের পর্বগুলো পড়া হয়নি যেহেতু নিয়মিত ব্লগে আসি না। তবে অবশ্যই পরে পড়ে নিব। প্রিয়তে।

রেইড করার নিয়ম কি বলবেন

    রেইড দুইভাবে করা যায়।

    |— হার্ডওয়্যার রেইড
    |— সফটওয়্যার রেইড

    হার্ডওয়্যার রেইড বানাতে হলে আপনাকে কন্ট্রোলার কার্ড কিনতে হবে এবং সেখানে হার্ডডিস্ক লাগাতে হবে। কিছু মাদারবোর্ড এ রেইডের জন্য আলাদা সাটা পোর্ট থাকে। সেটাও ব্যবহার করা যেতে পারে।

    সফটওয়্যার রেইড বানাতে অপারেটিং সিস্টেম সাপোর্ট লাগবে। উইন্ডোজ ৭ আলটিমেটে রেইড ০, ১, ৫ ইত্যাদি করা যাবে। করতে হলে হার্ডডিস্ক গুলো ফরম্যাট করে নিয়ে New spanned / mirrored ভলিউম দিলেই সেগুলা রেইডে যুক্ত হয়ে যাবে। লিনাক্স হলে ডিস্ক ম্যানেজার বা পার্টিশনিং টুল থেকে Task > New raid array দিলেই হার্ডডিস্ক এর লিস্ট দেখাবে।

    বিভিন্ন ধরণের রেইড সম্পর্কে জানতে চাইলে দেখুন এখানে http://en.wikipedia.org/wiki/RAID

অনেক অনেক বিজি ছিলাম, তোমার টিউন আমার মেমরিতে মুখস্থ করতে ৩ বার পরপর রিডিং পড়া লাগে। আর সত্যি কথা বলতে কি আমি এখন হার্ডওয়ার টার্মগুলো মোবাইলে লোড করছিলাম। ভাবছি এগুলো ক্লাসের ফাঁকে ফাঁকে দেখব। এখন দাঁড়াও এইটাও লোড করি……
আর সবার উপরের কমেন্টে এই লিঙ্ক কেন !!! লইজ্জা পাইছি তো …… কিচ্ছু পারি না। জিনির ডিবাগটা দেখি ঠিকমত কনফিগার করতে পারি কিনা। একটু অসুস্থ………

    আয় হায়! আবার অসুস্থ কেন? বৃষ্টিতে ভিজছেন নাকি?
    ওই লিঙ্ক দিসি কারণ আমার দেখা পর্যন্ত আপনিই মাত্র ৩ টিউনে দেড় হাজার কমেন্টের গর্বিত মালিক হয়েছেন 😀
    আমিও কিছু পারছিনা। কয়েকটা টাস্ক পেয়েছি। তারার পিরামিড প্রিন্ট করা, প্রাইম নাম্বার বের করা ইত্যাদি ইত্যাদি। জীবন নষ্ট।

শাওন ভাই আমি টেকটিউনস্ েসম্পূর্ণ নতুন। আমি আপনার সকল টিউনস গুলো পড়ে প্রিন্ট করে রেখেছি। আপনার কাছে একটি সহযোগীতা চাচ্ছি। সেটি হলো আমার প্রতিষ্ঠানে (ই-ভিলেজ) এ সব গুলো কম্পিউটারে আমি ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহার করছি। আপনি তো জানেন যে, প্রত্যেকটি পিসির জন্য আইপি আলাদা থাকে ব্রডব্যান্ডে। কিন্তু আমার একটি পিসিতে শুধু মাত্র একাধিক প্রিন্টার লাগানো আছে। আমি উক্ত ব্রডব্যান্ডের লাইনে কিভাবে আমার প্রিন্টারগুলো এবং ফাইল কিভাবে শেয়ারিং কানেকশান দিতে পারবো জানালে অশেষ কৃতজ্ঞ থাকবো। ………………………………..জেমস্

    আচ্ছা। আপনি যতসম্ভব জানতে চাচ্ছেন যে কিভাবে আপনার প্রিন্টারটা সব কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারবে? প্রতিটা পিসি তাহলে সুইচে লাগানো? তাহলে প্রিন্টার আর ফাইল শেয়ার করার জন্য কিছু কাজ করতে হবে।

    উইন্ডোজ এক্সপি হলে আপনাকে Workgroup আর উইন্ডোজ ৭ হলে Homegroup নামের একটা কম্পিউটার ক্লাস্টার বানাতে হবে। এটা করতে হলে সকল কম্পিউটারে ক্লক একই হতে হবে। মানে সময় মিলিয়ে নিতে হবে, ইন্টারনেট এ সব পিসি অটো টাইম আপডেট করে নিলেই হবে।

    এবার যে কেউ নেটওয়ার্ক কানেকশান এ যেয়ে হোমগ্রুপ বানান। যে বানাবে তাকে একটা পাসওয়ার্ড দেওয়া হবে। এবার অন্য পিসিগুলায় "A new homegroup available" দেখাবে, সেখানে পাসওয়ার্ড দিয়ে জয়েন করতে হবে। প্রত্যককে জয়েন করার সময় কি কি শেয়ার করবে তা বলা হবে। সেখানে ইচ্ছামত লাইব্রেরি বা প্রিন্টার এ চেকমার্ক দিলেই কাজ শেষ। এবার ওই হোমগ্রুপে থাকা সকল কম্পিউটার সেই প্রিন্টার দেখতে পাবে।

    ফাইল শেয়ার করতে দুইটা কাজ করা যায়।

    ১। সফটওয়্যার ব্যবহার করা। এখানে বলা আছে কিভাবে নেটওয়ার্ক এ যুক্ত পিসি এর মাঝে ফাইল শেয়ার করা যায় https://www.techtunes.co/tips-and-tricks/tune-id/59590/

    ২। আপনার কম্পিউটার এর ড্রাইভ বা যে ফোল্ডার শেয়ার করবেন তার প্রোপারটিজে যান। দেখবেন শেয়ার নামে ট্যাব আছে। সেখানে চেকমার্ক দিন, পারমিশান [যারা ফাইল অ্যাক্সেস করবে তারা রিড বা রাইট করতে পারবে কিনা], কতজন অ্যাক্সেস করবে সেটা বসিয়ে ওকে চেপে বেরিয়ে আসুন। এবার অন্য সকল পিসি তাদের নেটওয়ার্ক ফোল্ডার এ সেই শেয়ার করা ফোল্ডার দেখতে পাবে। তারা চাইলে সেটাকে নেটওয়ার্ক ড্রাইভ বানিয়ে কম্পিউটারে সবসময় দেখার ব্যবস্থা করতে পারে।

    এবার বলি একটি গুরুত্বপূর্ণ কথা। ফায়ারওয়াল যদি ইন বা আউট কানেকশান বন্ধ করে দেয় তাহলে সব এলোমেলো হয়ে যাবে, মানে কেউ ফোল্ডার দেখেলও ঢুকতে নাও পারে, বা মনোডিরেকটরাল সিগনাল যেতে পারে। তাই ফায়ারওয়াল অফ অথবা সেই নেটওয়ার্ক কানেকশান এক্সেপশানে দেওয়া উচিত। আশা করি বুঝাতে পারেছি।

    ধন্যবাদ

Level 0

ভাই আমি একটা সমস্যায় পরেছি। আমার নেটবুক এ একবার হার্ডডিস্ক দেখায় আবার একটু পর আবার দেখায় না। এখন আমি কি করেতে পারি? এই সমস্যার কি কোনো সমাধান আছে? (এর জন্য আমি নেটবুক ওপেন করতে পারিনা। বুট মেনু তে গেলেই দেখা যায় যে একবার হার্ডডিস্ক আছে একবার নাই। )

    তাহলে ভেতরে কানেকশানে ঢিলা হয়ে যেতে পারে। চাইলে খুলে চেপে লাগাতে পারেন। যদি নষ্ট হয়ে থাকে তাহলে ২.৫ ইঞ্চি ডিস্ক কিনতে পাওয়া যায়, সেরকম একটা লাগিয়ে নিতে পারেন 🙂

    কিন্তু যদি হার্ডডিস্ক এর ভেতরে সমস্যা থাকে তাহলে ইরেজ করে সুফল পেতে পারেন। তবে যেহেতু কখনো দেখায় কখনো দেখায়না, এটা ফিজিকাল কোন সমস্যা হয়েছে। 🙂

    Level 0

    এখন আবার ওপেন হউয়ার সময় যা দেখায় তার মানে হলো এইরকম যেঃ আপনি আপনার হার্ডডিস্ক এর ব্যাকাপ রেখে হার্ডডিস্ক রিপ্লেস করুন। আর হার্ডডিস্ক দেখায় যে toshiba model no (2) এরকম। এখন আমি কি করতে পারি?

    তাহলে তো সমস্যা, একটা পোর্টেবল ডিস্ক এনে ডাটা ব্যাকআপ করে নিন। তারপর সেটা ভালো জায়গায় রিপেয়ার করানোর চেষ্টা করান। নতুন ডিস্ক লাগালে ৩/৪ হাজারের বেশী পড়বেনা।

    ও আচ্ছে। বুঝেছি। তবে এত ছোট বিষয় নিয়ে টিউন না লেখাই ভালো। মানুষ বিরক্ত বোধ করতে পারে। তবে মাথায় রাখলাম। পরীক্ষার কারণে একটু ব্যাস্ত তো! 🙁

Level 0

viya ame janta chay amar (H:) Drive ta Aga chelo DVD-RW ar akon ke holo jane na amar ta DVD-RAM Drive Hoya ache ? pls give my ans !

    এটা সমস্যা না ভাই। অটোপ্লে অফ করে দিলে মাঝে মাঝে এমন দেখায়। 🙂

    Level 0

    vi pls ak to volan ! অটোপ্লে on kamNa korbo ar DVD-RW ai ta ki kora asBa ?
    pls pls pls pls pls pls akto bolan

দারুণ একটা সিরিজ শুরু করেছেন। অনেক কিছুই অজানা ছিল। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

    তাই নাকি? এই টিউনের জন্য তথ্য [বই, ভিডিও, ব্লগ] যোগাড় করতে এক সপ্তাহ সময় লেগেছে। বুঝতেই পারছেন কেন ওই টিউন দেখে মেজাজ খারাপ হয়েছে। ধন্যবাদ আপনাকেও 🙂

দারুন একটা সিরিজ। কিভাবে চোখ এড়িয়ে গেল বুঝলাম না। :S

এর আগে যে দিন টিউনটি করেছিলেন সেদিন পড়েছিলাম কিন্তু ভাল করে না। তার পর আপনার বলা কথার জন্য আমি ওয়েস্টার্ন ডিজিটাল ৫০০ হার্ডডিস্ক কিনেছি ৪৮০০টাকায় তার পর আজ আবার আপনার টা খুছে কমান্ড করলাম। এই ফরামের সব চাইতে আপনাকে বেশী খুজে পাওয়া যায়।

    তাই নাকি ভাই? আমি তো টিটি-তে আসা আর টিউন লেখা ছেড়ে দিয়েছি বললেই হয়। রোজার মাঝে সময় পেলে নতুন টিউন নিয়ে হাজির হব। 🙂

    ওয়েস্টার্ন ডিজিটাল নিলেন পোর্টেবল নাকি ভাই? এত দাম যে!

শাওন তোমার পরের টিউন কই ??? একটু টাইম করো ভাই।। তুমি কিন্তু বলছ রমজান মাসে লিখবা…

ভাইরে সময় কই? এক মাস পর পরীক্ষা। ব্যাকলগ বাচাতে হবে 🙁 আর কি নিয়া লিখমু ভাবতেছি,

খুবেই তথ্যবহুল একটা টিউন।ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।

থেঙ্কু 🙂

janar kono shesh nai………….apnar tune poira bujlam…

vai apnar yahoo mail id ta ak2 diben??

খুব ভাল লাগ্ল ভাই আশা করি এমন অনেক হেল্প করবেন ………।।?

বাকরুদ্ধ হয়া গেলাম রে ভাই…।

বাকরুদ্ধ হয়া গেলাম রে ভাই…। A+

ভাই , খুবভাল কিন্তু চিত্রগুলো দেখা য়ায় না।

ভাই দারুণ হয়েছে কিন্তু ইমেজগুলো দেখা যায় না। আশা করি ব্যবস্থ্যা নিবেন।ভাল থাকবেন।

আমার WDC 320GB মনে হয় Bad Sector এ আক্রান্ত হয়েছে। কপি, মুভ হতে অনেক দেরি হয়, এখন আবার উইন্ডোজ দিতে পারছিনা। কি যে করি? আপনি বললেন Low Level Format দিতে। কাজ হবে কি। সমস্যা টা বলি। অন্য হার্ড ডিস্ক দিয়ে বুট করে উইন্ডোজ সেভেন থাকলে কিছুক্ষন পর পর একটা মেসেজ আসে Windows has detected a hard disk problem = Back up data….. আবার উইন্ডোজ দেওয়ার সময় কোন পার্টিশন সিলেক্ট করলে একটা মেসেজ আসে This disk may fail soon……..etc. দয়া করে সমাধানের উপায়টা বলবেন কি।

আমি WDC’র সফটওয়্যার ব্যবহার করে দেখেছি সেখানে একটা সমস্যা দেখা দেয় আর তা হল= Reallocated….etc.

Please, Please, Please help me………..

    @মোঃ মামুনুর রশিদ নাহিদ: বুঝলাম আপনার সমস্যা। যদি হার্ডডিস্কের বয়স বেশী হয় এবং সত্যিই ব্যাড সেক্টর পড়ে তাহলে সফটওয়্যার দিয়ে রিপেয়ার করা কঠিন। আপনি যা করতে পারেন তা হল WD এর টুল দিয়ে লো লেভেল ফরম্যাটিং করে ট্রাই করতে পারেন। যদি ব্যাড সেক্টর বেশী হয় তাহলে আশা ছেড়ে দিতে হবে। এক্ষেত্রে পিসির অন্য কমপোনেন্ট নষ্ট হয়ে যেতে পারে। কাজেই সাবধান।

WD এর সফটওয়্যার দিয়ে যে লো লেভেল ফরমাট দিবো, তার ও উপায় নাই, রাতের বেলা অন্য হার্ড ডিস্কের সাথে ব্যবহার করলাম। সকালে আর হার্ড ডিস্ক পায় না। সাটা পোর্ট বা ক্যাবল পাওয়ার সব লাগালাম ঠিক মত কিন্তু……

তবে কিছু একটা শুনতে পেলাম, আর তা হল হার্ড ডিস্কের মধ্যে থেকে যেন কাঠ কাটার পোকার মত শব্দ হচ্ছে। আমার Samsung ATA 40GB তেও শব্দ হত, কিন্তু ভাল ভাবে লাগিয়ে ঠিক হয়ে গেছে। যদি কিছু জানাতে পারেন?
আর যদি না ই চলে তাহলে ভাল হার্ড ডিস্ক কোনটা বা কি কমপক্ষে ৫০০ গিবা বা ১০০০গিবা।

    @মোঃ মামুনুর রশিদ নাহিদ: বহুদিন পর রিপ্লাই দেওয়ায় দুঃখিত।
    হার্ডডিস্কে ফিজিকাল প্রবলেম হলে সারানো মুশকিল, বিশেষ করে নিজে হাতে। ভাল হার্ডওয়্যার বিশেষজ্ঞের কাছে দেখাতে পারেন। অথবা নতুন কিনে ফেলুন। আপনার প্রয়োজনমত কিনুন। তবে পরে নতুন করে কিনে স্টোরেজ বাড়ানো সমস্যা। আর এখন তো সব মিডিয়ার সাইজ বড়। কাজেই ১ টেরাবাইটই ভাল হবে।

মিনহাজুল হক শাওন ভাই ধন্যবাদ আপনাকে আপনার থেকে কম্পিউটার হার্ডওয়্যার সম্পর্কে অনেক কিছু শিখলাম। আরো ভালো আপডেট কিছু চাই।

শাওন ভাই আমার laptop hang হয়ে গেলে আমি পওয়ার বাটন চেপে অফ করে দি রাগে একটা আঘাতও করি এর পর থেকে অন করলে A disk read error occurred Press Ctrl+Alt+Del to restart লিখা আসে। hdd regenrator দিয়ে regenarate করে ৩ দিনে 1GB হইসে ভাই লাখ লাখ bad sector. এখন অন করলে আসে operating system not found কিন্তু সেটআপ দিলে cd or pendrive বুট হয় না এটা কি ঠিক করা যাবে অথবা ডাটা রিকভার করা যাবে? হেল্প করেন ভাই।

    @রাহাত: ব্যাড সেক্টর পড়লে ডাটা রিকোভারির আশা ছেড়ে দিন। আর আপনার ল্যাপটপ হ্যাং হওয়ার কারণই ব্যাড সেক্টর, আঘাত করার ফলে হ্যাং হচ্ছিল তা নয়। বেশী ব্যাড সেক্টর পড়লে ঠিক করার চেয়ে নতুন কেনাটাই ভাল। নতুন জেনারেশনের হার্ডডিস্কগুলোয় ব্যাড সেক্টর অনেক কম পড়ে।

vai ami windows 7 setup diyesi and hard disk er 4ta drive koresi.. amar hard disk 250gb. and 3ta drive thik ase…. tobe akta drive a system reserved hoye 99 mb hoye gese.. but oi drive ta 70 gb kora silo.. tahole baki jayga gulor ki holo? and er solution ta ki aktu help pls?????????

    জনাব রিদওয়ান সুজন,
    উইন্ডোজ ৭ ইন্সটল করলে অটোমেটিক ১০০ মেগাবাইটের একটি রিজার্ভড পার্টিশন তৈরী হবেই। আমার মনে হচ্ছে একারণেই একটি ড্রাইভ মিসিং গেছে। আপনি ডিস্ক ম্যানেজমেন্ট থেকে পার্টিশনগুলার যদি একটা স্ক্রিনশট দিতেন তাহলে বলতে সুবিধা হয়।

vaia screenshot kivabe dite hoy jana nai…..

disk managment e giye dekhi oi drive ta unlocated kora ase… ki kora jete pare?

vai peresi…. hoye gese.. thanks for your help

sohoj bhasay sundor akti concept deyar jonno dhonnobad.

শাওন যে হারায়া গেলা আর খবর পেলাম না, কেমন আছ? পোস্টটা দুই বছর আগের। কিন্তু এখনো সবকিছুর সাথে যায়। ভাল ব্লগার একাই বলে 🙂

    দিহান ভাই,
    ভাাল আছি ধন্যবাদ। আপানার কি খবর?

    আমি আসলে টেকটিউনস বলে নয়, কোথাও ই তেমন লিখিনা। এমনকি নিজের ব্লগেও লেখার সময় পাচ্ছিনা। আগে ব্লগ লেখাটা একরকম ক্রেজ ছিল। এখন তেমন নেই। তারচে নিজের পড়াশোনা আর ক্যারিয়ার নিয়ে চিন্তা করছি। 🙂

ভাইয়া । একটা প্রশ্ন ।
প্রথমে দুইটার ডিটেইলস দেখেন
WD10EURX-7 1TB HDD
64MB, 5400RPM, 6GB/S
&
TOSHIBA , 1TB , 7200RPM, 32MB.
(Model দেয়া নেই , RYANS এ আছে )
কোনটা ভাল এবং স্পিডি হবে ?
প্লিজ উত্তরটা জরুরী ।

    @মোঃ আসাদউল্লাহ আসাদ: ৫৪০০ আরপিএম এর ডিস্কটার ক্যাশ এবং সাটা স্পীড বেশী। আবার তোশিবার হার্ডডিস্কটার আরপিএম বেশী বলে পারফরমেন্স কিছু বেশী হবে। তবে সামগ্রিক দিক দেখলে WD তা নিতে বলবো। যদিও ডেস্কটপে ৭২০০ আরপিএম এর ডিস্ক বেশী চলে।

ভালো লাগল 🙂