বাড়িতেই বানিয়ে ফেলুন আগুন নিভানোর যন্ত্র খুব সহজে! আর আগুন লাগা মাত্রই আগুন নিভিয়ে ফেলুন!

ঘরোয়া পদ্ধতিতে বাড়িতেই বানিয়ে ফেলুন আগুন নিভানোর মানসম্মমত ও কার্যকারী যন্ত্র

আশাকরি সবাই ভালো আছেন। আমিও ভালো আছি। তবে মনটা একটু খারাপ। আজ দেখলাম আগুন লেগে কত বাড়ি ঘর জ্বলছে। তাই ভাবলাম একটা কম খরচে আগুন নিভানোর যন্ত্র বানালে মন্দ হয় না তাই আপনাদের সাথে টিউনটি শেয়ার করতে চলেছি। তবে চলুন কিভাবে বানাবো শিখে নিই।

একদিন ক্লাসে বন্ধুদের সাথে বসে আড্ডা দিচ্ছি এমন সময় আমাদের বি, এস, সি স্যার মোঃ খাইরুল ইসলাম খান উনি এসে বললেন তোমরা আগুন নিভানো সম্পর্কে ধারনা নিতে চাও? আমরা উচ্চস্বরে বললাম হ্যা, তিনি বলতে লাগলেন যে, কার্বন - ডাইঅক্সাইড এর উপস্থিতিতে আগুন নিভে যায়। তাই আমাদের আগে সর্বপ্রথম কার্বন - ডাইঅক্সাইড তৈরি করতে হবে।

আমরা সবাই জানি সালফিউরিক এসিড আর সোডার দ্রবনে কার্বন ডাইঅক্সাইড তৈরি হয়।

আমরা সোডার দ্রবন আর সালফিউরিক এসিড জোগাড় করবো। সোডা বাজারের মুদির দোকানেই অহরঅহর পেয়ে যাবেন। আর সালফিউরিক এসিড কোনো মেডিসিন চেম্বার বা সাইন্স ল্যাব থেকে পাবেন আশা করছি।

যা যা লাগবেঃ ১. ধাতুর তৈরি একটা পাত্র [কনিক্যাল ফ্লাস্ক এর মত দেখতে অনেকটা]

২. পাত্রটার উচ্চতার মত একটা মোটা ফাপা কাঁচনল

৩. ইন্সি খানেক লম্বা একটা রাবারের নল ও জেট অর্থাৎ কাচের সুচালো মুখ। এটা কাঁচের ড্রপারের মুকটায় থাকবে। বাজারেই পাবেন এটা। কিংবা বাড়িতে কাঁচের টিউব গরম করে টেনে বানিয়ে নিতে পারবেন।

৪. পাত্রের মুখের মাপের রবার কর্ক

৫. সালফিউরিক এসিড এবং কাপড় কাঁচার সোডার দ্রবন।

যেভাবে তৈরি করবেনঃ প্রথমেই কাচের নলের একটা দিক বার্নারের আগুনে পুড়িয়ে সেদিকটা বন্ধ করে নিতে হবে। তারপর নলের মাঝখানটাকে গরম করে আস্তে আস্তে খোলা দিকটা দিয়ে সাবধানে ফু দিয়ে মাঝবরাবর ফুলাতে হবে। ওই ফোলানো দিকটার নিচের থেকে বন্ধ করে সালফিউরিক এসিড ঢালতে হবে পরিমিত। এটা অত্যান্ত সাবধানে করতে হবে। এবার পাত্রটার মধ্যে সোডার দ্রবন গলা পর্যন্ত ঢালতে হবে। রর্বার কর্কের মাঝ বরাবর ফুটো করে তার ভিতর দিয়ে কাচনল প্রবেশ করাতে হবে। এরপর বাইরের অংশের সাথে রবারের নলের সাহায্যে জেটটাকে লাগাতে হবে। সীসার ভার তলায় থাকায় কাচনলটি দ্রবনের ভিতরে সোজা হয়েই থাকবে। কোনো যায়গায় আগুন লাগা মাত্রই পাত্রটাকে একটু ঝাকালেই কাচের নল ফেটে সালফিউরিক এসিড সোডার দ্রবনে দ্রবীভূত হবে। সঙ্গে সঙ্গেই কার্বন ডাইঅক্সাইড উৎপন্ন হয়ে তীর্বগতীতে বেরিয়ে আসবে জেটের মুখ দিয়ে। জেটের মুখ রাবারের হওয়ার কারনে যেদিকে ইচ্ছা বাকানো যাবে। এভাবেই আপনারা আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।

কেনো দরকারঃ আপনার বাড়িতে আগুন লাগলে তা নিবারণ করতে পারবেন। ধরুন আপনার পাশের বাড়ি বা দোকানে আগুন লাগলো আপনি তখন এটি ইমারজেন্সি ব্যবহার করতে পারবেন।

এই ছিলো আজকের টিউন। আশা করি সবাই বুজতে পারছেন। কোনো সমস্যা হলে জানাতে ভুলবেন না। সবার উপকারে আশাকরি। সবাই ভালো থাকবেন আর পরবর্তী টিউনের জন্য অপেক্ষা করুন। আর আমার টিউনার পেজের সাথেই থাকুন। নিজে কপিরাইট পরিহার করুন অন্যকে পরিহার করতে অনুরোধ করুন আল্লাহাফেজ।

Level 0

আমি সাইবার ২১- we work for the safety of the people। বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সৌশল নেটওয়ার্ক - টেকটিউনস এ আমি 4 মাস যাবৎ যুক্ত আছি। টেকটিউনস আমি এ পর্যন্ত 13 টি টিউন ও 7 টি টিউমেন্ট করেছি। টেকটিউনসে আমার 2 ফলোয়ার আছে এবং আমি টেকটিউনসে 9 টিউনারকে ফলো করি।


টিউনস


আরও টিউনস


টিউনারের আরও টিউনস


টিউমেন্টস