আর্থ্রাইটিস/বাঁতের ব্যথা কি এবং এর চিকিৎসা [Animated]

টিউন বিভাগ কী কেন কীভাবে
প্রকাশিত
জোসস করেছেন

আর্থ্রাইটিস হল অস্থিসন্ধি বা জয়েন্টের ইনফ্লামেশন বা প্রদাহ  এবং বাংলাদেশের মত দেশে খুব কমন একটি রোগ। আর্থ্রাইটিসেরঅনেক কারণ থাকতে পারে তবে এদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি হয় অস্টিওআর্থ্রাইটিস, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস এবং গাউট বা যেটাআমাদের দেশে বাঁতের ব্যথা নামে পরিচিত ।

 

গাউট হওয়ার প্রধান কারণ হচ্ছে ইউরিক এসিড যেটা আমাদের দেহে দুটি উপাদান থেকে আসে । হয় এটা আমরা প্রতিদিন যেপ্রোটিন খাই সেখান থেকে আসে অথবা শরীরে নিজে নিজেই তৈরী হয় যখনই এই ইউরিক এসিড শরীর থেকে সঠিকভাবে বেরহতে পারে না, তখনই আমাদের রক্তে এর পরিমান বেড়ে যায়।

এটা তখন আমাদের শরীরের বিভিন্ন জয়েন্ট এবং অন্যান্য জায়গায় জমা হয়। কিন্তু জমা হওয়া এই ইউরিক এসিডকে আমাদেরশরীরের নিজস্ব রোগ প্রতিরোগ ক্ষমতা শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করে। তখন,   আমাদের শরীর তাদেরকে আক্রমণ শুরু করে, যারফলে জয়েন্টে ইনফ্লামেশন বা প্রদাহ,

এক কথায় আর্থ্রাইটিস শুরু হয়  ।

গাউট এর লক্ষণগুলো হল আক্রান্ত স্থানের চারপাশ গরম ও লাল হয়ে যাওয়া, এবং প্রচন্ড ব্যথা। সাধারণত পায়ের আঙ্গুল কনুইএবং হাটু সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়। এছাড়াও রোগটি যখন গভীর পর্যায়ে চলে যায়, তখন হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলি এবং অন্যান্যআঙ্গুলগুলিতেও গাউট হতে পারে।

যদি সঠিক সময়ে গাউট এর চিকিৎসা না করা হয় তখন ইউরিক এসিড জয়েন্টে দলার মত করে জমা হয়, এগুলো কোন  ব্যথাকরে না, কিন্তু জয়েন্ট বা অস্থিসন্ধিগুলোকে বিকৃত করে দেয়।

রোগির ইতিহাস ও রোগের ধরন দেখে রোগ নির্ণয় করা হয়। কিছু ক্ষেত্রে আরো কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন হয়। যেমন রক্তপরীক্ষা, এক্স-রে, জয়েন্ট অ্যাসপিরেশন ইত্যাদি।

গাউটের চিকিৎসার জন্য বেশ কিছু মেডিসিন আছে

কিছু ব্যথানাশক ওষুধ যেমন non-steroidal anti-inflammatory drugs(NSAID) এবং DMARD সবচেয়ে বেশি প্রেসক্রাইবকরা হয়।

আবার যেসব ওষুধ ইউরিক এসিড কে আমাদের শরীর থেকে বের করে দেয় অথবা যেসব ওষুধ আমাদের শরীরে ইউরিক এসিডউৎপাদন কমিয়ে দেয় যেসব ওষুধ ডাক্তাররা পরামর্শ প্রদান করে থাকেন। বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা বলেন যে যাদের গাউট আছেতাদের শরীরে

ইউরিক এসিডের পরিমাণ 6mg/dL এর নিচে রাখা উচিত.

এই লেভেলের নিচে ইউরিক এসিড থাকলে যেসব পেশেন্টের দীর্ঘদিন ধরে বাতের ব্যথা বা গাউট আছে তারা দীর্ঘ সময় ধরেব্যথা বা গাউট থেকে দূরে থাকতে পারবেন।

একটিভ লাইফস্টাইল, ব্যালেন্সড ডায়েট এবং ওজন কমানো একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে পানি একটিপ্রাত্যহিক রুটিন হিসেবে নিয়ে আসতে হবে এবং প্রোটিনের সোর্স হিসেবে মাংস না খেয়ে প্রোটিন খেতে হবে ডেইরি প্রোডাক্টসযেমন দুধ, চিজ বা ইয়োগার্ট থেকে ।

তবে গাউট নিয়ে বেশি চিন্তিত হওয়ার কিছুই নেইঠিকঠাক ডায়াগনোসিস এবং চিকিৎসা পেলে

গাউট এবং গাউট সম্পর্কিত সমস্ত সমস্যা থেকে সমাধান পাওয়া খুবই সম্ভব

Level 0

আমি আব্দুল্লাহ আল জুবায়ের। বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সৌশল নেটওয়ার্ক - টেকটিউনস এ আমি 1 বছর যাবৎ যুক্ত আছি। টেকটিউনস আমি এ পর্যন্ত 2 টি টিউন ও 0 টি টিউমেন্ট করেছি। টেকটিউনসে আমার 1 ফলোয়ার আছে এবং আমি টেকটিউনসে 1 টিউনারকে ফলো করি।


টিউনস


আরও টিউনস


টিউনারের আরও টিউনস


টিউমেন্টস