ADs by Techtunes ADs
ADs by Techtunes ADs

লিনাক্স এবং ওপেন সোর্সের ইতিহাস

টিউন বিভাগ লিনাক্স
প্রকাশিত
জোসস করেছেন

গত প্রকাশনার মাধ্যমে আশাকরি আপনারা লিনাক্স সম্পর্কে ধারনা পেয়েছেন। অনেকেই হয়ত জানেন লিনাক্স একটি ওপেন সোর্স সফটওয়্যার। মনে প্রশ্ন জাগতেই পারে, ওপেন সোর্স মানে কি? ওপেন সোর্স কোথা থেকে এলো? অথবা লিনাক্সের সাথে ওপেন সোর্সের সম্পর্কটাই বা কি?

ADs by Techtunes ADs

শুরুর দিকের কথা –

লিনুস বেনেডিক্ট টরভাল্ডস

শুরু করা যাক একটা ছেলেকে নিয়ে; ১৯৬৯ সালে সাংবাদিক দম্পতি নিল্‌স ও অ্যানার ঘরে জন্ম নেয় একটি ফুটফুটে সোনালী চুলের ছেলে। নোবেল প্রাইজ বিজয়ী আমেরিকান কেমিস্ট “লিনুস পলিং” এর নাম অনুসারে তারা ছেলেটির নাম রাখেন লিনুস বেনেডিক্ট টরভাল্ডস। ছেলেটির দাদা ছিলেন কবি ও সাংবাদিক। ছেলেটি সাংবাদিক ঘরানার দেখে অনেকেই ভেবে নিতে পারেন ছেলেটিও লেখালেখিকে আপন করে নিবে। সে লেখা লেখির জগৎ টাকে আপন করে নিলেও তা ছিলো অন্য রকমের। অর্থাৎ কোড লেখালেখিকে সে আপন করে নিয়েছিলো, তাতেই ছিলো তার মূল আনন্দ। অন্যা‌ন্য ছেলেদের মত খেলাধুলাতে তার কম আগ্রহ ছিলো। অন্যদের ছেলেদের সাথে মিশতেও আগ্রহ তার কম ছিলো। তার দাদার দেওয়া পার্সোনাল কম্পিউটার (কমোডোর ভিআইসি টুয়েন্টি) দিয়ে সে টুকিটাকি প্রোগ্রামিং এর কাজ করত‌ো। প্রোগ্রামিংই ছিলো তার জীবনের বড়ো একটি অংশ

সময়টা ১৯৯১ সাল, তখন লিনুস হেলসিংকি ইউনিভার্সিটির দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। সেসময়ে লিনুস আইবিএম এর ইন্টেল ৩৮৬ প্রসেসরের একটি পার্সোনাল কম্পিউটার কিনে। কম্পিউটারটির সাথে বিল্টইন এমএস ডস অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল করা ছিলো। সে এমএস ডস ব্যবহার করে পুরাপুরি হতাশ হয়ে পড়লো, কারন ইন্টেলের এই প্রসেসরটির সম্পুর্ণ ব্যবহার করার ক্ষমতা সেটির ছিলোনা। সে তার ভার্সিটিতে ইউনিক্স অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করত। নিজের পিসিতে ও ভার্সিটির পিসিতে একই অপারেটিং সিস্টেম থাকলে কাজ করতে সুবিধা হবে ভেবে সে ইউনিক্স কেনার চেষ্টা করে। কিন্তু তখনকার বাজার দরে ইউনিক্সের মুল্য ৫০০০ ডলার হওয়ায় সে ইউনিক্সের আশা ছেড়ে দেয়।

লিনাক্স তৈরীর ইতিহাস –

কিছুসময় পর সে মিনিক্স নিয়ে চিন্তা ভাবনা শুরু করে। মিনিক্স ছিলো ডাচ প্রফেসর এন্ড্রু টনেনবমের লেখা ইউনিক্সের মতই একটি অপারেটিং সিস্টেম। বলে রাখা ভালো এটি ছিলো ইউনিক্সের ক্লোন, তাও আবার পুরোপুরি ক্লোন নয়। প্রফেসর সাহেব অপারেটিং সিস্টেমের ভেতরের খুটিনাটি ছাত্রদের বোঝানোর সময় মিনিক্স ব্যবহার করতেন। এর একটা সুবিধা ছিলো প্রফেসর সাহেবের লেখা “অপারেটিং সিস্টেমঃ ডিজাইন এন্ড ইম্পলিমেন্টেশন” বই টি কিনলে তার সাথে মিনিক্সের ১২০০০ লাইনের সোর্স কোড পাওয়া যেতো। তবে অসুবিধে ছিলো এটির লাইসেন্সে এটিকে পরিবর্তন, পরিবর্ধন, পরিমার্জন করার অনুমতি দেওয়া ছিলো না।

তাছাড়া সম্পুর্ণ অপারেটিং সিস্টেম বলতে যা বোঝায় তা এটি ছিলোনা, এটি ছিলো ছাত্রদের শিক্ষা দেওয়ার একটি উপকরন মাত্র। তবুও লিনুস সেই বই টি কিনে ফেলল। কেনার পর সে টের পেলো মিনিক্স তার চাহিদা পুরন করতে সক্ষম না। তারপর সে এক ভয়ানক সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলল, যা পরবর্তীতে তার জীবন এমনি কি গোটা পৃথিবী কে পাল্টে দেয়। সিদ্ধান্ত টি হলো সে মিনিক্স আর ইউনিক্সের আদলে সম্পুর্ণ নতুন একটি অপারেটিং সিস্টেম তৈরী করবে।

মুক্ত সফটওয়্যার ও রিচার্ড স্টলম্যান –

সেই অপারেটিং সিস্টেম সম্পর্কে বলার আগে আরেক জনের কথা বলা দরকার, যার কারনে ওপেন সোর্স সফটওয়্যারের জোয়ার শুরু হয়েছে। অনেকেই হয়তোবা তাকে চিনেন, তার নাম হচ্ছে রিচার্ড স্টলম্যান। আশির দশকে কমার্শিয়াল সফটওয়্যার কোম্পানী গুলো বিভিন্ন প্রোগ্রামার দের মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে তাদের হাতে নেওয়া শুরু করে। সেই সাথে তারা সফটওয়্যারের কোড গোপন করা শুরু করে, অর্থাৎ আমার আপনার মত মানুষ বুঝতে বা জানতে পারবে না যে সফটওয়্যারটা কিভাবে তৈরী হলো।

সাধারণ মানুষ তখন টাকা দিয়ে সফটওয়্যার কিনে সেটিকে ব্যবহার করতে পারত। এর সোর্স কোড নিয়ে ঘাটাঘাটি করতে গেলে পড়ে যেতো “কপিরাইট” নামক আইনের ঝামেলায়। অর্থাৎ আপনার টাকা থাকলে আপনি সফটওয়্যার কিনে ব্যবহার করতে পারবেন, অথবা সফটওয়্যার ব্যবহারের কোন অধিকার আপনার নেই।

স্টলম্যানের তখন এইসব ধরা বাধা পছন্দ ছিলো না। তার কথা হচ্ছে সফটওয়্যার হতে হবে মুক্ত, বিনামূল্যে ও আইনের ধরাবাধা বিহীন। যেন সবাই সফটওয়্যার কে নিজের মত করে সাজিয়ে নিয়ে ব্যবহার করতে পারে। এতে অবশ্য সফটওয়্যারটির লাভই বেশি, কারন সেটির উন্নয়ন আরো দ্রুততর হবে।

মুক্ত সফটওয়্যার যেভাবো আসলো –

স্টলম্যান তার মত চিন্তা ভাবনার মানুষজন কে নিয়ে শুরু করলেন একটি সঙ্গঠন, যার নাম দিলেন GNU (গ্নু)। তিনি ও তার সংগঠন মুক্ত সফটওয়্যার লেখার কাজে নেমে পড়লেন। কিন্তু সফটওয়্যারের সাথে সাথে তারা একটি অপারেটিং সিস্টেমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করতে লাগলেন। কিন্তু অপারেটিং সিস্টেম তৈরীর জন্য আরো সফটওয়্যার দরকার, বিশেষ করে একটি কম্পাইলার তো অতি জরুরী। তিনি অল্প দিনেই একটি কম্পাইলার লেখার কাজ শেষ করেন। যার নাম দিলেন গ্নু সি কম্পাইলার যাকে আমরা জিসিসি (GCC) নামে চিনি। জিসিসি নামক অস্ত্র হাতে নিয়ে তিনি নেমে পড়লেন কার্নেল লেখার কাজে। এই সময়ে তিনি গ্নু হার্ড (GNU/HURD) নামক একটি কার্নেল তৈরীও করে ফেলেন। কিন্তু সেটি ডেভেলপারদের মাঝে তেমন সাড়া ফেলতে সক্ষম হয়নি।

ADs by Techtunes ADs

অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতেই পারে গ্নু মানে কি? গ্নু অর্থ হলো GNU IS NOT UNIX অর্থাৎ গ্নু ইউনিক্স নয়। গ্নু সফটওয়্যার গুল‌ো উইনিক্স সিস্টেমের মতো করে তৈরী করা হলেও তা ইউনিক্স নয় তা বোঝানোর জন্যই হয়ত এই নামটি তারা ব্যবহার করেছিলেন।

যাই হোক, তখনও ওপেন সোর্স সফটওয়্যার আন্দোলন সফল হওয়ার জন্য সবচেয়ে দরকারী ছিলো একটি অপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম, যার জন্য দরকারী ছিলো একটি ওপেন সোর্স কার্ণেল।

যেভাবে লিনাক্স তৈরী হলো –

এখন আমরা ফিরে আসতে পারি লিনুস নামক ছেলেটির গল্পে। সে অপারেটিং সিস্টেমে যোগ করল স্টলম্যানের গ্নু ব্যাশ শেল (টেক্স বেজড ইন্টারফেস তৈরীর জন্য) আর গ্নু সি কম্পাইলার (কম্পাইলার হিসেবে)। সে চাইলো তার এই অপারেটিং সিস্টেম সম্পর্কে মিনিক্স ইউজার গ্রুপে জানাতে। কিন্তু মনে ভয় কাজ করছিলো, যাতে আবার সকলের হাসির পাত্র না হয়ে যায়। আবার সে এটাও বুঝতে পারছিলো সবাইকে জানালে হয়ত সে তার অপারেটিং সিস্টেমের ব্যাপারে সাহায্য পাবে। অবশেষ লিনুস গ্রুপে একটি ইমেইল টিউন করেই ফেলল। টিউন করার পর সে অকল্পনীয় সাড়া পেলো। লিনুস নামক ভার্সিটি পড়ুয়া ছেলেটির শখের বশে তৈরী অপারেটিং সিস্টেম গোটা পৃথিবীতে বিশাল পরিবর্তন আনবে তা হয়ত সে নিজেও কল্পনা করতে পারেনি।

১৯৯১ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সেই অপারেটিং সিস্টেমের ০.০১ ভার্সন বের হয়। ধিরে ধিরে অন্য ডেভেলপাররা জড়ো হতে থাকে। তারা সেই অপারেটিং সিস্টেমটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাতে থাকে। তারা নিজের সুবিধা মতো পরিবর্তন, পরিবর্ধন করে পরবর্তী ভার্শনটি লিনুস কে পাঠাতে থাকে। সেই বছরেই ৫ই অক্টোবর লিনুসের অপারেটিং সিস্টেমের প্রথমবার অফিসিয়াল ভাবে মুক্তি দেওয়া হয়, যার ভার্সন ছিলো ০.০২। কয়েক সপ্তাহ পর বের হলো ভার্সন ০.০৩। সেই বছরের ডিসেম্বরেই মুক্তি পায় ভার্সন ০.১০।

তারপর থেকে এখন পর্যন্ত চলছেই সেই যাত্রা। প্রতি রিলিজে সেটি আরো উন্নত হচ্ছে। কয়েক লাইনে লেখা কোড টি এখন কয়েক মিলিয়নে গিয়ে দাড়িয়েছে, প্রতিসপ্তাহে গড়ে হাজার হাজার নতুন লাইন যুক্ত হচ্ছে।

লিনাক্সের নামকরণ ও লোগো –

এবার আসা যাক অপারেটিং সিস্টেমটির নাম করনে। লিনুসের ইচ্ছে ছিলো তার অপারেটিং সিস্টেমের নাম হবে “ফ্রিক্স” (Freaks) যা “Free”, “Freak” আর “Unix” তিনটা শব্দের সম্মিলিত একটি রুপ। কিন্তু তার বন্ধু ও সহকর্মী অ্যারি লোঙ্কের নামটি পছন্দ হয়নি। সে ইউনিভার্সিটির এফটিপি সার্ভারে সেই ফাইল টি লিনাক্স নামক একটি ফেল্ডারে রেখে দিলো। সেই থেকে অপারেটিং সিস্টেমটির নাম হয়ে গেলো লিনাক্স। লিনাক্স মানে “linus’s Unix” (লিনুসের ইউনিক্স)।

আপনারা নিশ্চই লিনাক্সের লগো দেখেছেন? লগোটি কিভাবে এলো জানেন?
লিনুস একবার অবকাশে সাউদার্ন হোমিস্ফিয়ারে ছুটি কাটাতে গিয়ে একটি পেঙ্গুইনের কামড় খেয়েছিলো। সেই থেকে তার মাথায় পেঙ্গুইনের আইডিয়া আসে। একটি মোটাসোটা পেঙ্গুইন ভুড়ি উচু করে দুই পা ছড়িয়ে মাটিতে বসে আছে। সেটাই হবে লিনাক্সের লোগো। অনেকেই আপত্তি দেখালেও এটি লিনুসের পছন্দ বলে কথা! এটিকে আমরা এখন টাক্স (Tux) নামে চিনি।

অবশেষে আমরা বলতেই পারি, গ্নু ও লিনাক্স একে অপরের পরিপূরক। একটি কার্নেল কে পুর্ণাঙ্গ অপারেটিং সিস্টেম হতে হলে যেরকম কিছু সফটওয়্যার দরকার, সেরকম ভাবে সফটওয়্যার গুলোকে চালানোর জন্য একটি কার্নেল দরকার। তাই আমরা চাপে পড়ে হোক আর স্ব ইচ্ছায় হোক লিনাক্স কে গ্নু / লিনাক্স বলে ডাকি। পরবর্তীতে কোনো এক সময় বহুল পরিচিত লিনাক্স ডিস্ট্রো গুলো নিয়ে কথা বলব ইনশাআল্লাহ।

মূলত আমরা কয়েকজন মিলে একটি লিনাক্স সিরিজ টিউন বানানোর চেষ্টা করব। এই পর্ব গুলোতে আপনাদের ধারণা পরিবর্তন হলে আমাদের সকল সিলেবাস প্রকাশ করা হবে আমাদের চেইন টিউনে। সম্পূর্ণ ফ্রি টিউন পেতে টেক-টিউনের সাথে থাকুন।

যাদের টিউনে সমস্যা থাকবে তারা আমার ইউটিউব চ্যানেল থেকে ভিডিও দেখেও শিখতে পারেন। আমাদের ভিডিও গুলো পেতে সাবস্ক্রাইব করতে পারেন।

ADs by Techtunes ADs

ADs by Techtunes ADs
Level 0

আমি মোনারুল ইসলাম। বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সৌশল নেটওয়ার্ক - টেকটিউনস এ আমি 6 বছর 1 মাস যাবৎ যুক্ত আছি। টেকটিউনস আমি এ পর্যন্ত 18 টি টিউন ও 50 টি টিউমেন্ট করেছি। টেকটিউনসে আমার 1 ফলোয়ার আছে এবং আমি টেকটিউনসে 0 টিউনারকে ফলো করি।


টিউনস


আরও টিউনস


টিউনারের আরও টিউনস


টিউমেন্টস

প্রিয় টিউনার ব্যাকডোর ঢাকা,

টেকটিউনসে অরিজিনাল ও ইউনিক টিউন করে আপনি টেকটিউনস থেকে ‘ট্রাসটেড টিউনার’ ব্যাজ পেতে পারেন। আপনি মৌলিক, অরিজিনাল ও ইউনিক টিউন ১০ টি প্রকাশ করে টেকটিউনস থেকে ‘ট্রাসটেড টিউজার ব্যাজ’ অর্জন করতে পারবেন।

ট্রাসটেড টিউনার হতে ও ট্রাসটেড টিউনারশীপ বজায় রাখতে আপনার পরবর্তি টিউন গুলো নিচের বৈশিষ্ঠ্য সম্পন্ন হতে হবে:

  1. প্রথমত আপনার টিউন হতে হবে অরিজিনাল কন্টেন্ট। কোন ধরনের কন্টেন্টকে টিউনস এ অরিজিনাল কন্টেন্ট হিসেবে বিবেচনা করা হয় তা জানুন টেকটিউনস গাইড লাইন থেকে।
  2. আপনার টিউন হতে হবে সম্পূর্ণ কপিপেস্ট কন্টেন্ট মুক্ত অরিজিনাল কন্টেন্ট । টিউনে একটি বাক্য ও কপিপেস্ট হওয়া যাবে না। কপিপেস্ট কন্টেন্ট ও প্লেজারিজম (Plagiarism) ডিটেক্ট এর জন্য টেকটিউনস, এন্টি কপিপেস্ট ও এন্টি প্লেজারিজম (Plagiarism) টুল ব্যবহার করে যার মাধ্যমে কপিপেস্ট ও প্লেজারিজম (Plagiarism) কন্টেন্ট সিস্টেম থেকে সংয়ক্রিয় ভাবে Detect হয়। আপনার যে কোন একটি Single টিউনে একটি বাক্যও কপিপেস্ট হলে টেকটিউনসের কপিপেস্ট ও প্লেজারিজম (Plagiarism) Detection Mechanism তা ডিটেক্ট করবে এবং আপনি আপনার ট্রাসটেড টিউনার ব্যাজ হারাবেন।
  3. আপনার টিউনের গড় শব্দ সংখ্যা হতে হবে ৩০০। আপনার টিউনের গড় শব্দ ৮০০ হলে আপনি স্প্যাশাল ব্যাজ পাবেন।
  4. টিউনের বিন্দু মাত্র অংশ গুগল ট্রান্সলেশন বা মেশিন ট্রান্সলেশন ব্যবহার করে বাংলা যোগ করা যাবে না। টিউনের ভাষায় কোন রকম আক্ষরিক অনুবাদের ভাষা ও অনুবাদের ফলে ভাষার অসামঞ্জস্যতা, এক বাক্যের সাথে অন্যবাক্যের মিল না থাকা এরকম একটি বাক্যও থাকা যাবে না।
  5. আপনার প্রকাশিত সকল টিউন হতে হবে টেকটিউনস টিউন গাইডলাইন মোতাবেক

আপনার কোন একটি Single টিউন টেকটিউনস টিউন গাইডলাইন ভঙ্গ করে নেগেটিভ র‌্যাংক পেলে আপনার ট্রাসটেড টিউনারশীপ সাথে সাথে বাতিল হয়ে যাবে।

টেকটিউনসের ‘ট্রাসটেড টিউনার’ হলে আপনি টেকটিউনস থেকে যে সুবিধা গুলো পাবেন:

  1. ‘ট্রাসটেড টিউনার’ হলে আপনি ‘টেকটিউনসের মনিটাইজেশন’ প্রোগোামের মাধ্যমে টিউন, ভিডিও টিউন, অডিও টিউন, ফটো টিউন তৈরি করে, নিয়মিত কন্টেন্ট তৈরি করে Earn বা আয় করতে পারবেন।
  2. আপনি আপনরা টিউনার প্রোফাইল থেকে আপনার Earning History দেখতে পারবেন।
  3. আপনার একাউন্ট প্রোফাইল থেকে প্রতি মাসের শেষ শনিবার টাকা Withdraw করতে পারবেন।
  4. ‘ট্রাসটেড টিউনার’ হলে আপনার প্রকাশিত সকল টিউন টেকটিউনসে প্রকাশের সাথে সাথে টেকটিউনসের সকল সৌশল চ্যানেল গুলোতে সাথে সাথে স্বয়ক্রিয় ভাবে প্রকাশিত হবে।
  5. আপনার টিউনের টিউন র‌্যাংক স্বয়ংক্রিয় ভাবে বৃদ্ধি পাবে।
  6. টেকটিউনস মনিটাইজেশন টিম এর প্রতি শনিবার আয়োজিত নিয়মিত মিটিং এ অংশ গ্রহণ করতে পারবেন। ডিজিটাল কন্টেন্ট তৈরির নিত্যনতুন বিষয় নিয়ে  ওয়ার্কশপ, আড্ডা, আলোচনা, বেইন স্ট্রমিং করতে পারবেন।

টেকটিউনস ‘ট্রাসটেড টিউনার’ দের টিউন ফলো করে টিউন করুন:

টেকটিউনস থেকে আর্ন করতে হলে আপনাকে ট্রাসটেড টিউনারদের মত মৌলিক, অরিজিনাল, কপিপেস্টমুক্ত, দারুন ইমেইজ ও ছবি সমৃদ্ধ, টেকটিউনসের সঠিক ও সুন্দর স্ট্যান্ডার্ড টিউন ফরমেটিং গাইডলাইন মোতাবেক ফরমেটিং করে, যে কোন ধরনের অ্যাফিলিয়েট, রেফারাল লিংক মুক্ত, ইউনিক টিউন করতে হবে। টেকটিউনসে কি ধরনের কোয়ালিটি টিউন কিভাবে করে নিজের ফলোয়ার বাড়াবেন ও আর্ন করবেন তা প্র্যাকটিক্যালি শিখতে টেকটিউনস এর ‘ট্রাস্টেড টিউনারদের’ সকল টিউন গুলো দেখুন ও শিখুন এবং তাঁদের মত করে টিউন করুন।

  1. টেকটিউনস ট্রাস্টেড টিউনার ১
  2. টেকটিউনস ট্রাস্টেড টিউনার ২
  3. টেকটিউনস ট্রাস্টেড টিউনার ৩

আপনি ট্রাসটেড টিউনারদের মত

  1. মৌলিক, অরিজিনাল
  2. কপিপেস্টমুক্ত
  3. দারুন ইমেইজ ও ছবি সমৃদ্ধ
  4. ভিজিটর এনগেজিং কন্টেন্ট ও শিরোনাম যুক্ত
  5. টেকটিউনসের সঠিক ও সুন্দর স্ট্যান্ডার্ড টিউন ফরমেটিং গাইডলাইন মোতাবেক ফরমেটিং করে
  6. যে কোন ধরনের অ্যাফিলিয়েট, রেফারাল লিংক মুক্ত

ইউনিক ১০ টি টিউন প্রকাশ করলে টেকটিউনস থেকে আপনাকে ‘ট্রাসটেড টিউনার ব্যাজ’ দেওয়া হবে এবং আপনার একাউন্টে টেকটিউনস মনিটাইজেশন চালু করে দেওয়া হবে। টেকটিউনস মনিটাইজেশন চালু হলে আপনি স্ট্যান্ডার্ড টিউন (টিউন), ভিডিও টিউন (ভিউন), অডিও টিউন (ওউন), ফটো টিউন (ফিউন) তৈরি করে টেকটিউনস থেকে আর্ন করতে পারবেন এবং আপনার একাউন্ট প্রোফাইল থেকে প্রতি মাসের শেষ শনিবার টাকা উত্তলোন করতে পারবেন।

ট্রাসটেড টিউনার ব্যাজ’ এর জন্য টেকটিউনস ডেস্কে আবেদন করুন

আপনি পরবর্তী ১০ টি টিউন ‘টেকটিউনস ট্রাসটেড টিউনার’ এর মত করে টিউন প্রকাশ করে ‘ট্রাসটেড টিউনার ব্যাজ’ এর জন্য টেকটিউনস ডেস্কে আবেদন করুন। টেকটিউনস SiteOps Team আপনার টিউনগুলো রিভিউ করে আপনাকে ট্রাসটেড টিউনার ব্যাজ প্রদান করবে।

  • মনে রাখবেন পরবর্তী ১০ টি টিউন ট্রাসটেড টিউনার এর মত টেকটিউনসের সকল গাইড লাইন মেনে প্রকাশ করে টেকটিউনস ডেস্কে আবেদন করতে হবে।
  • আপনার টিউনার একাউন্টে যদি পূর্বের এমন কোন টিউন থাকে যা টেকটিউনস গাইডলাইনকে ভঙ্গ করে তবে তার প্রতিটি টিউনের শিরোনাম সহ টিউনের লিংক আপনার আবেদনে উল্লেখ করুন। টেকটিউনস SiteOps Team টিউন রিভিউ করার সময় টেকটিউনস গাইডলাইনকে ভঙ্গ করা টিউন গুলো Private করে দিবে এবং ট্রাসটেড টিউনার ব্যাজ প্রদান করবে।
  • আপনার কোন একটি Single টিউনে টেকটিউনসের গাইডলাইন মোতাবেক না করে গাইডলাইন ভঙ্গ করে টিউন করে ট্রাসটেড টিউনার এর জন্য আবেদন করলে। আপনার টিউনার একাউন্ট বাতিল হবে।
  • ট্রাসটেড টিউনার ব্যাজ পাবার পর কোন একটি Single টিউন টেকটিউনস গাইডলাইন মোতাবেক না করে টেকটিউনস গাইডলাইন ভঙ্গ করে টিউন করলে সাথে সাথে আপনার ‘ট্রাসটেড টিউনার ব্যাজ’ রিমুভ করা হবে।

টেকটিউনস সৌশল নেটওয়ার্ক কীভাবে কাজ করে তা জানতে এই টিউনটি পড়ুন এবং টেকটিউনসে টিউন করতে কি কি বিষয় মেনে টিউন করতে হয়, কোন কোন বিষয় মেনে টিউন করলে আপনার টিউন র‌্যাংক করবে বেশি ফলোয়ার পাওয়া যাবে তা জানতে এই টিউনটি পড়ুন।

ধন্যবাদ।