ADs by Techtunes ADs
ADs by Techtunes ADs

পাওয়ারপয়েন্ট ২০১০ শুরু থেকে শেষ [পর্ব-০২] :: ব্যাকস্টেজ (অফিস মেন্যু) সমগ্র

পাওয়ারপয়েন্ট ২০১০ শুরু থেকে শেষ

আসসালামু আলাইকুম,

ADs by Techtunes ADs

সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ আমার প্রথম টিউনে সুন্দর মতামত ও পরামর্শ দেওয়ার জন্য।

চেইন টি উনের পর্ব-০০২ তে আজ আলোচনা করব ব্যাকস্টেজ এর অধীন ফিচারগুলো নিয়ে। তাহলে শুরু করা যাক।

Save: ব্যাকস্টেজ এ গিয়ে Save এ ক্লিক করলে Save as ডায়ালগ বক্স আমাদের সামনে দৃশ্যমান হয়। এই বক্সের File name অংশে আপনি যে নামে ফাইলটি সেভ করবেন তা লিখুন। Save as type এর ডানপাশে black down arrow তে ক্লিক করলে ফাইল টাইপ মেনুটি ওপেন হবে। এখান থেকে PowerPoint presentation  অথবা PowerPoint 97-2003 presentation  এর যেকোন একটি সিলেক্ট করুন। তবে আপনি যদি ফাইলটি অন্য কোথাও নিতে চান বা কাউকে মেইল করে পাঠাতে চান তাহলে অবশ্যই ২য় অপশানটি সিলেক্ট করুন। কারন, সবাই হয়তো অফিস ২০১০ ব্যবহার নাও করতে পারেন।

উপরের চিত্রের (১) চিহ্নিত স্থানে গিয়ে ফাইলটি যেখানে সেভ করবেন তা সিলেক্ট করবেন তা সেট করে নিচে সেভ বাটনে ক্লিক করুন। ফাইল টি সেভ হয়ে গেল।

Save as: এই কমান্ডটি আমরা ব্যবহার করি মূলত মূল ফাইলটি অক্ষত রেখে অন্য একটি ফাইলটি তৈরি করে এডিট করার জন্য। Save as কমান্ডটি প্রয়োগ করে অন্য একটি নাম দিয়ে ফাইলটি সেভ করে প্রয়োজনীয় এডিট করুন। সম্পূর্ন প্রক্রিয়াটি সেভ যেভাবে করে ঠিক সেরকম।

Save করার জন্য কী-বোর্ড কমান্ডঃ Ctrl + S

Save as এর কী-বোর্ড কমান্ডঃ F12

Open: Backstage/File menu থেকে Open এ ক্লিক করে অথবা কী-বোর্ড Ctrl+O চেপে আপনি ফাইল ওপেন করতে পারেন। এক্ষেত্রে ওপেন ডায়ালগ বক্স আসার পর ফাইল যেখানে আছে সেখানে গিয়ে ফাইল সিলেক্ট করে ওপেন এ ক্লিক করুন বা ফাইলটিতে ডাবল ক্লিক করলে ফাইলটি ওপেন হয়ে যাবে।

ADs by Techtunes ADs

Close: পাওয়ারপয়েন্টে যদি একাধিক ফাইল ওপেন করা থাকে তাহলে এই কমান্ডটি প্রয়োগ করে আপনি একটিভ ফাইলটি ক্লোজ করতে পারেন। ব্যাকস্টেজ এ গিয়ে close এ ক্লিক করুন বা কী-বোর্ড থেকে Ctrl+w চাপুন।

New: পাওয়ারপয়েন্ট ২০১০ এ নতুন একটি ফাইল তৈরি করতে New তে ক্লিক করুন অথবা কী-বোর্ড থেকে Ctrl+N চাপুন। নিম্নের ডায়ালগ বক্সটি ওপেন হবে।

উপরের চিত্রে (১) চিহ্নিত স্থান থেকে Blank presentation select করে চিত্রে (৩) চিহ্নিত স্থানে Create এ ক্লিক করুন। নতুন ফাইল তৈরি হবে। এছাড়া Home এর অধীনে বিভিন্ন ডিফল্ট টেম্পলেট ব্যবহার করে আপনি কাজ করতে পারেন।

উপরের চিত্রে (২) চিহ্নিত স্থানে Office.com template ব্যবহার করেও আপনি কাজ করতে পারেন। তবে Office.com template ব্যবহার করতে হলে অবশ্যই ইন্টারনেট কানেকশান একটিভ থাকতে হবে। কারন অফিস টেম্পলেট এ ক্লিক করলে সেটি আগে ডাউনলোড হবে তারপর আপনার ব্যবহার উপযোগী হবে।

Print: Backstage/File menu থেকে Print এ ক্লিক করুন অথবা কী-বোর্ড থেকে Ctrl+P চাপুন। নিম্নের ডায়ালগ বক্সটি ওপেন হবে।

চিত্রে (১) চিহ্নিত স্থানে যতকপি প্রিন্ট করবেন তার সংখ্যা লিখে দিন।

চিত্রে (২) চিহ্নিত স্থানে প্রিন্টার সেট করতে ভূলবেননা।

চিত্রে (৩) চিহ্নিত সেটিংস এ প্রথমেই কোন কোন স্লাইড প্রিন্ট করবেন তা সেট করুন। যদি সব স্লাইড প্রিন্ট না করেন তবে Slides অংশে স্লাইড নাম্বার সেট করতে পারেন এভাবে..১,৩,৪-৭, ১০,  ১২, ১৬-২০।

ADs by Techtunes ADs

এরপরের অপশানে একটি পেজে কয়টি স্লাইড প্রিন্ট করবেন তা সেট করুন।

এরপরের অপশনে কিভাবে স্লাইডগুলো প্রিন্ট হবে তা সেট করুন। যেমনঃ ১-৫ এই ৫টি স্লাইড ৪কপি করবেন। এগুলো ১,২,৩,৪,৫ এইভাবে প্রিন্ট হবে নাকি ১নং স্লাইড ৪টি, ২নং স্লাইড ৪টি এভাবে প্রিন্ট হবে সেট করুন। প্রথম অপশানের জন্য Collated, ২য় অপশানের জন্য Uncollated  নির্বাচন করুন।

সবশেষে কালার সেট করুন। রঙীন নাকি সাদাকালোতে প্রিন্ট করবেন।

চিত্রে (৪) চিহ্নিত স্থান থেকে স্লাইডের হেডার ও ফুটার সেট করুন।

চিত্রে (৫) চিহ্নিত স্থানে Page preview দেখুন এরো গুলো ব্যবহার করে।

চিত্রে (৬) চিহ্নিত স্থান থেকে স্লাইডগুলোকে ছোট/বড় করে দেখুন।

চিত্রে (৭) চিহ্নিত স্থানে স্লাইডগুলোকে উপর/নীচ করে দেখুন।

Info: Info ডায়ালগ বক্স থেকে ফাইলটি সমস্ত তথ্য দেখতে পারে। ডায়ালগ বক্সটি দেখুন।

এখানে যে ৩টি অপশান আছে প্রথম অপশনটি আমরা ব্যবহার করে থাকি ফাইলটির সিকিউরিটি পাসওয়ার্ড দেওয়ার জন্য। এখানে Protect presentation

ADs by Techtunes ADs

এ ক্লিক করুন। মেনু থেকে Encrypt with password এ ক্লিক করুন। পরপর দুইবার পাসওয়ার্ডটি দিয়ে ok করুন।

চিত্রে (২) চিহ্নিত স্থানে দেখুন আপনার ফাইলটির সব তথ্য।

Recent: এখানে আপনার কাজ করা সাম্প্রতিক ফাইলগুলো তালিকা সুন্দরভাবে সাজানো থাকে ফাইলগুলো লোকেশান সহ। বামপাশে Recent presentation ডানপাশে Recent places তালিকা দেখুন নিম্নের ডায়ালগ বক্সে।

মজার বিষয় হলো লিস্টগুলোর পাশের পিনে ক্লিক করে আপনি লিস্টগুলোকে আপনার প্রয়োজন অনুসারে রি-অর্ডার করে সাজাতে পারেন।

Save and send: এখান থেকে আপনি ফাইলটি অন্যান্য ফাইল ফরমেটে সেভ করতে পারেন। এমনটি পাওয়ারপয়েন্ট ফাইলটিকে ভিডিও ফাইলে পরিনত করতে পারেন, সিডির জন্য তৈরি করতে পারেন এবং ইমেইলে অন্যত্র পাঠাতে পারেন। Save and send এর বিভিন্ন অপশানে ক্লিক করলে ডানপাশে সাবমেনু তে আরো তথ্যসম্বলিত বিবরন পাবেন। সে অনুযায়ী কাজ করুন। নিচের চিত্রটি দেখুন।

Help: এই ফিচারে মাইক্রোসফটের আপডেট, সহায়তা ও আপনার ইন্সটল করা প্রোগ্রামটির একটিভেশান সংক্রান্ত তথ্য থাকে।

Options: এই ফিচারে মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট ২০১০ এর ইন্টারফেস ও সম্পূর্ন প্রোগ্রামটির কাস্টমাইজেশান প্রক্রিয়া দেয়া আছে।

ADs by Techtunes ADs

পরবর্তী টিউনে মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট ২০১০ এর ইন্টারফেস পরিচিতি ও কাস্টমাইজেশান পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে আসছি। আশা করি সাথে থাকবেন। ভুলক্রুটি ও পরামর্শ দিবেন কিভাবে আরো সাবলীল করে আপনাদের সামনে তুলে ধরতে পারি।

ধন্যবাদ সবাইকে।

ADs by Techtunes ADs
Level 0

আমি মোঃ সাইফুল। বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সৌশল নেটওয়ার্ক - টেকটিউনস এ আমি 6 বছর 4 মাস যাবৎ যুক্ত আছি। টেকটিউনস আমি এ পর্যন্ত 22 টি টিউন ও 148 টি টিউমেন্ট করেছি। টেকটিউনসে আমার 1 ফলোয়ার আছে এবং আমি টেকটিউনসে 0 টিউনারকে ফলো করি।


টিউনস


আরও টিউনস


টিউনারের আরও টিউনস


টিউমেন্টস

আপনার টিউনটি খুবই সাজানো গোছানো । পুরাটাই প্রফেশনাল মানের । প্রথম থেকেই যেভাবে শুরু করেছেন তাতে মনে হচ্ছে বাকি অংশটুকু শেখার পর আমিও ভালোভাবে শিখতে পারবো আশা করি। এখানে নতুন নতুন কিছু বিষয় শিখলাম তা হচ্ছে password দেওয়া, video তৈরী করা। এই টিউনটি সর্বশেষ পর্যন্ত চালু থাকলে সবচাইতে আমি বেশি খুশি হব। ধন্যবাদ সুন্দর টিউনটির জন্য।

চলুক।

প্রিয় টিউনার,

আপনি ভুল ভাবে আপনার চেইন টিউনের শিরোনাম গুলো দিচ্ছেন। আপনি পর্ব হিসেবে টিউনের শিরোনাম গুলো –

চেইন টিউনের নাম [পর্ব-০১] :: চেইন টিউনের ভিতরের বিষয়বস্তু …

চেইন টিউনের নাম [পর্ব-০২] :: চেইন টিউনের ভিতরের বিষয়বস্তু ….

চেইন টিউনের নাম [পর্ব-০৩] :: চেইন টিউনের ভিতরের বিষয়বস্তু

এর অর্থ প্রথমে চেইন টিউনের নাম, এরপর (স্পেস দিয়ে) স্কয়ার ব্রাকেটের ( [ ] ) মধ্যে পর্ব হাইফেন (-) দিয়ে দুই সংখ্যায় পর্বের নম্বর। স্কয়ার ব্রাকেটের ( [ ] ) ভিতরে কোন স্পেস দিবেন না। এরপর (স্পেস দিয়ে) ডাবল কোলন (::) এর পরে (স্পেস দিয়ে) চেইন টিউনের ভিতরের বিষয়বস্তু॥ এই ফরমেটে চেইন টিউনের শিরোনাম গুলো লিখুন।

এই চেইনের পূর্বের পর্ব গুলোর শিরোনাম গুলোও যদি টেকটিউনস চেইন টিউনের শিরোনাম মোতাবেক করা না থাকে তবে সব গুলো এখনই সংশোধন করুন ও পরবর্তী সকল চেইন টিউনে সঠিক ভাবে চেইন টিউনের শিরোনাম দিন।

টেকটিউনস থেকে আপনার টিউন গুলো চেইন করে দেওয়া হবে। চেইন টিউন কীভাবে প্রক্রিয়া হয় তা জানতে ‘টেকটিউনস সজিপ্র’ https://www.techtunes.co/faq এর ‘চেইন টিউন’ অংশ দেখুন। ধন্যবাদ।

ধন্যবাদ টেকটিউনস সাইট ম্যানেজার। সংশোধন করছি।

শুভ কামনা করছি আপনি এই চেইন টিউন আরো সুন্দর ভাবে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবেন যা আমাদের মত বেসিক ধারনা সম্পন্ন ব্যাক্তিদের powerpoint শেখায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা পালন করবে।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

ধন্যবাদ Shihab khan bhai, রাকিব আল আজাদ ভাই, সুজন ভাই আপনাদেরকে। ইনশাআল্লাহ চেইন সম্পূর্ন করা হবে। আস্তে আস্তে আরও তথ্য সমৃদ্ধ টিউন পাবেন, কথা দিচ্ছি।

প্রিয় টিউনার,

আপনার টিউনটি টেকটিউনস চেইন টিউন হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অভিনন্দন আপনাকে!

টেকটিউনসে চেইন টিউন কীভাবে প্রক্রিয়া হয় তা জানতে টেকটিউনস সজিপ্র এর https://www.techtunes.co/faq “চেইন টিউন” অংশ দেখুন।

নিয়মিত চেইন টিউন করুন। এখন থেকে আপনার নতুন করা চেইন টিউন গুলো টেকটিউনস থেকে চেইন এ যুক্ত করা হবে। চেইন টিউনে যুক্ত হবার ফলে চেইনের প্রতিটি পর্ব একসাথে থাকবে।

চেইনে নতুন পর্ব যুক্ত হলে তা টেকটিউনসের প্রথম পাতায় দেখা যাবে এবং “সকল চেইন টিউনস” https://www.techtunes.co/chain-tunes/ পাতায় চেইন টিউনটি যুক্ত হবে।

নিয়মিত চেইন টিউন করে নতুন নতুন টিউন আপনার চেইনে যুক্ত করুন এবং অসম্পূর্ণ না রেখে আপনার চেইন টিউনে নিয়মিত পূর্ণাঙ্গ রূপ দিন।

মেতে থাকুন প্রযুক্তির সুরে আর নিয়মিত করুন চেইন টিউন!