ADs by Techtunes ADs
ADs by Techtunes ADs

কিভাবে ইউটিউব থেকে আয় করবেন?

ইউটিউব হচ্ছে সবচেয়ে জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং সাইট। বর্তমানে ইউটিউব শব্দটার সাথে পরিচিত নন এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। পড়াশোনা থেকে শুরু করে দৈনন্দিন প্রায় সকল প্রকার কাজে ইউটিউব এর ব্যবহার অতুলনীয়।

ADs by Techtunes ADs

ধরো, কাল তোমার এক্সাম। পড়তে ভালো লাগছে না? ইউটিউব অন করে দেখে ফেলতে পারো সেই বিষয় সম্পর্কিত টিউটোরিয়ালগুলো।

অথবা স্কুলের কোনো সাংস্কৃতিক  অনুষ্ঠান। টিচাররা বলে দিয়েছেন, শাড়ি পরা বাধ্যতামূলক। কিন্তু শাড়ি কিভাবে পরতে হয়? চিন্তা নেই! আছে ইউটিউব।

রোজকার এরকম আরো অসংখ্য ছোটবড় প্রয়োজনে আলাদীনের দৈত্যের মতোন আমাদের পাশে থেকে সাহায্য করে যাচ্ছে ইউটিউব।

সফল ইউটিউবার দেখতে চাইলে আজকাল আর বহিঃবিশ্বে তাকাতে হয়না। আমাদের দেশেই আছেন কয়েকজন বাঘা বাঘা ইউটিউবার যারা তোমার আমার মতোই বাংলা ভাষায় কথা বলেন, গান করেন কিংবা বাংলায় মেতে উঠেন উল্লাসে।

সফল ইউটিউবার হতে চাইলে আপনাকে অবশ্যই ধৈর্য ও সততার পরিচয় দিতে হবে। আপনার ভিডিওর বিষয়বস্তু হতে হবে স্বতন্ত্র। চ্যানেল তৈরি করার সঙ্গে সঙ্গেই হাজার হাজার ভিউ ও সাবস্ক্রাইবার হয়ে যাবে অথবা হাজার হাজার টাকা আয় হবে—এটা ভাবা ঠিক নয়। সফলতার জন্য সময় ও শ্রম দিতে হবে।

ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে কাজ পাওয়ার কিছু কৌশল জেনে নিন।

২. ইউটিউব চ্যানেল খোলা :

প্রশ্ন থাকতে পারে” কী করে ইউটিউবে অ্যাকাউন্ট খুলবো?

খুব সহজ! প্রথমে একটি জিমেইল অ্যাকাউন্ট তৈরি করো। নিজের সঠিক নাম, বয়স এবং ফোন নম্বর দিয়ে। এই অ্যাকাউন্ট দিয়ে ইউটিউবে লগইন করো। সেখানে ‘Create Channel’ পাবে। তার মাধ্যমে নিজের চ্যানেল তৈরি করো। এবার একটি ভালো প্রোফাইল পিকচার এবং কভার ফটো অ্যাড করো। এবং তোমার নিজের ক্যামেরায় তৈরি যে কোনো ফুটেজ আপলোড করো। ব্যস, ৫০ শতাংশ কাজ তৈরি হয়ে গেলো নিমেষেই।

ADs by Techtunes ADs

চ্যানেলের বিষয়

প্রথমেই ঠিক করতে হবে আপনি কোন বিষয় নিয়ে কাজ করবেন। যেমন শিক্ষা, বিনোদন, প্রযুক্তি, রান্না, ফ্যাশন, ভ্রমণ, মজার ভিডিওসহ নানা বিষয় নিয়ে ইউটিউবে চ্যানেল তৈরি করতে পারেন। তবে যেকোনো একটি নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে চ্যানেল তৈরি করলে দর্শকের কাছে তা বেশি গ্রহণযোগ্য হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এখন ভিডিও ব্লগ বা ব্লগিংও বেশ জনপ্রিয়।

চ্যানেলের নাম

আপনার ভিডিওর বিষয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে চ্যানেলের একটি স্বতন্ত্র নাম দিতে পারেন। চ্যানেল ট্যাগ ব্যবহার করুন; যা আপনার চ্যানেলটি খুঁজে পেতে সাহায্য করবে।

৩. ক্ষেত্র নির্ধারণ :

ইউটিউব থেকে অর্থ উপার্জনের ক্ষেত্রে এই ব্যাপারটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

এটি নির্ভর করছে  কোনো ব্যক্তির দক্ষতা, শখ অথবা আগ্রহের উপর। একজন মানুষ কী ধরনের ভিডিও বানাতে পছন্দ করেন বা ভবিষ্যতে এই ধরনের ভিডিও বানানোর ক্ষেত্রে তার নতুন নতুন আইডিয়ার অভাব হবে কিনা, এই বিষয়গুলো মাথায় রেখে বিষয় নির্ধারণ করা উচিত।

তুমি হয়তো  ভালো নাচ জানো অথচ এটি তোমার পরিবারের সদস্যগণ বাদে কেউ জানে না? দেরি না করে এক্ষুণি জানিয়ে দাও বিশ্বকে!

আবার দেখা গেলো কেউ একজন রোজ সন্ধ্যায় তার ছোট ভাই বোন অথবা পাড়ার বাচ্চাকাচ্চাদের পড়ায় এবং তারা খুব মজা করে তার কাছে পড়তে আসে। সেখানে তাদের নানা ধরনের আলাপ আলোচনা, খুনসুটি আর মজা হয়। এই সুন্দর সুন্দর মুহূর্তগুলো সে তুলে ধরতে পারে ইউটিউব এর মাধ্যমে।

ডোমেইন কেনা-বেচা করে আয় করতে পারেন অনেক টাকা।

ADs by Techtunes ADs

বই পড়তে অথবা সিনেমা দেখতে ভালোবাসো? চমৎকার!  এগুলো নিয়ে বানিয়ে ফেলতে পারো মজার মজার রিভিউ।

খুব ভালো মেকআপ করতে জানো? পাড়ায় কোনো অনুষ্ঠান হলেই সবাই দলবেঁধে সাজতে আসে তোমার কাছে? ব্যস হয়ে গেল! ঝটপট বানিয়ে ফেলতে পারো টিউটোরিয়াল ভিডিও। কিংবা দিতে পারো মেকআপ প্রোডাক্ট এর রিভিউ।

তোমার একটা পোষা কুকুর বা বিড়াল আছে এবং তুমি তাকে খুব ভালোবাসো? দেখিয়ে দাও মানুষকে, কিভাবে প্রাণীদের ভালোবাসতে হয়।

৪. মনিটাইজেশন :

ইউটিউব থেকে অর্থ উপার্জন করতে হলে অবশ্যই তোমার চ্যানেলটিকে মনিটাইজেশন করতে হবে।

মনিটাইজেশন শব্দটি এসেছে মনিটাইজ থেকে যার অর্থ কোনো সম্পদ বা ব্যবসায় থেকে আয় করা। ইউটিউব মনিটাইজেশন বলতে বোঝাচ্ছে আমরা যে পরিশ্রম ও মেধা খাটিয়ে ভিডিও আপ্লোড করে অর্থ উপার্জন করছি, সেটাকে। অর্থাৎ ইউটিউবে ভিডিওতে অ্যাড বসানো, এবং এর দ্বারা আয় করাকে বলা হচ্ছে ইউটিউব মনিটাইজেশন।

পূর্বে ইউটিউব মনিটাইজেশন খুবই সহজ ছিলো। চ্যানেল খোলার পরই এটি করা যেতো। কিন্তু কিছু অপ্রত্যাশিত ঘটনা এড়াতে গিয়ে ২০১৮ সাথে ইউটিউব কিছু নতুন নীতিমালা দেয়। মনিটাইজেশন করার পদ্ধতি :

৫:  আয়ের প্রধান প্রধান পদ্ধতি :

এবার চট করে জেনে নিই কী কী উপায়ে আমরা ইউটিউব থেকে আয় করতে পারবো।

*গুগল ইউটিউব অ্যাডসেন্স:

ADs by Techtunes ADs

অ্যাডসেন্স চালু করতে প্রথমেই তোমাকে আবেদন করতে হবে অ্যাডসেন্সের জন্য। এক্ষেত্রে অবশ্যই সঠিক তথ্য দিতে হবে। তবে অ্যাডসেন্স পাওয়ার জন্যে ২০১৮ সালের নিয়ম অনুযায়ী চ্যানেলকে কিছু যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। যেমন: ১ হাজার সাবস্ক্রাইবার ও ৪ হাজার ঘণ্টা ওয়াচ ভিউ এবং সেটা হতে হবে শেষ ১ বছরের ভিতরে। অথাৎ তোমার ইউটিউব চ্যানেলে ন্যূনতম ১ হাজার সাবস্ত্রাইবার থাকতে হবে এবং চ্যানেলের ওয়াচ ভিউ কমপক্ষে ৪ হাজার ঘণ্টা হতে হবে। তুমি যে জি-মেইল দিয়ে
অ্যাডসেন্স এ এপ্লাই করবে সেই জি-মেইলে অবশ্যই তোমার বয়স ১৮ হতে হবে এবং তোমার চ্যানেলের চ্যানেল আইকন থাকতে হবে।

* এফিলিয়েট মার্কেটিং:

বর্তমানে অনলাইনে পণ্যসামগ্রী বিক্রয় করে এমন অনেক প্রতিষ্ঠান আছে।

যেমন: Daraz, Pickaboo সহ আরো এমন অনেক সাইট আছে সেখানে গিয়ে তুমি রেজিস্টেশন করতে পারো। তারপর তারা একটি লিংক পাঠাবে সেই লিংকটি তুমি তোমার ইউটিউব ভিডিও এর ডেসক্রিপশনে দিয়ে ‍দিবে। এরপর তোমার চ্যানেলের এই লিংকে গিয়ে যারা পণ্য কিনবে সেই পণ্যের মূল্য থেকে নির্দিষ্ট  পরিমাণ অর্থ তুমি কমিশন হিসেবে পাবে।

* বিভিন্ন পণ্যের রিভিউ:

বর্তমানে এমন অনেক কোম্পানি আছে যারা এই সুবিধাটি দিয়ে থাকে। ধরো তুমি তোমার কোনো একটি ভিডিওতে তাদের পণ্য সম্পর্কে কয়েক সেকেন্ডের একটা ব্রিফ দিলে। এক্ষেত্রে তাদের পণ্যের প্রচারণা হয়ে যাবে, আর তারা তোমাকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ প্রদান করবে। তবে এই ধরনের অফার শুধুমাত্র মানসম্মত এবং অধিক ভিউ সম্পন্ন ভিডিও মালিকগণ পেয়ে থাকেন।

ফ্রিল্যান্সিং জগতে বাংলাদেশি নারীদের নিয়ে কিছু কথা এবং টিপস।

* স্পন্সরড ভিডিও :

ইউটিউব অ্যাড অথবা অ্যাফিলিয়েট লিংক  হতে যে পরিমাণ আয় করা সম্ভব তার থেকেও বেশি আয় করা সম্ভব শুধু স্পন্সরড ভিডিও পাবলিশ করে। এক্ষেত্রে বিভিন্ন কোম্পানি তাদের প্রোডাক্ট বা সেবার বিক্রয় বৃদ্ধির জন্য তোমার চ্যানেলে প্রোডাক্ট বা সেবাটির স্পন্সরড ভিডিও করার জন্য যোগাযোগ করবে এবং তোমাকে ঐ প্রোডাক্ট বা সেবার বৈশিষ্ট্য ও উপকারিতা তুলে ধরে একটি ভিডিও তৈরি করে তা ইউটিউবে পাবলিশ করতে হবে। এক্ষেত্রে তোমার ফ্যান ফলোয়ার যারা আছেন তারা ওই প্রোডাক্ট সম্পর্কে জানতে আগ্রহী হবে। এর বিনিময়ে কোম্পানি প্রতি মাসে তোমাকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ প্রদান করবে।

তবে সাধারণত অধিক জনপ্রিয় চ্যানেলগুলোই এই ধরনের সুবিধা বেশি পায়।

ADs by Techtunes ADs

আয় বৃদ্ধির কৌশল :

এতোক্ষণ  আমরা ইউটিউবের মাধ্যমে আয় করার উপায়গুলো  জানলাম। এবার জেনে নিই কিছু কৌশল যা ব্যবহার করে আমরা পেতে পারি অধিক আয়।

  • নিয়মিত নিত্য নতুন ভালো মানের ভিডিও আপলোড করার চেষ্টা করতে হবে। তাহলে চ্যানেলের ভিউয়ার  বাড়তে থাকবে।
  • নতুন ভিডিও আপলোড করার পর সাথে সাথে ভিডিওটি সম্পর্কে তার নিচে বর্ণনা দিয়ে দিতে হবে। তাহলে ইউটিউব সহজেই সেই ভিডিওটি সম্পর্কে ধারণা পেয়ে যাবে।
  • ভিডিও পাবলিশ করার পর সামাজিক যোগাযোগের বিভিন্ন মাধ্যম যেমন-ফেইসবুক, টুইটার, ম্যাসেঞ্জার ইত্যাদি সাইটগুলোতে ভিডিওটি শেয়ার করা যেতে পারে।
  • তুমি যে বিষয়ে  ভিডিও তৈরি করেছো এরকম অন্য জনপ্রিয় সাইটগুলোতে তোমার ভিডিওটির লিংক দিয়ে দিতে পারো। এতে করে সেখান থেকেও তোমার ভিডিওতে প্রচুর ভিজিটর পেয়ে যাবে।
  • আরেকটি উপায় হচ্ছে SEO টেকনিক ব্যবহার করা। SEO মানে হচ্ছে Search Engine Optimization. সহজ ভাষায় বলতে গেলে, Google সহ বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনে একটি ওয়েবসাইট প্রোমোট করার টেকনিক হচ্ছে SEO। কোনো লেখা বা ভিডিও সার্চ দেওয়ার পর সেগুলো প্রথম দশটি রেজাল্টের মধ্যে আসাটাকে ধরা হয় সফল SEO। আর এজন্য ছোটখাটো কিছু উপায় ফলো করলেই চলে। যেমন কিছু সুনির্দিষ্ট শব্দ বারবার ব্যবহার করা, কিছু হ্যাশট্যাগ ব্যবহার অথবা এমন কিছু কমন শব্দ ব্যবহার করা যা সকল শ্রেণীর মানুষ সার্চ করার ক্ষেত্রে ব্যবহার করবে।

এবার জানাব কিভাবে ভিডিওটি জনপ্রিয় করা যায় যাবে সাবস্ক্রাইবার বৃদ্ধির মাধ্যমে।

প্রথমতঃ আপনাকে এমন বিষয়ের ওপর ভিডিও বানাতে হবে যার প্রতি বর্তমান দর্শকদের আগ্রহ বেশি এর জন্য আপনি ইউটিউব এ সার্চ করে দেখতে পারেন কোন ক্যাটাগরির ভিডিও এর লাইক সংখ্যা বেশি। সেই ধরনের ভিডিও আপলোড করতে পারলে জনপ্রিয়তা পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকবে।

দ্বিতীয়তঃ ভিডিও এর গাফিক ও সাউন্ড এর মান অবশ্যই যথাসম্ভব উন্নত মানের ও পরিচ্ছন্ন রাখার চেষ্টা করতে হবে, এর জন্য ভালো মানের ক্যামেরা স্পিকার ও এডিটিং সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারেন। মনে রাখবেন দর্শকরা সবসময় একটা পরিচ্ছন্ন ও পরিপাটি ও সুন্দর গ্রাফিক্সের ভিডিও দেখতে পছন্দ করে আপনি নিজেও তাই করবেন এজন্য ভিডিও এরমানের দিকে নজর রাখতে হবে।

তৃতীয়তঃ ভিডিও এর সাবস্ক্রাইবার বৃদ্ধির জন্য এটি অনেক মানুষের কাছে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করতে হবে। এক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোর সাহায্য নিতে পারেন।  আপনার ভিডিও লিংকটি বিভিন্ন যোগাযোগ মাধ্যম যেমন ফেসবুক টুইটার গুগল প্লাস ইত্যাদি শেয়ার করতে পারেন। এতে করে অনেক মানুষের কাছে পরিচিত হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাবে। তখন আপনাকে আপনার ভিডিও পছন্দ করবে। তখনই তারা আপনার ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করবে। আর ভিডিও দেখার জন্য এতে করে সাবস্ক্রাইব করে বৃদ্ধি পাবে আর সাথে চ্যানেলটি জনপ্রিয় হবে।

আর এভাবে আপনি সাবস্ক্রাইবার ও জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির মাধ্যমে নিজেরা এর পরিমাণ বাড়াতে পারবেন এবং সেই সাথে আপনিও হয়ে যেতে পারবেন একজন সফল ইউটিউবার।

চলুন দেখে নেওয়া যাক কয়েকজন সফল সফল ইউটিউবার নাম ও তাদের আয়ের পরিমাণ

শুধু আন্তর্জাতিক নয় বর্তমান আমাদের বাংলাদেশ অনেক সফল  জনপ্রিয় ইউটিউবার রয়েছেন চেষ্টা করলেও ধৈর্য ধরলে আপনিও একজন সফল ইউটিউবার হতে পারবেন

সতর্কতাঃ

শুধুমাত্র জনপ্রিয় হওয়ার জন্য রাঙ্কিং এ থাকা ক্যাটাগরির ভিডিও বানাবেন না।  যদি না আপনার সে বিষয়ে কোনো দক্ষতা না থাকে এমন বিষয় ভিডিও বানাবেন যে বিষয়ে আপনি ভালো পারবেন, বিশ্বাস করেন যে অনেকগুলো ভিডিও এর বিষয়ে ওপর তৈরি করার যোগ্যতা রাখেন। অন্যথায় কখনো সফল হতে পারবেন না।

কপিরাইট ভিডিও আপলোড করা থেকে অবশ্যই বিরত থাকবেন।

ADs by Techtunes ADs

ফ্রিল্যান্সিং/আউটসোর্সিং ট্রেনিং সেন্টারগুলো যে ভাবে প্রতারণা করে।

সবশেষে আমি তোমাদের অনেক জরুরি একটি কথা বলতে চাই। চ্যানেল বানানোর পরপরই কিন্তু হাতে টাকা চলে আসে না। খুব ধৈর্য ধরে এবং আপনভাবে কাজ চালিয়ে যেতে হবে। আর ভুলেও ইউটিউব পলিসিকে আঘাত করে এরকম কোনো ভিডিও শেয়ার করা যাবে না।

যাদের ইউটিউবে অর্থ উপার্জন নিয়ে আগ্রহের সীমা নেই তারা দেরি না করে এখনই  শুরু করে দাও। আর মাথায় রাখতে হবে যে, যেকোনো প্রকার বাধা বিপত্তিতে হাল ছাড়া যাবে না।

ADs by Techtunes ADs
Level 2

আমি চয়ন মোল্লা। বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সৌশল নেটওয়ার্ক - টেকটিউনস এ আমি 7 মাস যাবৎ যুক্ত আছি। টেকটিউনস আমি এ পর্যন্ত 27 টি টিউন ও 0 টি টিউমেন্ট করেছি। টেকটিউনসে আমার 3 ফলোয়ার আছে এবং আমি টেকটিউনসে 17 টিউনারকে ফলো করি।


টিউনস


আরও টিউনস


টিউনারের আরও টিউনস


টিউমেন্টস