স্টিফেন হকিং এর পরকাল তত্ত্ব এবং এই বিষয়ে ইসলাম কি বলে?দেখুন।

আস-সালামু-আলাইকুম।

প্রত্যেক জীব একদিন মৃত্যু বরন করবে।মৃত্যুর পর আল্লাহ তায়ালা মানুষ কে আবার জীবিত করে তার দুনিয়ার কৃতকর্মের হিসাব নিবেন।এটা আমরা সবাই জানি।তাই আমরা আল্লাহ তায়ালার কথা মত পথ চলতে চেষ্টা করছি।আল্লাহ আমাদের হেদায়াত দান করুক।এবার আসি আসল কথায়।

স্টিফেন হকিং কে চিনেন না এমন লোক বর্তমানে পাওয়া দুস্কর।তিনি কিছুদিন আগে বলেছেন পরকাল বলতে কিছু নাই।আসুন আমরা এর বিষয়ে নিচে দেখি ইসলাম এটা নিয়ে কি বলে।

আপেক্ষিকতা সূত্রের (Law of Relativity) উদ্গাতা জন আইনস্টাইনের পর অনেকের নিকট বর্তমান বিশ্বের সেরা পদার্থ বিজ্ঞানী ড. স্টিফেন হকিং (জন্ম : লন্ডন, ১৯৪২), যিনি মধ্যাকর্ষণ শক্তির উদ্ভাবক স্যার আইজাক নিউটনের ন্যায় কেম্ব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘লুকাসিয়ান অধ্যাপক’-এর বিরল সম্মাননায় ভূষিত, তিনি স্বীয় গবেষণা বিষয়বস্ত্ত তথা ফিজিক্স-এর বাইরে গিয়ে মেটাফিজিক্স বা থিওলজি সম্পৃক্ত বিষয় নিয়ে সম্প্রতি এমন কিছু মন্তব্য করেছেন, যা তাঁর সুউচ্চ সম্মানকে কালিমালিপ্ত করেছে। বৃটেনের প্রভাবশালী দৈনিক গার্ডিয়ানের সাথে এক সাক্ষাৎকারে ‘পরকাল’ সম্পর্কে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘মৃত্যুর পরে আর কোন জীবন নেই। স্বর্গ ও নরক মানুষের অলীক কল্পনা মাত্র’। এর আগেও গত বছর তিনি ‘স্রষ্টার অস্তিত্ব ও মহাবিশ্বের শৃংখলা’ নিয়ে তার বই ‘দি গ্রান্ড ডিজাইনে’ অনেক ঔদ্ধত্যপূর্ণ কটাক্ষ করেন। সেখানে তিনি দাবী করেন যে, মহাবিশ্বের অস্তিত্ব ব্যাখ্যার জন্য ঈশ্বর ধারণার কোন প্রয়োজন নেই। তিনি সৃষ্টিকর্তাকে ‘মানব কল্পিত রূপক’ হিসাবে বর্ণনা করেন। হকিং-এর এসব মন্তব্য স্রেফ কল্পনা নির্ভর হলেও যেহেতু তারা বিজ্ঞানী, অতএব তাদের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে থাকেন বহু মানুষ। বিশেষ করে দুর্বল বিশ্বাসী, কপট বিশ্বাসী ও অবিশ্বাসী ব্যক্তিগণ এইসব মন্তব্যগুলিকে তাদের পক্ষে বড় দলীল হিসাবে সোৎসাহে পেশ করে থাকেন।

খৃষ্টীয় অষ্টাদশ ও ঊনবিংশ শতাব্দীতে যথাক্রমে শিল্পবিপ্লব ও বিজ্ঞানের নানামুখী আবিষ্কারে হতচকিত হয়ে সাময়িকভাবে অনেক বিজ্ঞানী বিভ্রান্ত হয়ে গিয়েছিলেন এবং তারা বিশ্ব চরাচরের সবকিছুকে ‘প্রকৃতির লীলাখেলা’ মনে করতেন। কিন্তু এখন তাদের অধিকাংশের হুঁশ ফিরেছে এবং হোয়াইট হেড, আর্থার এডিংটন, জেম্স জীন্স (১৮৭৭-১৯৪৬) সহ বিরাট সংখ্যক বিজ্ঞানী স্থির সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন যে, Nature is alive ‘প্রকৃতি এক জীবন্ত সত্তা’। কেবল জীবন্ত নয়, বরং ডব্লিউ.এন. সুলিভানের ভাষায় বিজ্ঞানীদের বক্তব্যের সার নির্যাস হল, The ultimate nature of the universe is mental. ‘বিশ্বলোকের চূড়ান্ত প্রকৃতি হল মানসিক’। অর্থাৎ সৌরজগত আপনা-আপনি সৃষ্টি হয়নি বা এটা কোন বিগব্যাং বা মহা বিস্ফোরণের ফসল নয় বা অন্ধ-বোবা-বধির কোন ন্যাচার বা প্রকৃতি নয়, বরং একজন প্রজ্ঞাময় সৃষ্টিকর্তার মহা পরিকল্পনার ফসল। আর তিনিই হচ্ছেন ‘আল্লাহ’। যিনি বিশ্ব প্রকৃতির সৃষ্টিকর্তা ও পালনকর্তা। যাঁর পূর্বনির্ধারিত পরিকল্পনায় সবকিছু চলছে {দেখুন সূরা ইউনুস, আয়াত ৩১}।

হাঁ, বিগব্যাং যদি হয়ে থাকে, তবে সেটা দুনিয়ার মানুষ বিজ্ঞানীদের বহু পূর্বে নিরক্ষর নবী মুহাম্মাদ (ছাঃ)-এর মুখ দিয়ে শুনেছে। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেছেন,
‘অবিশ্বাসীরা কি দেখে না যে, আসমানসমূহ ও পৃথিবী (এক সময়) ওতপ্রোতভাবে মিশে ছিলো, অতঃপর আমিই এদের উভয়কে আলাদা করে দিয়েছি এবং আমি প্রাণবান সব কিছুকেই পানি থেকে সৃষ্টি করেছি, (এসব জানার পরও) কি তারা ঈমান আনবে না?’ {সূরা আল আম্বিয়া, আয়াত ৩০}।

অতঃপর পরকাল কেন? কেন মানুষকে পুনরায় সৃষ্টি করা হবে? আল্লাহ বলেন,
‘... নিশ্চয় তিনিই প্রথমবার সৃষ্টি করেছেন, (মৃত্যুর পর) তিনিই আবার তাকে (তার জীবন) ফিরিয়ে দেবেন, যাতে করে যারা (তাঁর ওপর) ঈমান আনে, ভালো কাজ করে, (যথার্থ) ইনসাফের সাথে তিনি তাদের (কাজের) বিনিময় দান করতে পারেন এবং (এ কথাটাও পরিস্কার করে দিতে পারেন,) যারা (আল্লাহ তায়ালাকে) অস্বীকার করে তাদের জন্যে উত্তপ্ত পানীয় ও কঠিন শাস্তি রয়েছে, কেননা তারা (পরকালের এ শাস্তি) অস্বীকার করতো।’ {সূরা ইউনুস, আয়াত ৪}।

আল্লাহ বলেন,
‘(তিনিই সেই মহান সত্তা) যিনি (গোটা) সৃষ্টি (জগত)-কে প্রথমবার পয়দা করেছেন, অতঃপর (কেয়ামতের দিন) তাকে আবার আবর্তিত করবেন, সৃষ্টির (প্রক্রিয়ায়) সে (কাজ)-টি তাঁর জন্যে খুবই সহজ; (কেননা) আসমানসমূহ ও যমীনে সর্বোচ্চ মর্যাদা তো তাঁর জন্যেই নির্ধারিত এবং তিনি মহাপরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।’ {সূরা আর রূম, আয়াত ২৭}।

অদৃশ্য জগতের জ্ঞান বিজ্ঞানীদের নেই। তাই তাদের জ্ঞান অপূর্ণ। সেকারণেই বিজ্ঞানী আইনস্টাইন (১৮৭৯-১৯৫৫) বলেছেন, Religion without science is blind and Science without religion is lame. ‘বিজ্ঞান ব্যতীত ধর্ম অন্ধ এবং ধর্ম ব্যতীত বিজ্ঞান পঙ্গু।’

আজকের হকিংদের ন্যায় সেকালে মক্কার মুশরিক নেতাদের অনেকের ধারণা ছিল যে, মানুষ আপনা-আপনি সৃষ্টি হয়েছে এবং প্রাকৃতিক নিয়মেই তারা ধ্বংস হবে। যেমন আল্লাহ বলেন,
‘এ (মূর্খ) লোকেরা বলে, আমাদের এ পার্থিব দুনিয়া ছাড়া আর কোনো জীবনই নেই, আমরা (এখানেই) মরি বাঁচি, কালের আবর্তন ছাড়া অন্য কিছু আমাদের ধ্বংসও করেনা। (মূলত) এদের এ ব্যাপারে কোনোই জ্ঞান নেই, এরা শুধু আন্দায অনুমানের ভিত্তিতেই কথা বলে।’ {সূরা আল জাছিয়া, আয়াত ২৪}।

আরব নেতারা বলেছিল, ‘আমরা যখন মরে যাবো এবং আমরা যখন মাটি হয়ে যাবো (তখন পুনরায় আমাদের জীবন দান করা হবে), এ তো সত্যিই এক সুদূরপরাহত ব্যাপার!’ {সূরা ক্বাফ, আয়াত ৩}। এ নিয়ে তারা ঝগড়ায় লিপ্ত ছিল। আল্লাহ বলেন,
‘কোন বিষয় সম্পর্কে তারা একে অপরকে জিজ্ঞেস করছে? (তারা কি) সেই (গুরুত্বপূর্ণ) মহাসংবাদের ব্যাপারেই (একে অপরকে জিজ্ঞেস করছে), যে ব্যাপারে তারা নিজেরাও বিভিন্ন মত পোষণ করে; না, (তা আদৌ ঠিক নয়, সঠিক ঘটনা) এরা তো অচিরেই জানতে পারবে, আবারও (তোমরা শুনে রাখো, কেয়ামত আসবেই এবং) অতি সত্বরই তারা (এ সম্পর্কে জানতে পারবে।’ {সূরা আন নাবা, আয়াত ১-৫}।

কি সে মহা সংবাদ? সেটি হল পুনর্জন্মের সংবাদ। কেননা মানবজীবনে সবচেয়ে বড় সুসংবাদ হল জন্মগ্রহণ করা। আর সবচেয়ে দুঃসংবাদ হল মৃত্যুবরণ করা বা বিলীন হয়ে যাওয়া। এ দুনিয়াতে কেউ মরতে চায় না। কিন্তু যে মানুষের জন্য আসমান-যমীন সবকিছু সৃষ্টি হয়েছে, সেই মানুষ গড়ে একশ বছরের মধ্যেই মরে শেষ হয়ে যাচ্ছে। অথচ ইহজীবনে তার আশা-আকাংখার অনেক কিছুই পূরণ হচ্ছে না। তাই এই অস্থায়ী ও অসম্পূর্ণ জগত থেকে চিরস্থায়ী ও পরিপূর্ণ আরেকটি জগতে হিজরত করতে হয়। যেখানে যালেম তার সমুচিত শাস্তি পাবে এবং মযলূম তার যথাযথ পুরস্কার পেয়ে তৃপ্ত হবে। আর সে জগতটাই হল পরজগত। মৃত্যুর পরেই হবে যার শুরু এবং ক্বিয়ামতের দিন হবে যার পূর্ণতা। আল্লাহ বলেন,
‘তোমরা সে দিনটিকে ভয় করো, যেদিন তোমাদের সবাইকে আল্লাহর দিকে ফিরিয়ে নেয়া হবে, সেদিন প্রত্যেক মানব সন্তানকে (জীবনভর) কামাই করা পাপপুণ্যের পুরোপুরি ফলাফল দিয়ে দেয়া হবে, (কারো ওপর সেদিন) কোনো ধরনের যুলুম করা হবে না।’ {সূরা আল বাক্বারা, আয়াত ২৮১}।

আর এটাই হল জগদ্বাসীর প্রতি আল্লাহর সর্বশেষ নাযিলকৃত আয়াত। অতএব যদি পরকাল বিশ্বাস না থাকত, তাহলে সবল ও দুর্বলের হানাহানিতে পৃথিবী বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়ত। অবিশ্বাসীদের সন্দেহ দূর করার জন্যই আল্লাহ স্বীয় নবীকে মেরাজে নিয়ে জান্নাত-জাহান্নাম স্বচক্ষে প্রত্যক্ষ করিয়েছেন। এরপরেও কি হকিংদের চোখ খুলবে না।

হে বিজ্ঞানী স্টিফেন! কোন সে শক্তি যিনি আপনাকে ১৯৬৩ সাল থেকে বিগত ৪৮ বছর যাবত মাথা ব্যতীত পুরা দেহ প্যারালাইসিসে পঙ্গু করে রেখেছেন? দুনিয়ার সকল চিকিৎসা সুবিধা নাগালের মধ্যে থাকা সত্ত্বেও কেন আপনি সুস্থ হতে পারছেন না? আপনার বুকের মধ্যের রূহটা কি কখনো দেখতে পেয়েছেন? ওটা কার হুকুমে এসেছে, আর কার হুকুমে চলে যাবে? আপনি কি ১৯৮৬ সালে শিকাগো শহরে আগের বছরের দেয়া তত্ত্বের ভুল স্বীকার করেননি? বিজ্ঞান স্রেফ অনুমিতি নির্ভর বস্ত্ত নয় কি? অথচ ‘আল্লাহর কালাম সত্য ও ন্যায় দ্বারা পরিপূর্ণ..’ {সূরা আল আন'আম, আয়াত ১১৫}। ঐ শুনুন আপনার সৃষ্টিকর্তার বাণী, ‘(হে মানুষ,) নিশ্চয়ই তোমাদের মালিক হচ্ছেন আল্লাহ তায়ালা, যিনি আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীকে ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর তিনি 'আরশে' সমাসীন হন, তিনি (তার) কাজ (স্বহস্তে) নিয়ন্ত্রণ করেন ... {সূরা ইউনুস, আয়াত ৩}। অতএব তওবা করুন! মুসলিম হয়ে মৃত্যুবরণ করুন!! পরকালে ভাল থাকবেন ইনশাআল্লাহ।

সংগৃহিতঃআত-তাহরীক

Level 0

আমি ওমর ফারুক মুকুট। বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সৌশল নেটওয়ার্ক - টেকটিউনস এ আমি 10 বছর 5 মাস যাবৎ যুক্ত আছি। টেকটিউনস আমি এ পর্যন্ত 86 টি টিউন ও 2101 টি টিউমেন্ট করেছি। টেকটিউনসে আমার 3 ফলোয়ার আছে এবং আমি টেকটিউনসে 0 টিউনারকে ফলো করি।

আমি মুকুট বলছি ঢাকার মানিক নগর থেকে।ভালোবাসি হাসতে।ভালোবাসি ঘুরতে,গান শুনতে ,ছবি দেখতে। অপছন্দ করি বেশি কথা বলতে।সুদ , সিগারেট ও এলকোহল কে ঘৃণা করি।


টিউনস


আরও টিউনস


টিউনারের আরও টিউনস


টিউমেন্টস

অনেকেই সৃষ্টকর্তায় বিশ্বাস করেনা, তাদের কথা তারা যা চোখে দেখবে তা ই বিশ্বাস করবে। কিন্তু তারা খেয়াল করে না মানুষ সব শব্দ যেমন শুনতে পায় না তেমনি সবকিছু চোখে দেখতে পায় না। দেখার ব্যাপারটা এখন প্রমানিত। কিছু বিজ্ঞানী দুনিয়ার একটা মডেল তৈরী করতে গিয়ে দেখেছেন যা কিছু চোখে দেখা যায় তা দিয়ে মডেল স্ট্যাবল হয় না, তাই তারা ধরে নিয়েছেন অনেক কিছুই চোখ দেখতে পায় না, যার নাম দেখা হয়েছে dark matter. মজার ব্যাপার দুনিয়াতে ডার্ক ম্যাটার ৯৬ ভাগ, তার মানে আমরা মাত্র ৪ ভাগ জিনিস দেখতে পায়। এরকম আরো অনেক কিছু আবিষ্কার হবে ভবিষ্যতে, যেমন আবিষ্কার হয়েছিল সময়। সময় আবিষ্কারের আগে কেউ কি জানত সময় বলে কিছু আছে।

লেখা ভাল লেগেছে, ধন্যবাদ 🙂

    ধন্যবাদ।

    কোরআন, রাসূল (সাঃ) ও নবীদের বাণী প্রায় সব কিছুই আজ প্রমাণিত। বিজ্ঞান ও অনেক অমুসলিমরা কোরআন কে সঠিক বলে মেনে নিয়েছে তার পরও হকিং দের মত অনেক মানুষ আছে যারা ইসলাম কে মেনে নেয় না। তখন এইটা মনে করে নিজেকে অনেক lucky মনে হয় যে আমি মুসলিম। আলহামদু লিল্লাহ……
    অনেক ধন্যবাদ এরকম একটা tune এর জন্য……

    আপনাকেও ধন্যবাদ কষ্ট ভাই

অনেক সুন্দর টিউন করেছেন। এজন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

বেশি জ্ঞান অর্জন করলে এ ধরনের কথা বার্তা বলে যেমন: আমাদের মৃত হুমায়ুন আজাদ স্যার, সালমান রুসদী। ধন্যবাদ মুকুট ভাই ইসলাম সম্পর্কে আপনার সুন্দর টিউনের জন্য।

    হুমায়ুন আজাদ স্যার কি এমন লিখেছিলেন যার কারনে তাকে এমন হামলার শিকার হতে হয়েছে?আমার জানা নাই।কিন্তু শুনেছিলাম তিনি ইসলাম কে কটাক্ষ করে কিছু বলেছিলেন।শেয়ার করলে খুশি হব,।

    ধন্যবাদ।

মাশাআল্লাহ… 😀

বাহ চমৎকার !! অসাধারন!!! জটিল… টিউন …ভাবছি কুরানের তাফসীর নিয়ে চেইন টিউন করে যাব । আফটার অল আর কোন সাইট তো নাই তাই টিটিকেই সব খাওয়াব ইনশাল্লাহ

    ধন্যবাদ মুকুটকে। Carry on!

    """"আফটার অল আর কোন সাইট তো নাই তাই টিটিকেই সব খাওয়াব ইনশাল্লাহ"""""

    আপনার কমেন্টা ঠিক বুঝলাম না।ভালো বললেন না টিটকারি মারলেন?আমার তো মনে হয় আপনি খুশি হন নি।আমি কিন্তু এবার বিজ্ঞান ও ইসলাম নিয়েই টিউন করেছি।

    @মুকুট ভাই, বিজ্ঞানের সম্পর্কযুক্ত টিউন বলতে এস.এম.রায়হান ভাইয়ের "ডারউইনবাদীদের নাইটমেয়ার" নামে যে চেইন টিউন চলছে সেই ধরনের লেখাই সবচেয়ে উপযুক্ত টিটির জন্য।আপনি যে লেখাটি এখানে কপি-পেষ্ট করে দিয়েছেন সেটি আপনি কি পড়েছেন?এই লেখাটাতে বিজ্ঞানের সাথে সম্পর্কের চেয়ে নাস্তিক বিজ্ঞানীদের ঘটনাগুলোই বেশী বলা হয়েছে।তার উপর লেখাটা কপি-পেষ্ট।এই ধরনের লেখার জন্য বাংলা অন্যান্য ব্লগ আছে।

    নাইম ভাই………আপনি কি শেষের লাইন এর লেখাটা পড়েছেন?

    """""সংগৃহিতঃআত-তাহরীক""""""

    আমি লেখাটা অন্য যায়গা থেকে সংগ্রহ করেছি তা কিন্তু বলে দিয়েছি।আমি লেখা টা ভালো ভাবে পড়ে তবেই এখানে দিয়েছি।

ভাল লাগল । 🙂

বাংলাদেশে অনেকে একটা কথা বলে থাকে ( যে আমার চেয়ে বেশি বুঝে সে হয়ত চোর আর না হয় পাগল) পদার্থ বিজ্ঞানী ড. স্টিফেন হকিং এর এই অবস্তা আর কি। যিনি ওনাকে এত কিছু বোঝার জ্ঞান দান করেছেন তাকে স্বীকার করে না। মরার পর যখন বাম্বু লাগাবে তখন বুঝবে। Mukut আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

    এখন করবে না।জখন সময় হবে তখন ঠিক ই করবে।কিন্তু তখন করার কিছু থাকবেনা।
    আমির খান এর ভাগ্নে ইমরান খান,সাইফ আলীর বোন সোহা আলী,তারা এক সময় মুসলিম ছিলেন,কিন্তু এখন তারা নামে মুসলমান,কারন কিছুদিন আগে একটা খবর এ পড়লাম তারা ধর্ম তে Belief করেন না.এরাই করেনা আর হকিং তো খৃস্টান।

    Level 0

    দুঃখিত ভাই, তবে আমি বলতে চাই যে, সে যা করছে তার পরিনতি যদি মরার পর দেখতে হয় তাহলে আমাদের এতে কিছু যায় আসে না। কারন সে মারা যাবার পর তার সাথে কি হচ্ছে তার সে এসে বলতে যাচ্ছে না বা পারবেও না। তাই বাম্বু লাগল না লোহা লাগল কোনটাই লেগে কোন লাভ নাই। যদি দেখতে পেতাম (মানব জাতি), বা এসে বলতে পারত যে তার সাথে কি ঘটেছে তাহলে “ ইনি শেষ ষ্টিফেন হকিং হত এবং এর পর অবিস্বাস কোন মানুষ করত না।

    সবাই ধর্মানুরাগী হতেন।

Level 0

যে যত বড় জ্ঞানী সে তত বড় নাস্তিক।

    এটা আসলে আপনার ভুল ধারণা

    কিছু কিছু ক্ষেত্রে হয়।কারন তারা বিজ্ঞান নিয়ে এতই ব্যস্ত থাকে যে ধর্ম নিয়ে ভাবার সময় পায়না।আমি কিন্তু সবাই কে দোষ দিচ্ছিনা।

Level 0

তথ্য বহুল টিউন শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।

Level 0

Thanks Mukut Vai … … …

জানার মত বিষয় শেয়ার করা জন্য ধন্যবাদ।

ভাল লাগলো।

স্টিফেন হকিং বর্তমান বিশ্বের সবচে প্রখ্যাত বিজ্ঞানী। কাজেই তাঁর প্রতি আমাদের শ্রদ্ধাশীল থাকা উচিত। আর বিজ্ঞান অনুমান নির্ভর বিষয়, কথাটা এ ভাবে বলা বোধ হয় ঠিক নয়। এটা ঠিক যে বিজ্ঞানের কিছু থিওরী পরবর্তীতে ভুল প্রমাণিত হয় বা বক্তা নিজেই তা প্রত্যাহার করে। তাই বলে বিজ্ঞানকে অনুমান নির্ভর বলা ঠিক নয়। কারণ বিজ্ঞান যে ভুল তত্ত্ব দেয়, তাও অনুমান করেই যে দেয় তা নয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেই বলে, হয়তো তার পরীক্ষায় ভুল থাকে। টেকটিউনস যেহেতু প্রযুক্তি বিষয়ক সাইট এখানে এ সব বিষয় নিয়ে আলোচনা করলেও, সেটা প্রযুক্তি নির্ভর যুক্তি-তর্কে আলোচিত হলে ভাল হতো। ধর্মীয় বিষয় এখানে পরিহার করাই ভাল মনে করি।

    একমত ইসমাইল ভাই এর সাথে।

    শ্রদ্ধাশীল থাকা উচিৎ।আমি অস্বীকার করছিনা।কিন্তু উনি যে বলেছেন মৃত্যুর পর কোনো জীবন নাই ,এটা কি আপনি মানেন নাকি অস্বীকার করেন?যদি অস্বীকার করেন তাহলে ভালো কথা ।আর যদি তার কথা ঠিক বলে মনে করেন তাহলে কিন্তু আপনি ইসলাম ও আল্লাহ কে অবিশ্বাস এর মত ভুল করবেন।আমার কথায় মাইন্ড করবেন না।আমি শুধুমাত্র বুঝানোর জন্য বলেছি।

    আপনি বললেন """" পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেই বলে, হয়তো তার পরীক্ষায় ভুল থাকে।""""
    এর মধ্যে তো ভুল আছেই।তাই তো লেখাটা কোরআন এর আয়াত দ্বারা বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে,আশা করি বুঝতে পেরেছেন।

    যদিও লেখাটা ধর্মীয় বিষয় ,কিন্তু বিজ্ঞান এর সাথে কিছুটা বা অনেক সম্পর্কিত।তাই এখানে শেয়ার করলাম।

    Level 0

    আমি আপনার REPLY টা পরেছিলাম না। এখন পরলাম। আপনার সাথে আমিও একমত।

      Level 0

      আমি একমত ইসমাইল ভাই এর সাথে।

Level 0

ভালো লাগল , প্রিয়তে রাখলাম ।

"অতএব তওবা করুন! মুসলিম হয়ে মৃত্যুবরণ করুন!! পরকালে ভাল থাকবেন ইনশাআল্লাহ।"

আমরা স্টিফেন হকিং এর সুন্দর পরকালের জন্যে দোয়া করি। আশা করি শিঘ্রই সে আলোর পথে ফিরে আসবে।

আমি সর্বপ্রথম দোয়া করি আল্লাহ যেন সবাইকে হেদায়েত দান করুন,
আমি টিউনটা ভাল ভাবে পড়েছি আমার কাছে ভাল লেগেছে Mukut ভাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ গুরুত্বপুর্ন টিউনটি করার জন্য।এই জন্য আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দিবেন ইনশাল্লাহ।
এইটা একটা গুরুত্বপুর্ন টিউন যদিও ধর্মিয় কিছুটা বিষয় আছে কিন্তু আমাদের একটা কথা মনে রাখা ভাল পরকালের চিন্তাই কিন্তু একটা মানুষকে ভাল ও সৎ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সবছেয়ে বেশী সাহায্য করে।
কারো মনে যদি এই বিশ্বাস হয় আমি যা কিছুই করছি তার হিসাব আমাকে পরকালে দিতে হবে ভাল ও খারাপের ফল নিতে হবে তবে সে অবশ্যই খারাপ কাজ করতে একটু চিন্তা করবে।
**এখন এমন অনেক জ্ঞানি আছে যারা পরকালকে বিশ্বাস করেনা কারন তারা নাস্তিক।তাই বলে পরকাল অবশ্যই মিথ্যা নয়,এইটাই পৃথিবীর বেশীর ভাগ মানুষের বিশ্বাস।
আবার দেখেন এমন কিছু জ্ঞানি আছে যারা জীবিত থাকতে ধর্ম কিংবা পরকাল মানেনা কিন্তু মৃত্যুর পর তাদেরই যেতে হয় আল্লাহর কাছে,তাদের লাশের পাশে দেখবেন হাফেজ দিয়ে ক্বোরান তেলয়াত করছে,চল্লিশা করছে তাও আবার ধুমদাম করে মিডিয়া কভারেজ করে,এখন বুঝেন অবস্থা।
আমাদের হুমাউন আযাদ কিংবা শামসুর রেহমান তার জলন্ত উদাহরন,যার মাঝে প্রথম জন বলেছিলেন আখেরাত বলতে কিছু নাই কিসের 'হুর' পাবে জান্নাতে এই সব নাকি আমাদের লোভ দেখানো হয়েছে,আর দ্বিতীয় জনতো ফজরের আযানকে বেশ্যার খদ্দের ডাকার সাথে তুলনা করেছিলেন।
তবে এর মাঝেও অনেক ভাল জ্ঞানি আছেন যারা সত্যিকার অর্থেই পরকাল এবং আল্লাহর অস্তিত্বকে মেনে নেয়।
একটু বেশী বলে ফেললাম এই জন্য ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি সবার কাছে।

    হুমায়ন আজাদ এই কথা বলেছিলো?নাউযুবিলাহ।এজন্যই হুমায়ন আজাদ এর এই অবস্থা করা হয়েছিল?

    আমাদের নিজেদের ভিতরেই এই অবস্থা ?আর স্টিফেন হকিং তো বিধোর্মি

Level 0

খুব ভাল একখান টিউন হইসে ভাই। আরও চালিয়ে যান। ভাই একটা কথা, হকিং এর ঘাড়তো এমনিতেই বাঁকা, তার উপর ঘাড়ের মধ্যে আরও একটা খাওয়ার জোগাড় করতেছে আর কি।

Level 0

বিজ্ঞানের প্রথম কথাই হচ্ছে প্রমাণ। সেখানে কিভাবে বললেন এটি অনুমাননির্ভর ? কিছু বিষয় সম্পর্কে অনুমান করার আগেই তা প্রমান হয়ে যায় আর কিছু বিষয় অনুমান করার পর তা প্রমানের চেষ্টা করা হয়, অনুমিত বিষয় প্রমান হলে তা সত্য বলে ধরা হয় আর না হলে পরে তা বাতিল হয়। এইতো।
আপনি কি জানেন,প্রকল্প আর তত্ত্বের মধ্যে পার্থক্য কি?
১) যে বিষয়ে কোনো কথা বলা হল বা অনুমান করা হল এখনও প্রমানিত হয়নি তাইই হল প্রকল্প। (এই প্রকল্প আর ইংরেজীতে project বলতে যা বুঝি তা এক নয়)
২) আর কোনো বিষয়ে বলা কথা প্রমানিত হলে তা হল তত্ত্ব।
আরেকটা কথা—-যারা সাধারণত বিজ্ঞানের বাইরে,তাদের মধ্যে নাস্তিক হওয়ার পসিবিলিটি বেশি থাকে,যেমন হুমায়ূন আজাদ,শামসূর রাহমান। আবার যারা বিজ্ঞানের সাথে সম্পৃক্ত থেকে বিজ্ঞানের পিক পয়েন্টের আগের পয়েন্ট পর্যন্ত পৌঁছে তাদের মধ্যেও নাস্তিকতা দেখা যায়। পিক পয়েন্ট পর্যন্ত পৌছালে এ ভুল ধারনা থাকত না।

Level 0

ভাই আমি শুধু একটি কথাই বলতে চাই যে উনি কি, কেমন, আর কি অবস্থায় আছেন তা আমরা শুধু দেখতে পারি কিন্তু বুঝতে পারিনা। আপনাদের পরিবারে এমন কেউ থাকলে হয়ত কিছুটা বুঝবেন। অথবা "Guzarish" সিনেমা টা দেথে ধারনা করতে পারেন।

ভাই বলাটা ঠিক না তার পর ও বলছি ক্ষমা করবেন। যে মানুষটা সারা জীবন উপরওয়ালার উপসনা করেও তাকে এই রকম দিন দেখতে হয় তাহলে ভাই আমারা সামান্য মানুষ জাতি । সেই মানুষটা আর কি বিস্বাস রাখতে পারেন? যদি রাখেন তাহলে কি আশায়? অন্য পৃখিবীতে তার সাথে ভাল কিছু হবে এই আশায়?

এর যে কি যন্ত্রনা তার মাশুল হিসাবে শুধু তাকে নয় তার পরিবারের সকলের জীবন নরকের কাছাকাছি হয়ে যায়। যে এখন এই অবস্থা তার পরে নিয়ে কি চিন্তা হতে পারে।

যাই হোক আর বেশী কিছু বলতে চাইনা। কোন ভুল হলে ক্ষমা করবেন।

    আল্লাহ যদি আপনাকে দুনিয়ায় অনেক অনেক বেশি কষ্টে রাখেন এবং এত কষ্টের পরেও যদি আপনি আল্লাহর আদেশ পালন করেন,আল্লাহ কে বিশ্বাস করেন তাহলে মৃত্যুর পর আল্লাহ আপনাকে অনেক ভালো রাখবে।আর আপনি যদি এই সামান্য কষ্টের কারনে আল্লাহর উপর রাগান্নিত হয়ে আল্লাহ কে ভুলে যান তবে মনে রাখবে,মৃত্যুর পরে আপনার সাস্তি এর চেয়েও মারাত্তক হবে।

    একটা হাদীস এ পড়েছিলাম– একজন ধনী ব্যাক্তির তুলনায় একজন গরীব ব্যাক্তি জান্নাতে ৫০০ বছর আগে পৌঁছাবে।কারন ধনী ব্যাক্তির টাকার হিসাব দিতে দিতে এত সময় লেগে যাবে।

    """এর যে কি যন্ত্রনা তার মাশুল হিসাবে শুধু তাকে নয় তার পরিবারের সকলের জীবন নরকের কাছাকাছি হয়ে যায়। যে এখন এই অবস্থা তার পরে নিয়ে কি চিন্তা হতে পারে।"""
    আপনার এই কথার উত্তর এ বলছি–এটা একটা পরিক্ষার দুনিয়া।আপনি পরিক্ষা দিচ্ছেন।আল্লাহ সবাই কে সুখে রাখেন না।আল্লাহ যা করেন তা আমাদের ভালোর জন্যই করেন।আল্লাহ আপনাকে যতই কষ্টে রাখুক,সব সময় আল্লাহর কথাই মনে করবেন।অবশ্যই আল্লাহ তায়ালা এর জন্য আপনাকে উপযুক্ত পুরস্কার দিবে।

    Level 0

    আপনার খুব কাছের মানুষের মধ্যে এমন কেউ আছেন? হকিং এর মত বেচেঁ থেকেও মৃত ? আমি আপনার উত্তর বলে দিচ্ছি..> না নেই। যদি থাকত তাইলে লিখতে শুধু বিজয়/অভ্র টা ব্যবহার করে ” বানী “ গুলো উত্তরে দিতে একটু ভাবতেন। যাই হোক আমার পরীক্ষা টা আমার এথন দিতে হবে (যদিও বা আমার খাতাতে লিখার মত শক্তি নেই কারন আমি তো বেচেঁ থেকেও মৃত) আর এর পুরস্কার (ফলাফল) আমাকে নিতে হবে অন্য কোন দিন? এর চেয়ে এটা ভাল হত না যে আমার শাস্তি/ পুরস্কার টা এখানেই পেলাম।

    এতে করে আমার পরিনতি/ পুরস্কার দেখে অনেকে অনুপ্রানিত হয়ে আরেত টু বেশী করে ধার্মিক হয়ে যেত।

    আর একটা মজার গানের লাইন যাবার সময় বলে যাই তা নিশ্চয় শুনেছেন “ কৃষ্ন (বাংলা্ টাইপে দূর্বল) করলে লীলা আর আমরা করলে গীলা। আশা করি লাইনটির মর্ম আপনি বুঝতে পেরেছেন।

    আর হা যদি আপনার খুব কাছের মানুষ ( বাবা/মা/ভাই ) যদি হকিং এর মত অবস্থায় খাকেন তাইলে REPLYদিবেন, না হলে দরকার নাই। কারন যার ব্যাথা একমাত্র সে বুঝে আর কেউ বুঝে না।

    আপনি কোথাকার কথা কোথায় নিয়ে যাচ্ছেন?

    আপনাকে একটা ছোট প্রশ্ন করি।ধরুন (আল্লাহ না করুক) আপনি হঠাত একটা দুর্ঘটনায় আপনার ২টা পা হারালেন।এখন আপনি খুব অসহায় হয়ে পরেছেন।কিছুই করতে পারছেন না।এখন আপনি কি এই দুঃখে আল্লাহ তায়ালা কে ভুলে জাবেন?

    Level 0

    আপনার এই প্রশ্নের সহজ উত্তর আমি দিচ্ছি, সেটা হল আমি পা হারানোর সময় বা দূর্ঘটনার সময় যে আমাকে সাহাজ্য করতে আসবে তাকে এম্বুলেন্স কে না ডেকে উপরওয়ালা কে ডাকতে বলব। পা হারানোর চিন্তা বাদ দিন আমার জীবন হারালাম।

Allah (subhanahu wa ta'ala) said: If you never felt pain or experienced problems, how would you know I'm the Healer?; If you never made a mistake, how would you know I'm the Forgiver?; If you were never hurt, how would you know I am the Comforter? If your life was perfect, then why would you need Me?

হুমায়ুন আজাদ স্যার বলেছিলেন, "হিন্দুরা মূর্তি পূজারী,আর মুসলমানরা ভাবমূর্তি পূজারী।" এই কথাটা কিন্তু উনি সব হিন্দু, মুসলমানকে কটাক্ষ করে বলেন নি।বলেছিলেন একশ্রেনীর বুদ্ধিবিকল হিন্দু (বুদ্ধিবৈকল্য না থাকলে মূর্তিপূজা কেউ করে না) এবং একশ্রেনীর ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবিহীন ( ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্য থাকলে কেউ ভাবমূর্তিপূজা করে না) মুসলমানকে উদ্দেশ্য করে।অতএব এই কথাকে কেউ সামষ্টিকভাবে হিন্দু বা মুসলমানদের বিরুদ্ধে নিতে পারে না।পরের লাইনে তিনি তার কুফল সম্পর্কেও বলেছেন।—–"মূর্তিপূজা নির্বুদ্ধিতা, ভাবমূর্তিপূজা ভয়াবহ।"

    "হিন্দুরা মূর্তি পূজারী,আর মুসলমানরা ভাবমূর্তি পূজারী।"
    কথা টা এই ভাবে বলা ঠিক হয়নি।মুসলমান রা পূজারী হতে যাবে কেন?্

    ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবিহীন ( ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্য থাকলে কেউ ভাবমূর্তিপূজা করে না)

    ভাই্‌ আমি টিউব লাইট।এই কথা টার মানে একটু বুঝিয়ে বলবেন?

Level 0

ভাই আপনার লেখা পডে ধর্মের প্রতি একটা দুরবলতা এসে গেলো। ভালো হইছে।

    সব সময় রাখুন।আল্লাহ কে আর ভয় করুন আর মৃত্যু কে স্বরন করুন।তাহলেই দেখবেন আপনি খারাপ কাজ করতে ভয় পাবেন।

Level 0

khub valo laglo

হ িকং েক ব েল িদন িশকােগা শহ েরর মত এই কথার ভুল িশকার েযন ক ের েনন তামাম পৃিথবীর কােছ। শালা হ িকং একটা পাগল ৈব িকছু নয়।

Level 0

vai apnar lekha porlam.. r pore bujlam manus ekon o ondhokar ee thakte pochondo kore.. ekta kota chinta koren.. amra nana karone dhormer kota bole kotay kotay science ke tane ani.. kintu science ke kokhon oo tar nijer proyojone dhormo ke tane anse?? S. hokin onek boro scientist.. uni tor kotha bolechen.. bissas kora na kora apnar bepar.. er modda dhormo ke tene anar ki ase?? religion n science totally different ginis.. ek korar kono dorkar nai……. nij nij dhormer srestotho promaner jonno sobai bole je amar dhormoee scientific dhormo ebog er pokka nana juktie o tule dhore ja bhauta-baje chara r kechue na.. ekta kota mone rakben>> RELIGION CHARA AMRA BACHTE PARBO TIK EE KINTU SCIENCE CHARA NOY…

    Level 0

    আপনার উত্তর আমি যথার্থ মনে করি। আপনি ১০০ % সুন্দর কথা বলেছন।

    nij nij dhormer srestotho promaner jonno sobai bole je amar dhormoee scientific dhormo ebog er pokka nana juktie o tule dhore ja bhauta-baje chara r kechue na.

    সেটা অন্য ধর্মে হতে পারে।কিন্তু ইসলাম ধর্মে নয়।সেটা আপনি ভালো করেই জানেন।

    ekta kota mone rakben>> RELIGION CHARA AMRA BACHTE PARBO TIK EE KINTU SCIENCE CHARA NOY…

    ধর্ম ছাড়া আপনি বাচতে পারবেন।আমি না।এক্টা কথা মনে রাখবেন।আল্লাহ আমাদের বুদ্ধি দিয়েছেন তাই আমরা বিজ্ঞান সৃষ্ট হয়েছেন এবং বিজ্ঞান দিয়ে অনেক কিছু আবিষ্কার করতে পারছি।এজন্য আল্লাহ তায়ালার কাছে শুকরিয়া আদায় করুন।আল্লাহ মানুষ কে বুদ্ধি না দিলে আপনি আর আমি এখন এই খানে লিখতে পারতাম না।ধন্যবাদ।

    kintu science ke kokhon oo tar nijer proyojone dhormo ke tane anse??

    আনেনি কিন্তু ব্যবহার করছে।অনেক বিধোর্মি বিজ্ঞানি(যারা মুসলমান নয় তাদের কে বলছি) বিজ্ঞান এর প্রমান এর জন্য কোরআন শরীফ ব্যবহার করে।সেটা কি আপনি জানেন? স্বয়ং নাসা ও এর উর্ধে নয়।

Level 0

Biggani ra tader panditto folanor jonno shob shomoy e Pobitro Quran Shorif er Sahajjo niye thaken. Tai Dracula Vai er shathe 1 mot hote parlam na. """"RELIGION CHARA AMRA BACHTE PARBO TIK EE KINTU SCIENCE CHARA NOY…""" Ei kothatar bibhinno ortho daray,

1. Apni S. Hokins er moto Sroshta bisshash koren na.
2. Ar Jodio ba Sroshta Bisshash koren Tahole apni apnar Shroshta Hishebe Science kei beche niyechen…….

Ami Science ke dosh dibo na… Eta chara amader bacha koshtokor hobe taw bisshash kori kintu Dhormo ba Shrishtikorta ke Baad diye Science…..!!!!

Any ways Vul Hole Khoma shundor drishtite dekhben. Mukut Vai Onnek Dhonnobad eto shundor 1 ta Tune er jonno. Asha kori amon Chomotkar tune aro pabo

somoyer poriborton o vobisot somoy bhul o sothik k ro sposto kore dibe.
Post ti valo laglo.thanks