Mastering Color Theory [পর্ব-২] :: Tints, Shades amp Tones

Tints, Shades & Tones

Tints:  Color Theory’র ভাষায় Tints হচ্ছে কোন একটি রঙ এর সাথে সাদা রঙ যুক্ত করা, যার ফলে ওই রঙটির উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়। কি! ঘাবড়ায় গেলেন নাকি? বিষয় টা একটু খুলে বলা যাক With image 🙂

tints.png

উপরের ছবি টা খেয়াল করুন। ধরুন গারো সবুজ রঙ নিলাম  মুল রঙ হিসাবে (ধরার কিছু নাই, রঙ তো নেয়া হয়েই গেছে :P) এরপর থিয়োরি প্রয়োগ করি, অর্থাৎ একটি নির্দিষ্ট মাত্রায় সাদা রঙ প্রয়োগ করি। এক্ষেত্রে আমরা ২০% সাদা রঙ প্রতি ধাপে প্রয়োগ করেছি। এবং একসময় উপরের পুরো ছবি টা তৈরি করেছি। একেই বলে Tints. Titns কেন ব্যবহার করতে হবে সেটা নিশ্চয়ই বুঝে ফেলেছেন। না বুঝলে আর একবার ছবিটী খেয়াল করে দেখুন আমরা ২০% Tints প্রয়োগ করে কতোগুলো, দুঃখিত কত্তগুলো রঙ পেয়েছি। হ্যাঁ এই টিন্টস এর ব্যবহার করে এরকম রঙের বন্যা বইয়ে দেয়া সম্ভব। প্রাকটিস করে নিন একটু। কারন এরপর আচলোচনা করবো Shades নিয়ে।

Shades:   কি! প্রাকটিস করেছেন তো? কারন Tints যদি বুঝে থাকেন তাহলে আর Shades বুঝতে হবেনা। Tints বুঝলে Shades বোঝা একদমই সহজ। আচ্ছা, আমরা Tits নিয়ে কাজ করার সময় তো ২০% করে সাদা রঙ যুক্ত করেছি তাইনা? আশাকরি। দেখা যাক কি দারায়। তবে Shade এর ক্ষেত্রে উজ্জ্বলতা কমে যাবে অর্থাৎ Tints এর বিপরীত ঘটনা ঘটবে।

shades.png

উপরের ছবিতে লক্ষ করে দেখুন, আমরা মেইন রঙ এর সাথে ২০% কালো রঙ যোগ করেছি এবং শেষ পর্জন্ত কতোগুলো রঙ আবিষ্কার করে ফেলেছি। আশাকরি Shade এর কোন সংজ্ঞা দেয়ার আর প্রয়োজন নাই।

Tips:  মুল রঙের সাথে নির্দিষ্ট মাত্রার সাদা রঙ যুক্ত করাকে Tints আর মুল রঙের সাথে নির্দিষ্ট মাত্রার কালো রঙ যুক্ত করা কে Shades বলে। এখানে আমরা ২০ % সাদা ও কালো ব্যবহার করেছি। আপনারা চাইলে ইচ্ছামতো টিন্টস ও শেড ব্যবহার করতে পারেন। যেমন ৩০% সাদা, ৬০% সাদা ইত্যাদি। এক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন রঙ পাবেন।

প্রশ্নঃ  কি করে ২০% সাদা যোগ করতে হয়, কোথায় করা যাবে? আমার মাথা ঘুরতেছে কেন?

উত্তরঃ  মাথা ঘুরার কোন কারন আমার জানা নাই, তবে Photoshop এর মাধ্যমে কিভাবে Tints তৈরি করবেন তা নিচে দেখিয়ে দিচ্ছি। Just follow the instruction 🙂

1.png

১. একটি নতুন ডকুমেন্ট তৈরি করুন। সাইজ ব্যাপার না, তবে Color mode টা  RGB  তে নেন আর Background Color টা সাদা দেন। এরপর ওকে তে ক্লিক করে পরবর্তি স্টেপে আসুন।

২. এবার নিচে ছবি টি লক্ষ করুন, বোঝার সুবিধা জন্য কিছু জিনিস  Highlight  করে দিয়েছি। এই কয়েকটা জিনিস আমাদের কাজে লাগবে। প্রথমে  Flow  এর ব্যাপার টা দেখুন। Flow মানে প্রবাহ অর্থাৎ এটা যদি ১০০ % হয় তাহলে আপনার সিলেক্ট করা রঙ টা ১০০% প্রবাহিত হবে। কিন্তু আমরা ১০০ % না নিয়ে ২০% ফ্লো ব্যবহার করবো। কারন আমাদের Tints তৈরি করার জন্য ফ্লো কমাতে হবেই।

৩. এবার দেখুন ব্রাশ টুল টির দিকে (Shortcut B) এটা দিয়ে আমরা এই ডকুমেন্ট টাতে টিন্ট তৈরি করবো।

৪. এরপর দেখুন লাল রঙ সিলেক্ট করা ঘড়টিতে। এটা হচ্ছে Color selection এলাকা। এখান থেকে মুল রঙ সিলেক্ট করবো। এবার আমি লাল রঙ ব্যবহার করে দেখাবো আর ফ্লো ২০% ই থাকবে।

2.png

৫. ব্রাশ টুল সিলেক্ট করে Color palette থেকে লাল রঙ টী নিন। এবার ব্রাশ এর সাইজ টা ইচ্ছা মত বাড়িয়ে নিন। এবং ডকুমেন্ট এ একটি ক্লিক করুন। তাহলে উপরের ছবির মত একটি লাল বৃত্য(বানান টা ভুল মনে হয়) তৈরি হবে।

৬. এবার  Flow  তে ক্লিক করে এর পরি মান কমিয়ে ২০% করে দিন।

৭. এবার Color palette থেকে সাদা রঙ নিন। ফ্লো ২০% আছে কি না চেক করে নিন। এরপর লাল বৃত্যটির উপর ক্রমানুসারে ক্লিক করুন। নিচের ছবিটা খেয়াল করুন।

তৈরি হয়ে গেল আমাদের টিন্ট। অনুরুপ ভাবে Shade এর কাজ টাও করে ফেলুন। শুধু সাদার পরিবর্তে কালো রঙ সিলেক্ট করুন। আমি Shade তৈরি করা দেখালাম না। কারন আমি জানি আপনারা পারবেন। আর আপনি যদি একেবারেই নতুন হয়ে থাকেন তাহলে প্রথমে Photoshop সম্পর্কে বেসিক ধারনা নিয়ে আসেন। এরপর প্রাকটিস করেন।

Screenshot (11).png

Tones: আমরা সাদা যোগ করেছি, কালো রঙও যোগ করেছি। আর আমি আশা করি আপনারা প্রাকটিসও করেছেন, আর Tones এর জন্য অপেক্ষা করে আছেন। যাই হোক, আমি Tones এর ব্যাপার টা জটিলে না নিয়ে সহজে ব্যাখ্যা করে দিচ্ছি। Tone এর ক্ষেত্রে সাদা ও কালো এর পরিবর্তে Grey Color ব্যবহার করতে হয়। কঠিন কিছু না। Gray Color আবার কেমন? Google এ Gray Color লিখে Search দিন। অনেক ধরনের grey color দেখতে পাবেন। এখানে থেকে যেকোন একটি রঙ সিলেক্ট করে নিন।

টিপ্সঃ  মনে রাখবেন আপনি ডিজাইনার, আপনার কাছে রঙ এর কোন সীমা নেই। ভিন্ন ভিন্ন রঙ ব্যবহারের কারনে ভিন্ন ভিন্ন ফলাফল পাবেন। প্রতিটি রঙই ইউনিক ও কাজের। শুধু আপনার কল্পনার ব্যবহার করে প্রাকটিস করে যান। উপরের ছবিটা দেখুন প্রতিটি রঙ ই মূলত লাল। কিন্তু Tint ব্যবহারের কারনে মুল লাল রঙ টি অনেক যৌগিক লাল রঙ এ পরিনত হয়েছে।

Special Tips:  ডিজাইনের কাজে কখনো ১০০% রঙ ব্যবহার করবেন না। অর্থাৎ, যদি কালো রঙ ব্যবহার করতে চান, তাহলে ১০০% কালো ব্যবহার করবেন না। কারন ১০০% রঙ ব্যবহার আপনার ডিজাইন কে অসম্ভব রুপে বাজে করে তুলতে পারে। চেষ্টা করুন কালোর (কালো রঙ এর ক্ষেত্রে) কাছাকাছি কোন রঙ ব্যবহার করতে। এতে আপনার ডিজাইন দৃষ্টিনন্দন হবে।

* দয়া করে টিউন টি কপি পেস্ট করবেন না। আপনাদের সকলের বোঝার জন্য অনেক সময় নিয়ে  এই সিরিজ গুলো নিয়মিত টিউন করতেছি। আমার এই পরিশ্রম এর জন্য আমি কারো কাছে কিছু দাবিও করনি :)। সম্পুর্ন ফ্রি। কিন্তু সবচেয়ে  কষ্ট পাবো তখনই, যখন দেখব আমার এই টিউন কপি করে নিজের নামে অন্য কোন ব্লগে চালাচ্ছে কেউ। (কষ্ট পাওয়া টা কি অসাভাবিক কিছু?) আমি আশা করবো আমার এই পরিশ্রম এর সম্মান টা অন্তত করবেন। রঙ নিয়ে আপনাদের যাত্রা শুভ হোক।

পরবর্তি টিউন এ আলোচনা করবো Color Temperature নিয়ে।

আজকের  পর্বসম্পর্কে কোন প্রশ্ন, সমস্যা কিংবা আমার কোন ভুল হলে অবশ্যই গ্রুপে টিউন করতে দ্বিধা করবেন না।

আমি সমীর, আমি CG & VFX এর জন্য নিজের লাইফ কে উৎসর্গ করেছি। এর পেছনেই আছি এবং থাকবো।

বিস্তারিত আলচনার জন্য ফেইসবুক গ্রুপে যোগ দিতে পারেন।

Level 0

আমি সমীর। বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সৌশল নেটওয়ার্ক - টেকটিউনস এ আমি 8 বছর 7 মাস যাবৎ যুক্ত আছি। টেকটিউনস আমি এ পর্যন্ত 6 টি টিউন ও 32 টি টিউমেন্ট করেছি। টেকটিউনসে আমার 0 ফলোয়ার আছে এবং আমি টেকটিউনসে 0 টিউনারকে ফলো করি।


টিউনস


আরও টিউনস


টিউনারের আরও টিউনস


টিউমেন্টস

😀
আচ্ছা টিন্টস এর সাথে ব্রাইটনেস বাড়ানর কোনো পার্থক্য আছে?
এটাকি একটা রঙের উপর আরেকটা রঙের value বাড়ানো বা কমানো না?
Saturation এর সাথে এদের সম্পর্ক আছে? ( আমি ভেলু আর স্যাটুরেশন পাচ্যায়া ফালাইতাছে 😛 )

হ্যাঁ একটু পার্থক্য আছে। এজন্যই একে আমরা টিন্টস বলি। ভেলু আর স্যাটুরেশন এর জন্য আরো একবার এর আগের পর্ব টা দেখে আসেন। আশা করি বুঝবেন।

প্রিয় টিউনার,

আপনি ভুল ভাবে আপনার চেইন টিউনের শিরোনাম গুলো দিচ্ছেন। আপনি পর্ব হিসেবে টিউনের শিরোনাম গুলো –

চেইন টিউনের নাম [পর্ব-০১] :: চেইন টিউনের ভিতরের বিষয়বস্তু …

চেইন টিউনের নাম [পর্ব-০২] :: চেইন টিউনের ভিতরের বিষয়বস্তু ….

চেইন টিউনের নাম [পর্ব-০৩] :: চেইন টিউনের ভিতরের বিষয়বস্তু

এর অর্থ প্রথমে চেইন টিউনের নাম, এরপর (স্পেস দিয়ে) স্কয়ার ব্রাকেটের ( [ ] ) মধ্যে পর্ব হাইফেন (-) দিয়ে দুই সংখ্যায় পর্বের নম্বর। স্কয়ার ব্রাকেটের ( [ ] ) ভিতরে কোন স্পেস দিবেন না। এরপর (স্পেস দিয়ে) ডাবল কোলন (::) এর পরে (স্পেস দিয়ে) চেইন টিউনের ভিতরের বিষয়বস্তু॥ এই ফরমেটে চেইন টিউনের শিরোনাম গুলো লিখুন।

এই চেইনের পূর্বের পর্ব গুলোর শিরোনাম গুলোও যদি ‘টেকটিউনস চেইন টিউনের’ শিরোনাম মোতাবেক করা না থাকে তবে সব গুলো এখনই সংশোধন করুন ও পরবর্তী সকল চেইন টিউনে সঠিক ভাবে চেইন টিউনের শিরোনাম দিন।

টিউনের শিরোনাম গুলো ‘টেকটিউনস চেইন টিউনের’ শিরোনাম মোতাবেক সঠিক ভাবে সংশোধন করে আপডেট করে এই টিউমেন্টটির প্রতুত্তর (রিপ্লাই) দিন। টেকটিউনস থেকে আপনার টিউন গুলো চেইন করে দেওয়া হবে।

চেইন টিউন কীভাবে প্রক্রিয়া হয় তা জানতে ‘টেকটিউনস সজিপ্র’ https://www.techtunes.co/faq এর ‘চেইন টিউন’ অংশ দেখুন। ধন্যবাদ।

jotttttillllllllllllllllllllllllllll……………………….. 😉